Wednesday, February 18, 2026
spot_img
হোমঅন্যান্যসহকর্মীদের হাতেই খুন হন ঘাটাইল কলেজের নৈশপ্রহরী ইউসুফ

সহকর্মীদের হাতেই খুন হন ঘাটাইল কলেজের নৈশপ্রহরী ইউসুফ

সহকর্মীদের হাতেই খুন হন ঘাটাইল সরকারি জিবিজি কলেজের নৈশপ্রহরী ইউসুফ। নৈশ প্রহরী ফরিদ ও জুয়েলের স্বীকারোক্তি।

মামলা নং- ঘাটাইল থানার মামলা নং ০৫, তারিখ-১০/০৬/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।
বাদী
১। মোছাঃ আল্পনা খাতুন (২৯), পিতা-মোঃ আঃ সাত্তার, মাতা- মোছাঃ রোকেয়া বেগম, সাং-চাঁন্দশী পশ্চিমপাড়া, পোঃ ঘাটাইল, থানা-ঘাটাইল, জেলা-টাঙ্গাইল।

আসামি
১। মোঃ সবুজ মিঞা @ ফরিদ (৪৫), পিতা-মৃত সাত্তার, সাং-লাঙ্গুলিয়া, থানা- মুক্তাগাছা, জেলা-ময়মনসিংহ।
২। মোঃ জুয়েল (৩৫), পিতা-মৃত খোয়াজ আলী, সাং- গৌরিশ্বর, থানা- ঘাটাইল, জেলা-টাঙ্গাইল।

বিজ্ঞ আদালত থেকে আসামিদের ০৭ দিনের রিমান্ডের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১১/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালত ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে এবং রিমান্ডের জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ১। মোঃ সবুজ মিঞা @ ফরিদ (৪৫), পিতা-মৃত সাত্তার, সাং-লাঙ্গুলিয়া, থানা- মুক্তাগাছা, জেলা-ময়মনসিংহ ২। মোঃ জুয়েল (৩৫), পিতা-মৃত খোয়াজ আলী, সাং- গৌরিশ্বর, থানা- ঘাটাইল, জেলা-টাঙ্গাইলকে বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় গত ১৪/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ নিজেদের জড়িয়ে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

হত্যার কারণঃ ভিকটিম ইউসুফ, আসামি জুয়েল ও ফরিদ ঘাটাইল জিবিজি কলেজের নাইটগার্ড ছিল। কলেজের নাইটগার্ড এর ডিউটি নিয়ে ভিকটিম ইউসুফ এর সাথে আসামি জুয়েল ও ফরিদ এর ঝগড়া লেগেই থাকত। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে মর্মে জানা যায়।

উদ্ধারকৃত আলামতঃ আসামি জুয়েল ও ফরিদ এর দেখানো মতে ভিকটিম ইউসুফ এর ব্যাবহৃত ১ টি নোকিয়া বাটন মোবাইল, টর্চলাইট, একটি বাঁশি ও একটি বল্লম জিবিজি কলেজের ভিতর ঘটনাস্থলের কাছে মাটির নিচে পোঁতা অবস্থায় থেকে ১৩/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ উদ্ধার করা হয়।

ভিকটিম ইউসুফ, আসামি জুয়েল ও ফরিদ ঘাটাইল জিবিজি কলেজের নাইটগার্ড ছিল। কলেজের নাইটগার্ড এর ডিউটি নিয়ে ভিকটিম ইউসুফ এর সাথে আসামি জুয়েল ও ফরিদ এর ঝগড়া লেগেই থাকত। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে গত ০৫/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ দিবাগত রাত্রি অর্থাৎ ০৬/০৫/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ অনুমান ০০.৪৫ ঘটিকা হতে ০২.৩০ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময় ঘাটাইল জিবিজি কলেজের ভেতর হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে এবং হত্যা করে ভিকটিম ইউসুফ এর মৃতদেহ গোপন করার জন্য আসামি ফরিদ ও জুয়েল ঘাটাইল জিবিজি কলেজের উত্তর পাশে নর্দমার (পাগার) মাঝখানে কচুরিপানার নিচে রেখে আসে। আসামি জুয়েল ও ফরিদ এর দেখানো মতে ভিকটিম ইউসুফ এর ব্যাবহৃত ১ টি নোকিয়া বাটন মোবাইল, ১ টি টর্চলাইট, একটি বাঁশি ও একটি বল্লম জিবিজি কলেজের ভিতর ঘটনাস্থলের কাছে মাটির নিচে পোঁতা অবস্থায় থেকে রিমান্ডের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে উদ্ধার করা হয়। আসামি জুয়েল ও ফরিদ গত ১৪/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ নিজেদের জড়িয়ে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন আছে।

টাঙ্গাইল উত্তর সর্বশেষ

জনপ্রিয়