ghatail.com
ঢাকা বুধবার, ২২ আষাঢ়, ১৪২৯ / ০৬ জুলাই, ২০২২
ghatail.com
yummys

ঘাটাইলের গারোবাজারে আরসিসি ঢালাইয়ে অনিয়মের প্রতিবাদ


ghatail.com
স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম
১৮ জুন, ২০২২ / ১৮২ বার পঠিত
ঘাটাইলের গারোবাজারে আরসিসি ঢালাইয়ে অনিয়মের প্রতিবাদ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গারোবাজার হইতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া কেশরগঞ্জ যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে নিম্নমানের ইট সুরকি সিমেন্ট দিয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রাতের আধারে বৃষ্টির মাঝেই আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মিতু এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারি মাহফুজকে একাধিকবার বলার পরেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১৮ জুন) সকাল ১১টায় গারোবাজারবাসীর ব্যানারে কয়েক শতাধিক লোকের উপস্থিতিতে আরসিসি ঢালাইয়ের সকল অনিয়ম বন্ধ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের দেয়া বরাদ্দকৃত বাজেটে সঠিক ভাবে দ্রুত কাজ শেষ করার বিষয়ে মানববন্ধন করে।

উক্ত মানববন্ধনে নিম্নমানের কাঠামো ব্যবহার করে আরসিসি ঢালাইয়ের তীব্র নিন্দা জানানোর মধ্য দিয়ে সঠিক নিয়মে দ্রুত কাজ করার দাবী জানানো হয়।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ জুন) রাত ১টায় রাতের আধারে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেন মিতু এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লোকজন। সকাল থেকেই শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির মাঝেই চলে ঢালাইয়ের কাজ।

মানববন্ধনে সাদিক হোসেন জানান, রড ব্যবহারে ব্যাপক অনিয়মের খবর শুনে তিনি ঘটনাস্থলে আসেন, এসে দেখেন হাটু পানিতে ঢালাইয়ের কাজ চালাচ্ছেন। এমনি কি অন্যান্য আরসিসি ঢালাইয়ে যে পরিমান রড দেওয়া হয়, তার অর্ধেক রডের ব্যবহারও হয়নি এখানে।

গারোবাজার হইতে কেশরগঞ্জের এ রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ হিসেবে বুলবুল তরফদার বলেন, আনারস কাঠালের জন্য সারা দেশে পরিচিত গারোবাজার। আনারসের সিজনে এখানে প্রতিদিন কমকরে হলেও ২০/৩০ ট্রাক আনারস দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌছায়।

গারোবাজারের আশপাশের মমুর্ষ্য রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য এ রাস্তা হয়েই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষার এ রাস্তায় এমন অনিয়ম কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেন না বলেও জানান।

রফিক তরফদার জানান, কয়েকদিন আগেও রোদ ছিলো রোদের মধ্যে ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ ছিলো। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শেষ করার পর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হবে বৃষ্টির । এ জন্যই হয়তো রাতের আধারে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করা হয়েছিলো।

উপজেলা প্রকৌশলী হেদায়েত উল্যাহ নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রীর বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, কোন প্রকার অনিয়ম করা হয়নি। রড, সিমেন্ট সব ঠিকই আছে। তবে বৃষ্টির কারণে কোন কোন জায়গায় রেডি মিক্স সিমেন্ট সরে যেতে পারে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিকেলের দিকেই কাজ করার কথা ছিলো, তারা দেরি করার কারণে একটু সন্ধ্যা হয়।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মাহফুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাস্তার কাজে কোন অনিয়ম হয়নি। তবে দিনে হাট-বাজার বসায় শেষ রাতে কাজ ধরেছি। কাজ আরো ভালো করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-