ghatail.com
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৮ আশ্বিন, ১৪২৮ / ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
ghatail.com
yummys

ভূঞাপূরের মসজিদে নৌকায় যাতায়াত মুসল্লীদের


ghatail.com
স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ / ১২৭ বার পঠিত
ভূঞাপূরের মসজিদে নৌকায় যাতায়াত মুসল্লীদের

বন্যা এলেই পানিতে তলিয়ে যায় চারপাশ, অথৈই পানির মাঝে একা দাঁড়িয়ে থাকে টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরের যমুনা তীরবর্তী এই মসজিদটি। 

গত কয়েক দিনের পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে উপজেলার চরাঞ্চল সহ নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হচ্ছে। প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা, তলিয়ে যাচ্ছে ফসলের জমি। কিন্তু যমুনা তীরবর্তী উপজেলার চিতুলিয়া ও কুকাদাইর এলাকার এই মসজিদটি তলিয়ে না গেলেও মসজিদের চারপাশে পানি আর পানি। এলাকার মুসলমানদের নামাজের জন্য মসজিদে যেতে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। মসজিদে যাতায়াতের জন্য নৌকা ছাড়া নেই কোন বিকল্প পদ্ধতি। 

জানা যায়, ১৯৭০ সালে যমুনার তীরে চিতুলিয়া এলাকায় মসজিদটি স্থাপিত হয়। কিন্তু নদী ভাঙনের কবলে পড়ে ২০০৮ সালে মসজিদটি স্থানান্তরিত করা যমুনা পূর্ব পাড়ের চিতুলিয়া এলাকায়। টানা ১৩ বছর ধরে বন্যার সময় এভাবেই কষ্ট করে যেতে হয় মসজিদে।

এলাকাবাসী জানান, প্রতিবছর বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় মসজিদে যাওয়ার নিচু রাস্তাটি। কোনো কোনো বছর মসজিদের বারান্দায় পানি প্রবেশ করে। এ বছর মসজিদে পানি প্রবেশ না করলেও যাতায়াত করতে হয় নৌকা যোগে। মসজিদে যাতায়াতের রাস্তাটি একটু উঁচু করলে বন্যা এলে আমাদেরকে আর কষ্ট করে মসজিদে যেতে হবে না। 

তারা আরো জানান, তাদের নিজেস্ব কোনো নৌকা নেই। মসজিদে যাওয়ার জন্য নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় এশা ও ফজরের নামাজের সময়।

মসজিদের ইমাম মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আমিসহ সকল মুসুল্লিদের এখানে আসতে হয়। বর্ষাকালে যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই খারাপ। মসজিদের চারপাশে বন্যার পানি। মুসুল্লিরা নামাজ আদায় করতে শত বাঁধা উপেক্ষা করে মসজিদে আসে। মসজিদের যাতায়াতের রাস্তাটি উঁচু করা হলে মুসল্লীদের আর কষ্ট করতে হবেনা।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম জানান, বর্ষাকালে মুসল্লীদের অনেক কষ্ট করে মসজিদে যেতে হয়। স্থায়ী উঁচু একটি রাস্তা হলে মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

সর্বশেষ - প্রচ্ছদ