রাজধানীর মিরপুর দারুস সালাম থানা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সংঘটিত বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনায় মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৮, ভোলা ক্যাম্প এ তথ্য জানায়। এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ভোলা সদর উপজেলার উত্তর চর ভেদুরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. হোসেন সোহান (৩৩), বকুল বিবি (৫৬) এবং কুলসুম বিবি (৫০)। এদের মধ্যে সোহান ও বকুল ভেদুরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা, আর কুলসুম ধনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, হোসেন সোহান ও তার সহযোগীরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ অক্টোবর রাতে মিরপুরের দারুস সালাম থানার মাজার রোড এলাকার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ৫-৬ জন ডাকাত প্রবেশ করে। তারা ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও মুখ বেঁধে আলমারির লক ভেঙে নগদ ৩২ লাখ ৫ হাজার টাকা, ১০৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী দারুস সালাম থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় র্যাব ৩০ অক্টোবর সকালে ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে মূল হোতা মো. বিল্লালকে গ্রেপ্তার করে। পরে বিল্লালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের একটি দল ভোলা সদর উপজেলার উত্তর চর ভেদুরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহান, বকুল বিবি ও কুলসুম বিবিকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়—
👉 ১ ভরি ১০ আনা ১ রতি ৪ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার
👉 ৮ ভরি ২ আনা ৪ রতি সিটি গোল্ড
👉 নগদ ৮০ হাজার টাকা
👉 ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন
র্যাব জানিয়েছে, ডাকাতদলের অন্যান্য পলাতক সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
🕵️♂️ সূত্র: র্যাব-৮, ভোলা ক্যাম্প সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
🗓️ প্রকাশের তারিখ: ৩০ অক্টোবর ২০২৫







