ghatail.com
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ শ্রাবণ, ১৪২৮ / ০৩ আগস্ট, ২০২১
ghatail.com
yummys

ক্ষমতার অলিন্দের দ্বন্দ্ব: পরিমণি, বোট ক্লাব আর অন্যান্য


ghatail.com
মারুফ কামাল খান, ঘাটাইল ডট কম
১৬ জুন, ২০২১ / ২১৩ বার পঠিত
ক্ষমতার অলিন্দের দ্বন্দ্ব: পরিমণি, বোট ক্লাব আর অন্যান্য


সিনেমার পরীমণি, ব্যবসায়ী নেতা নাসিরউদ্দিন, ঢাকা বোট ক্লাব, পুলিশের আইজি বেনজির এবং সব শেষে নাসিরকে গ্রেফতারকারী এখনকার গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা হারুনকে নিয়ে ক'দিন ধরে খুব মাতামাতি চলছে।


আমাদের মেইনস্ট্রিম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন অনেক ইস্যু নিয়েই মাতামাতি হয়। এই মাতামাতি এমনি এমনি হয়না। পাবলিককে মাতানো হয়। মাতিয়ে দিতে হয়। মাতিয়ে দেয়ার মতন ইস্যু তৈরি করে সেটা ধরিয়ে দিতে হয়।


এবারকার মাতামাতিও সে থেকে আলাদা কিছু নয়। আমাদের মতন স্টুপিড ও নাদান পাবলিক কোন ইস্যুতে মেতে উঠবে, নেচে উঠবে, সুড়সুড়ি বোধ করবে কিংবা জৈবিক উত্তেজনায় ফেটে পড়বে, এটা যারা জানে তারাই এমন ইস্যু তৈরি করে তা ধরিয়ে দেয়।


আমি দু'দিন অপেক্ষা করছিলাম, এই মাতামাতির পেছনের আসল সত্য উদঘাটনের দিকে কেউ যায় কিনা সেটা দেখার জন্য। মেইন স্ট্রিম মিডিয়া ছেঁকে তুলে আনে কিনা আসল বিষয়গুলো। যথারীতি নিরাশ হয়েছি। দেখলাম, সবাই পক্ষ-বিপক্ষ হয়ে বিজ্ঞ মতামত দিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত।


একপক্ষ নারীর অপমানে কান্নাকাতর বা ক্রোধে চৌচির হয়ে নিজের ক্ষরিত রক্তলেখায় পোস্ট দিচ্ছে ফেসবুকে। অপর পক্ষ দারুণ রকম ঐস্লামিক ভেক ধরে নানা রকম কুৎসিত ভাষাভঙ্গীতে ফতোয়া দিচ্ছে।


ওদের মতে, এগুলো হচ্ছে বেলেল্লাপনার অনিবার্য বিষফল। তাদের বয়ান শুনে মনে হয়, কেউ তাপসী রাবেয়ার মতন সাধ্বী বা খলিফা ওমরের মতন ন্যায়পরায়ণ না হলে কোনো অপরাধের বিচার চাইবার এখতিয়ার তার নাই।


যাই হোক, ঘটনা জানবার পর থেকেই আমার অনুমান হচ্ছিল, ব্যাপারটা সুনিপুণ ভাবে কেউ সাজিয়েছে এবং পেছন থেকে মাতামাতি করাচ্ছে জনমত সৃষ্টি করে কোনো একটা টার্গেট হাসিল করার জন্য। ক্ষমতার অলিন্দের নানান দ্বন্দের পরিণতিতে এগুলো যে ঘটে, তা আমার বিলকুল জানা আছে। দু'তিন-দিন পর সব খোলাসা না হলেও কিছু কিছু আভাস প্রকাশিত হচ্ছে।


এই পটভূমিতে চলেন, নিজেরাই বিশ্লেষণ করে ঘটনার কিছুটা বুঝে নেয়ার চেষ্টা করি। প্রথমেই ঢাকা বোট ক্লাব। যুগান্তর পত্রিকা আমাদের জানাচ্ছে: "অন্যের লিজ নেওয়া খাস জমিতে জোর করে নির্মাণ করা হয়েছে ঢাকা বোট ক্লাব। নান্দনিক স্থাপনাটির নির্মাণ কাজ শুরু করার সময় থেকে লিজ গ্রহীতা জমির দখল বুঝে নিতে সরকারি বিভিন্ন দফতরে ছোটাছুটি করেও কোনো প্রতিকার পাননি।


