ghatail.com
ঢাকা বুধবার, ২২ আষাঢ়, ১৪২৯ / ০৬ জুলাই, ২০২২
ghatail.com
yummys

যে কারণে ডলার সংকট, উত্তরণে যেসব উদ্যোগ


ghatail.com
গোলাম মওলা, ঘাটাইল ডট কম
১৯ মে, ২০২২ / ৭৮ বার পঠিত
যে কারণে ডলার সংকট, উত্তরণে যেসব উদ্যোগ

ডলারের বাজার ধীরে ধীরে অস্থির হয়ে উঠেছে। ব্যাংক ও খোলা বাজার উভয় ক্ষেত্রেই চাহিদার তুলনায় ডলার এখন পাওয়া যাচ্ছে কম। এ কারণে ব্যাংকেও এর দর সেঞ্চুরি ছুঁইছুঁই। প্রায় সব ব্যাংকই আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারের রেটের চেয়ে অনেক বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ৪ থেকে ৬ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক ১০ টাকা বেশি দামেও বিক্রি করছে। বেসরকারি ইস্টার্ন ও প্রাইম ব্যাংক বুধবার (১৮ মে) ৯৮ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে। 

ডলার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খোলা বাজারে ডলারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এমনকি মঙ্গলবার (১৭ মে) ডলারের দর ১০৪ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। অবশ্য বুধবার (১৮ মে) দিন শেষে এই দাম ১০০ এর নিচে নেমে এসেছে।

এদিকে ডলার সংকটের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই টাকার মান কমছে। গত সোমবার (১৬ মে) বড় দরপতন হয়। এক দিনেই প্রতি ডলারের বিপরীতে ৮০ পয়সা দর হারায় টাকা। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনোই এক দিনে টাকার এত বড় দরপতন হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের রফতানি খাতে বড় প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও চলতি অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি রেকর্ড ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ, অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই সরকারের চলতি হিসাবে ঘাটতি তৈরি হয়েছে ১৪ বিলিয়ন ডলার। দেশের ব্যালান্স অব পেমেন্টের ঘাটতিও ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। রেমিট্যান্সের মন্দাভাবের পাশাপাশি আমদানি প্রবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

যে কারণে সংকট ঘনীভূত

গত বছরের মাঝামাঝি থেকে রফতানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় অতিরিক্ত মাত্রায় বাড়তে শুরু করে। আবার এই তুলনায় বাড়েনি রেমিট্যান্স প্রবাহ। এতে তৈরি হয় ডলারের সংকট। এমন পরিস্থিতিতে ছোট ব্যবসায়ীদের অনেকেই ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছেন না। বিশেষ করে দেশের ছোট ও মাঝারি মানের আমদানিকারকরা ঋণপত্র খুলতে হিমশিম খাচ্ছেন। 

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, যদি গত দুই বছরের ডলারের বাজার বিশ্লেষণ করি, তাহলে আমরা দেখবো- ওই সময় আমাদের আমদানি চাপ কম ছিল। এমনকি ওই সময় আমদানি হওয়া অনেক পেমেন্ট বকেয়া ছিল; যা এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বছরে দেশের মোট আমদানি হচ্ছে প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার। এর বিপরীতে আমাদের রফতানি থেকে আসে ৫০ বিলিয়ন। আমদানি-রফতানি আয়ের মধ্যে ব্যবধান ৩০ বিলিয়ন। এই ৩০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আসে ২০ থেকে ২১ বিলিয়ন। অর্থাৎ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি থাকে। 

তিনি বলেন, এই বছরের ১০ ডলারের ঘাটতি মোকাবেলায় এফডিআই বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ থেকে আসে ৬ থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার। বাকি ৩ থেকে ৪ বিলিয়ন যে ঘাটতি থাকে তার জোগান দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, এই অর্থবছরে এ পর্যন্ত ৫ বিলিয়ন ডলার বাজারে সরবরাহ করা হয়ে গেছে।

 সংকটের আরেক কারণ ব্যাংক

আমদানিতে চাহিদা বৃদ্ধি ও সংকটের সুযোগ নিচ্ছে কিছু কিছু ব্যাংক। সংকটের এই সুযোগে ব্যাংকগুলো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আমদানি পেমেন্টে (এলসি নিষ্পত্তি) ইচ্ছামতো রেট আদায় করছে। বর্তমানে আমদানি পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের প্রতি ডলারের জন্য গুণতে হচ্ছে ৯৪ থেকে ৯৫ টাকা। নতুন এলসি খুলতেও বেশি রেট দাবি করছে ব্যাংকগুলো।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এলসি খোলার সময় ব্যাংকগুলো ডলারের যে রেট ধরেন, পেমেন্টের দিনে সেই রেট নিচ্ছেন না। এমনকি পেমেন্টের তারিখে যে রেট থাকে, সেই রেটেও ডলার দিচ্ছেন না। নতুন এলসি খুলতেও বেশি রেট দাবি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে। 

অনেকে মজুত করছে ডলার

চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এক্সেঞ্জ হাউজগুলো ডলার মজুত করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনিতেই খোলা বাজারের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনও হাত নেই। তবে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে থাকে। কেননা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আন্তব্যাংক দরে ডলার কিনে সেই ডলার বিক্রি করে থাকে ব্যাংকগুলো। তবে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি।

এছাড়া অনেকেই পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি করে ডলার কিনে মুনাফা লুটছে। ডলারের দাম আরও বাড়বে- এই আশায় অনেকেই ডলার কিনতে ঝুঁকছেন।

ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, বর্তমানে ডলারের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক। অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দামে এলসি খোলা সম্ভব হচ্ছে না। আবার মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ৯৫ টাকা দরে রেমিট্যান্স কিনতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। এ কারণে এলসি খুলতে আসা ব্যবসায়ীদের অনেককেই ফেরত দিতে হচ্ছে।

দেশের আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রতি ডলারের মূল্য ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। যদিও এ দামে কোনও ব্যাংকেই ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকগুলো বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডলারপ্রতি ৯০-৯৫ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। আর মাঝারি ও ছোট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করছে ৯৮ টাকার কাছাকাছি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ডলার ও টাকার বিনিময় হার স্বাধীনতার পর থেকে সরকার নির্ধারণ করে দিতো। টাকাকে রূপান্তরযোগ্য ঘোষণা করা হয় ১৯৯৪ সালের ২৪ মার্চ। আর ২০০৩ সালে এই বিনিময় হারকে করা হয় ফ্লোটিং বা ভাসমান। এরপর থেকে আর ঘোষণা দিয়ে টাকার অবমূল্যায়ন বা পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না। তবে বিনিময় হার ভাসমান হলেও পুরোপুরি তা বাজারভিত্তিক থাকেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবসময়ই এতে পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ রেখে আসছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ ব্যাংক এক্ষেত্রে ‘ম্যানেজড ফ্লোটিং রেট’ নীতি অনুসরণ করে আসছে।

ইতিহাসে রেকর্ড টাকার অবমূল্যায়ন

ডলার সংকটের কারণে গত ৯ মাস ধরেই টাকার মান কমছে। গত সোমবার (১৬ মে) বড় দরপতন হয়। এক দিনেই প্রতি ডলারের বিপরীতে ৮০ পয়সা দর হারায় টাকা। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক দিনে টাকার এত বড় দরপতন হয়নি।

গত জানুয়ারি মাসের শুরুতে ডলারের বিনিময় মূল্য ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা করেছিল দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর ২৩ মার্চ তা আবারও ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছিল। এরপর ২৭ এপ্রিল ২৫ পয়সা বাড়িয়ে করা হয় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা। গত ৯ মে আবার ২৫ পয়সা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ১৬ মে ৮০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম গিয়ে ঠেকেছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড মূল্য।

যদিও গত বছরের ২১ আগস্ট পর্যন্ত আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। পরদিন ২২ আগস্ট প্রথমবারের মতো ৮৫ টাকা ছাড়ায়। এরপর চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি বেড়ে ৮৬ টাকায় পৌঁছায়। অর্থাৎ গত ৯ মাসের ব্যবধানে প্রতি ডলারে দর বেড়েছে দুই টাকা ৭০ পয়সা। আর সর্বশেষ ২০ দিনের ব্যবধা‌নে তিন দফায় ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতন হয়েছে এক টাকা ৩০ পয়সা।

একদিকে রফতানি রেমিট্যান্স, অন্যদিকে আমদানি

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। রেকর্ড পরিমাণ এই আমদানি প্রবৃদ্ধি দেশের ২ হাজার ৪৯০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি করেছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ হতো। কিন্তু চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি কমেছে ১৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। তবে আশার কথা হলো, বর্তমানে রফতানি আয় বেশ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দুই মাস বাকি থাকতেই চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পণ্য রফতানি হয়েছে। এই অর্থবছরে পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। আর চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে রফতানি হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৪ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য।

সংকট মোকাবিলায় যা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার

ডলারের সংকট মোকাবেলায় চলতি অর্থবছরে এরইমধ্যে বৈদেশিক রিজার্ভ থেকে সব মিলিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বুধবার পর্যন্ত (সাড়ে ১০ মাসে, ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ১৮ মে পর্যন্ত) ৫৩০ কোটি (৫.৩০ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ প্রসঙ্গে মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ব্যাংকগুলোকে ডলার সরবরাহ করা ছাড়াও বিলাসী পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করা, কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া রফতানি আয় আনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর মনোযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি রেমিট্যান্স বাড়ানোর ব্যাপারে ব্যাংকগুলোকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রায়ত্ত, স্বায়ত্তশাসিত, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণ বন্ধের নির্দেশ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অর্থে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ থাকবে।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানিতে লাগাম টানার উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক সামগ্রীর আমদানি ঋণপত্রের ন্যূনতম নগদ মার্জিন ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর নিত্যপ্রয়োজনীয় নয়, এমন পণ্যের নগদ মার্জিন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ৫০ শতাংশ। এছাড়া ডলারের সংকট মোকাবিলায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং চ্যানেলে এখন ডলারের চাহিদা যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দর বেড়েছে। সংকটও তৈরি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যেসব ব্যাংকের রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় ভালো, তারা অপেক্ষাকৃত ভালো অবস্থায় আছে। কিন্তু যাদের রেমিট্যান্স কম, তারা এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর কাছ থেকে ১০০ টাকারও বেশি দামে ডলার কিনছে।

রিজার্ভের বর্তমান পরিস্থিতি

আমদানি বাড়ায় বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন (৪ হাজার ২০০ কোটি) ডলারের নিচে নেমে এসেছে। আকুর (এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন) রেকর্ড ২২৪ কোটি (২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন) ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর গত সপ্তাহে রিজার্ভ ৪১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। বুধবার(১৮ মে) রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

গত জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ- এই তিন মাসেই প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য আমদানি হয়েছে দেশে। এ হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। যদিও গত বছরের ২৪ আগস্ট এই রিজার্ভ অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। তখন ওই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ১০ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যেতো। 

(গোলাম মওলা, ঘাটাইল ডট কম)/-