ঈদযাত্রায় টাঙ্গাইলে মহাসড়কে রয়েছে গণপরিবহনের পাশাপশি ছোট ছোট যানবাহন ও ব্যাক্তিগত গাড়ির চাপ। তবে চাপ থাকলেও যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
যমুনা সেতুতে ছোট যানবাহন পারাপারে সংখ্যা বেড়েছে। গেল ২৪ ঘন্টায় সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ২২৭টি পরিবহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা। সেতুতে মোটরসাইকেল পারাপার হয়েছে ৬ হাজার ১৯৫টি, ছোট যানবাহন ১১ হাজার ২০৪টি, গণপরিবহন ৮ হাজার ১৬টি ও ট্রাক পারাপার হয়েছে ৯ হাজার ৮১২টি।
অনেকেই আবার পরিবার নিয়ে মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাক ও পিকআপযোগে বাড়ি ফিরছে মানুষজন। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে ভোগান্তি ছাড়াই নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। ফলে উত্তরের পথে স্বস্তি ফিরেছে।
যাত্রীরা বলছেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে স্বস্তিতে চলাচল করতে পারলেও ঢাকা থেকে আসতে মহাসড়কের গাজীপুরের চৌরাস্তা, বাইপাইল, সাভার, চন্দ্রা, আব্দুল্লাহপুরসহ কয়েকটি জায়গাতে যানজটের কবলে পড়তে হয়েছে তাদের। পাশাপাশি বাড়তি ভাড়ার অভিযোগও করেছেন অনেকে।
মহাসড়কে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বলছেন, মহাসড়কে কোথাও যানজট না থাকলেও পরিবহনের চাপ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলারক্ষার্থে তারা কাজ করছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবির পাভেল বলেন, মহাসড়কে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি। যে কারণে পরিবহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও টোল আদায়ের পরিমাণ কম।
তিনি আরো বলেন, ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এছাড়া দুইপাশেই মোটরসাইকলের জন্য আলাদা ২টি করে বুথ রয়েছে। এতে নির্বিঘ্নে মানুষ যাতায়াত করতে পারছে।