তুরাগ নদীর তীরে ঢাকা বোট ক্লাবের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয় ২০২০ সালের শুরুর দিকে। জমি লিজের কোনো কাগজপত্র ছাড়াই জোর করেই সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে ঢাকা বোট ক্লাব কর্তৃপক্ষ। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে ওই জমির লিজ গ্রহীতা সাইদুর রহমান সুজন মাতবর। নির্মাণ কাজ শুরু করার আগে লিজ বাতিল করা বা অন্য কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি ঢাকা বোট ক্লাব।"


আমরা এ বিবরণ থেকে জানলাম, এই ক্লাবের ইতিহাস বেশি পুরোনো নয়, অল্পদিনের। তবে এ ইতিহাসের যারা নির্মাতা তারা এতোটা পাওয়ারফুল যে, অন্যের লিজ নেয়া জমি জবরদস্তি করে দখলে নিয়ে সেখানে স্থাপত্য গড়তে সক্ষম।


এই স্পোর্ট ক্লাবে আসলে কী হয়? দৈনিক যুগান্তরে রিপোর্ট অনুযায়ী: "তুরাগ নদীর তীরে নির্মাণ করা হয়েছে ঢাকা বোট ক্লাব। ২০২০ সালের শুরুর দিকে নান্দনিক স্থাপনা ঢাকা বোট ক্লাবের নির্মাণ কাজ হয়। মদ খেয়ে ফুর্তি করার জন্য বেশ কয়েকটি কক্ষ রয়েছে বোট ক্লাবে। এছাড়া এ ক্লাবে সদস্য ছাড়াও মদ কিনতে পারেন বহিরাগতরাও।


ঢাকা বোট ক্লাবটি মূলত তিন তলা একটি স্থাপনা। যার নিচ তলায় রয়েছে বসার জায়গা আর দ্বিতীয় তলায় রয়েছে মদের বার। আর তৃতীয় তলায় রয়েছে স্বল্প সময়ের জন্য রুম ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা। যেখানে অবৈধ কার্যকলাপ চলার অভিযোগ সাধারণ মহলে দীর্ঘদিনের।


বিরুলিয়া গ্রামের এক প্রভাবশালী নেতা জানান, ঢাকা বোট ক্লাবে বৈধ মদের বার থাকা ও অন্যান্য সুবিধা থাকায় ঢাকা শহরের ধনাঢ্য পরিবারের অনেকেই এখানে প্রতিদিন যাতায়াত করেন। ক্লাবের সদস্য ছাড়াও যে কেউ ওখানে বিদেশী ব্র্যান্ডের মদ কেনার সুযোগ পান। ক্লাবের দায়িত্বে থাকা অফিসারদের সঙ্গে সখ্যতা করে রাত্রি যাপনেরও সুযোগ পান কেউ কেউ।


এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ক্লাবটিতে বৈধ-অবৈধ সকল কিছুই করা হচ্ছে প্রকাশ্যে। কারণ, ঢাকা বোট ক্লাবের চেয়ারম্যান হচ্ছে পুলিশের আইজিপি বেনজির আহম্মেদ।"


এ পর্যন্ত পড়ার পর নিশ্চয়ই অনেক কিছু ক্লিয়ার হবে অনেকের কাছেই। এখন আসেন আমরা একটু বুঝে নিই বোট ক্লাব মানে কী?


ডাক্তার ও টিভি ব্যক্তিত্ব আব্দুন নুর তুষার-এর এক ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে আমরা জানলাম: "বোট ক্লাব কি?

A boat club is a sports club serving boat owners, particularly those interested in rowing and yachting, but also kayaking, canoeing, motor boats and other small boats.


এটাই আছে বোট ক্লাবের সংজ্ঞা হিসেবে অভিধানে ও বিশ্বকোষে।


এর অনুবাদ হলো: 'বোট ক্লাব বা নৌযান ক্লাব হলো মূলত বাইচ, ইয়াটিং, কায়াকিং, ক্যানোয়িং, ছোট ও বড় যন্ত্রহীন ও যন্ত্রচালিত নৌযানের বিষয়ে আগ্রহী নৌযান মালিকদের ক্রীড়া ক্লাব।'


ঢাকা বোট ক্লাব নামক এই খুশীজল বিক্রয় ও বিপনন কেন্দ্রটিতে নৌযান মালিক কয়জন আর নৌযান নোঙ্গর করার কোন ব্যবস্থা আছে কি? অবশ্য নৌকার দরকার কি?


