ghatail.com
ঢাকা শনিবার, ১ কার্তিক, ১৪২৮ / ১৬ অক্টোবর, ২০২১
ghatail.com
yummys

সখীপূরে নারকেলবাগান ঘিরে স্বপ্ন


ghatail.com
সাইফুল ইসলাম সানি, ঘাটাইল ডট কম
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ / ১২০ বার পঠিত
সখীপূরে নারকেলবাগান ঘিরে স্বপ্ন

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভিয়েতনামের নারকেল গাছের বাগান ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন দেলুয়ার শিকদার। তিনি সখীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। খাটো জাতের এই নারকেল গাছে মাত্র তিন বছরেই ফল ধরতে শুরু করে। আগামী এক বছরের মধ্যে বাগান থেকে বাণিজ্যিকভাবে নারকেল বাজারজাত করার আশা করছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেলুয়ার শিকদার কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ভিয়েতনাম জাতের ২১০টি নারকেলের চারা সংগ্রহ করেন। পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ও কৈয়াদী গ্রামে এক একর জমিতে দুটি বাগানে এসব চারা রোপণ করেন। প্রতিটি গাছ থেকে অন্তত দুই শতাধিক নারকেল পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া উপজেলার আমতৈল দূর্গাপুরসহ আরও কয়েকটি গ্রামে ছোট ছোট পাঁচ থেকে সাতটি এ জাতের নারকেলের বাগান রয়েছে। দেশে নারিকেলের যেসব জাতের প্রচলন আছে, তা মূলত লম্বা ও কম ফলনশীল। দেশীয় গাছে ফলন আসতে আট থেকে নয় বছর সময় লাগে। অথচ সউচ্চফলনশীল ওপি (খাটো) জাতের নারিকেলের ফলন আসতে সময় লাগে মাত্র তিন থেকে চার বছর। ভিয়েতনাম থেকে আনা উচ্চফলনশীল এ নারিকেলের চাহিদা দিন দিন উপজেলায় বাড়ছে।

সখীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শহীদ শিকদার বলেন, ‘সখীপুরে এটাই প্রথম ভিয়েতনামের খাটো জাতের নারকেলের বাগান। এই বাগান দেখে অনেকে নতুন করে নারকেল বাগান করতে শুরু করেছেন।’

বাগান মালিক দেলুয়ার শিকদার বলেন, ‘আমার বাগানে এখনো নারকেল ধরা শুরু হয়নি। আশা করি আগামী এক বছরের মধ্যে নারিকেল ধরতে শুরু করবে। ফলন ভালো হলে এবং কৃষি অফিসের সহযোগিতা পেলে উচ্চফলনশীল এ জাতীয় নারকেলের আবাদ বাড়ানো হবে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মন বলেন, সখীপুরে দেলুয়ারের বাগানই প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে ভিয়েতনামের উচ্চফলনশীল ওপি (খাটো) জাতের নারিকেলের বাগান। এ জাতের নারিকেলে ফলন আসতে সময় লাগে তিন থেকে চার বছর। ভিয়েতনামের উচ্চফলনশীল এ নারিকেলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আরও অনেকেই এখন এ জাতের নারকেলের বাগান করতে আগ্রহী হচ্ছেন।

(সাইফুল ইসলাম সানি, ঘাটাইল ডট কম)/-