Wednesday, April 29, 2026
spot_img
হোমঅন্যান্যটাঙ্গাইল-৩ আসনে আবারো জনমতের শীর্ষে জনাব লুৎফর রহমান খান আজাদ

টাঙ্গাইল-৩ আসনে আবারো জনমতের শীর্ষে জনাব লুৎফর রহমান খান আজাদ

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব লুৎফর রহমান খান আজাদ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপি’র মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। ঘাটাইলবাসীর দাবি—জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে আবারো অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার সুযোগ চান।

জনাব আজাদ ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনবার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ছিলেন মানবিক, সৎ ও উন্নয়নমুখী এক জনপ্রতিনিধি।

দলের তৃণমূল সূত্র জানায়, মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ঘাটাইলকে একটি আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় রূপান্তরিত করেছিলেন। তার উদ্যোগে অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, হাসপাতাল, এতিমখানা ও ব্রিজ-কালভার্ট নির্মিত হয়। একসময় যেখানে পাহাড়ি দুর্গম পথ দিয়ে মানুষ চলাফেরা করতে ভয় পেত, সেখানে আজ পাকা সড়ক আর অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি “আধুনিক ঘাটাইলের রূপকার” হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাঠে-ময়দানে নিয়মিত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি প্রচারের পাশাপাশি তিনি দলের দুর্দিনে নিপীড়িত ও মামলা-হামলার শিকার নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন।

স্থানীয় ভোটারদের মতে, রাজনীতির বাইরেও লুৎফর রহমান খান আজাদ একজন মানবিক ও পরোপকারী মানুষ। দল-মত নির্বিশেষে ঘাটাইলের মানুষ তাকে আবারও এমপি হিসেবে দেখতে চায়। এলাকার সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন, দল যদি এবারও তাকে মনোনয়ন দেয়, বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জনাব আজাদ ঘাটাইলকে শান্তির নগরীতে রূপ দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় থেকেও কখনো দলীয় হানাহানি বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় জড়াননি। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি তিনি মাঠপর্যায়ে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং বিএনপি সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন।

প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীরাও তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তাদের মতে, আজাদের মতো সৎ, ক্লিন ইমেজধারী নেতাকে মনোনয়ন দিলে বিএনপি’র ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে এবং সাধারণ ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে।

২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনের পর দলের অসহযোগ আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়। এর আগে এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতিটি লড়াইয়ে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দলের ভেতরে ও বাইরে এমন মতামতই জোরালো হচ্ছে—বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদের মতো জননন্দিত, সৎ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিককে এবারো ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মাঠে দেখা যাবে।


 

টাঙ্গাইল উত্তর সর্বশেষ

জনপ্রিয়