নেশার নৌকা নাকি পাহাড়তলী যায়। জলযান না হলেও চলে।


আমি অনেক ভিডিও পেলাম ইউটিউবে, তাতে নানারকমভাবে খাওয়া ও ভবনের স্থাপত্য এবং নৈসর্গিক পরিবেশের ধারাবিবরনী আছে । নৌকা তো দূরের কথা কোনো বৈঠা বা লগির ছবিও নাই।


অশিক্ষা থাকলে কেবল নাম ধার করা যায়, নামের সাথে কাজটি করা যায় না। এদের কাছে ক্লাব মানে মদ্যশালা, খুশীজল বিপনন। নইলে অভিজাতদের ক্লাব মানেই কেন সুস্বাদু স্যানিটাইজার পান করার আস্তাবল হয়ে যায়?


এখানে কারা থাকেন পরিচালনার দায়িত্বে?


বোটক্লাবের ওয়েব সাইটে গিয়ে দেখলাম এখানে পারটেক্স পরিবারের আধিক্য। এই ভাইয়েরা সকল অভিজাত ক্লাবেই আছেন বলে জানালো আমার এক বন্ধু। কর্পোরেট সদস্য হিসাবে আছে সিটিব্যাংক, পারটেক্স গ্রুপ, শান্তা হোল্ডিংস আর নেটওয়ার্ল্ড নামে প্রতিষ্ঠানগুলি। কোথাও লেখা নাই মেম্বার হতে কি যোগ্যতা লাগে।


তবে ফাউন্ডিং মেম্বার এক্সিকিউটিভ মেম্বারদের ছবি আছে ও নাম আছে।

অতএব

১. বোটক্লাবের জমির ঠিক নাই।

২. বোটক্লাবের মালিকানা কার?

৩. বোটক্লাবে মদ বেচাকেনার লাইসেন্স আছে? নারকোটিকস কন্ট্রোলের ওয়েবসাইটে বার লাইসেন্সের অনলাইন আবেদন করার বাটনটা কাজ করে না। তাই তারা বলুক কবে কত তারিখে তারা বোটক্লাবে মদ বেচার লাইসেন্স দিয়েছে?

৪. বোটক্লাবে সদস্য হতে বোট লাগে না। বোটের মালিক হতে হয় না। বোট ডকিং এর কোন ব্যবস্থা নাই যদিও তারা বলেছেন ভবিষ্যতে এখানে নৌকা বেঁধে রাখা যাবে।

৫. বোটক্লাব অনুমোদিত সময়ের পরেও খোলা থাকে। লোকজনের প্রস্রাবের জায়গা নাই তাই তারা তাদের জন্য প্রস্রাব এর সহায়তা দেয়।


বোট ছাড়া বোট ক্লাব করতে পারলে প্লেন/উড়োজাহাজ ছাড়া ফ্লাইয়িং ক্লাব ও ঘোড়া ছাড়া পোলো ক্লাব খুলতে অসুবিধা কি?

শুধু মদের লাইসেন্স আর কাবাব পরোটা থাকলেই তো হয়।"


আইজি সা'বের ক্লাবে আইনি-বেআইনি কীর্তিকলাপের কিছু বিবরণ জানা গেল। পরীমণি কাহিনীর পর এটুকু অন্ততঃ জানা গেছে। এ কাহিনী না হলে কি এটুকুও প্রকাশ পেতো? দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইন-শৃংখলা বাহিনী পুলিশের শীর্ষ কর্তা চাকরিরত অবস্থায় তাদের প্রোফেশনাল ক্লাব (পুলিস ক্লাব, অফিসার্স ক্লাব)-এর বাইরে এমন ক্লাব গড়তে পারেন কিনা এবং সে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট পদে তার আসীন হওয়াটা বিধিসম্মত কিনা, সে প্রশ্নটা এখনো কেউ অবশ্য তোলেনি।


তবে পরীমণি কান্ডের পর বোট ক্লাব নিয়ে রিপোর্ট হওয়ায় আমার ধারণা হচ্ছে, ওই প্রশ্নটাও হয়তো এখন উঠবে।


