Thursday, April 30, 2026
spot_img
হোমঅন্যান্য১৩ নভেম্বর শেখ হাসিনার গণহত্যা মামলার রায়

১৩ নভেম্বর শেখ হাসিনার গণহত্যা মামলার রায়

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া গণহত্যা মামলার রায়ের দিনক্ষণ আগামী ১৩ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে। এদিনকে ঘিরে রাজধানীসহ সারাদেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ রায় ঘোষণার দিন সহিংসতা ও নাশকতার পরিকল্পনা করছে। দলের কিছু নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি ও উসকানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি।

এদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের যেকোনো সহিংস তৎপরতা প্রতিহত করতে তারা রাজপথে তাৎক্ষণিক কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

দলটির একাধিক শীর্ষ নেতা বলেন, “ভারত থেকে শেখ হাসিনা তার ফ্যাসিস্ট বাহিনীকে মাঠে নামানোর নির্দেশ দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে তারা বিশৃঙ্খলার ছক কষছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ দল—তারা রাস্তায় নামলে এনসিপি নিশ্চুপ থাকবে না।”

তারা আরও বলেন, “গণহত্যার বিচার বাধাগ্রস্ত করার যে কোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে এনসিপি সর্বদা প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে ছাত্র ও জনতাকে তাৎক্ষণিকভাবে রাজপথে নামার আহ্বান জানানো হবে।”

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নজরদারি জোরদার করেছে। সামাজিকমাধ্যমে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আওয়ামী লীগের কয়েকজন কর্মীকে আটক করা হলেও তাদের গোপন নাশকতা পরিকল্পনা অব্যাহত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একজন এনসিপি যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, “জুলাই গণহত্যার হুকুমদাতা শেখ হাসিনার বিচার ঘিরে আওয়ামী লীগের অনলাইন তৎপরতা বেড়েছে। এটি সরকারের জন্য সতর্কবার্তা।”

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আরেকজন মন্তব্য করেন, “বিএনপি-জামায়াত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের কথা বললেও শেখ হাসিনার বিচার ও আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে তাদের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই—এটি উদ্বেগজনক।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া গণহত্যা মামলার বিচারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রায় ঘোষণার দিনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কট্টরপন্থী নেতাকর্মীরা রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গোপনে অন্তত পাঁচটি স্থানে প্রশিক্ষণ সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ডিজিটাল যোগাযোগ কৌশল ও মাঠপর্যায়ের সমন্বয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

টাঙ্গাইল উত্তর সর্বশেষ

জনপ্রিয়