পরীমণি তার অভিযোগটা প্রথমে তোলেন ফেসবুকে। সেখানে তিনি ডিফেন্স হিসেবে ইনভল্ব করেন দেশের সবচেয়ে বড়ো ক্ষমতাধর ব্যক্তিকে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিচার চান। সে অভিযোগনামায় তিনি যার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, সেই নাসির উদ্দিনের নাম চেপে গিয়ে একটি নামের উল্লেখ করেন। সেটি হচ্ছে, 'চলচ্চিত্রবন্ধু' বেনজির আহমেদের নাম। বলেন, তার কাছে নালিশ করেও বিচার পাননি, কারণ তিনি প্রধান আসামীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু।


পরীমণি প্রধানমন্ত্রীকে ইনভল্ব করে নিজের ডিফেন্স নিয়ে বেনজির আহমেদকে পচিয়ে তাকে ডিফেন্সিভ অবস্থানে ফেলে তারপর প্রেস কনফারেন্স-এ নাসিরের নাম ধরে পুরো অভিযোগ তুলে ধরেন। মামলা দায়ের করেন তার পরদিন। বেনজির আহমেদ যে ডিফেন্সিভ পজিশনে পড়ে গিয়েছেন সেটা বুঝা যায়, তিনি দ্রুত মিটিং ডেকে নাসিরকে বোট ক্লাব থেকে বহিঃষ্কার করে দেওয়ায়।


পরীমণির মামলার পর নাসির দ্রুত গ্রেফতার হন। তিনি শুধু আইজির বন্ধুই নন। মরহুম এরশাদেরও খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার তিনি। আওয়ামী লীগের অনেক প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রীও তার বন্ধু। ইন্ডিয়ার সাথে তার সম্পর্ক নিবিড়। অনেক বিদেশী কূটনীতিক এবং পদস্থ সামরিক-বেসামরিক অফিসারের সাথে তার ওঠাবসা।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল করতেন, সেই সুবাদে বিএনপির কিছু নেতার সাথেও সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন নাসির। এমন একজন ওয়েল কানেক্টেড ধনী ব্যবসায়ীর হুট করে গ্রেফতার হওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। একই রকমের কেসে কিন্তু বসুন্ধরার আনভিরের কেশাগ্রও কেউ স্পর্শ করতে পারেনি। বরং ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায় থেকে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আভাসই পাওয়া গিয়েছে।


তার মানে, এই পরীমণি-খেলার পেছনে অবশ্যই খুব পাওয়ারফুল কেউ আছে। পরীমণি এখানে দাবার ঘুঁটি মাত্র। তাকে ঘটনা সাজাতে ব্যবহার করা হয়েছে। তাকে ব্যবহার করেই ঘটনার স্পর্শকাতরতা ও গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে।


আমি বলছি না যে, পরীমণির অভিযোগ মিথ্যা। হয়তো সত্যিই তিনি হেনস্তার শিকার হয়েছেন। ব্যবসায়ী-নেতা নাসিরের স্বভাব-চরিত্র, বোট ক্লাবের কায়-কারবার যারা খুব ভালো করে জানে তারাই হয়তো এ এপিসোড সাজিয়েছে। পরীমণি তাদের নির্দেশনা মোতাবেক অ্যাক্ট করেছেন। নাসির হয়তো মদ্যপ অবস্থায় সেই ফাঁদে পা দিয়ে ফেলে আটকে গেছেন।


তবে আমার ধারণা নাসির এ ঘটনায় ভিক্টিম হলেও আসল টার্গেট নন। কান টানলে মাথা আসবে- এই পরিকল্পনা থেকেই হয়তো সাজানো হতে থাকতে পারে এই গেইম-প্ল্যান।


চলুন, আরেকটা দিক দেখে নিই। আইজিপি সা'বের এই বোট ক্লাবে পার্টেক্স গ্রুপের বেশ আধিপত্য। কিছুদিন আগে পার্টেক্স-এর রাসেল নারায়নগঞ্জের তদানীন্তন এসপি হারুনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। রাসেলের অভিযোগ আমলে নিয়ে হারুনকে এসপি পদ থেকে অপসারণ করে পুলিস সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।


অনেকেই মনে করেন, বেনজির আহমেদ সেই ঘটনায় রাসেলের পক্ষে কলকাঠি নেড়েছিলেন, যা আলটিমেটলি হারুনের বিপক্ষে যায়। সময়ের ব্যবধানে হারুন ফের উঠে এসে প্রথমে পুলিসের তেজগাঁর ডিসি এবং পরে পদোন্নতি নিয়ে ডিবি-তে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পদায়ন পেয়েছেন।


সেই হারুনই কিন্তু খুবই দ্রুতগতিতে নাসিরকে গ্রেফতার করে মিডিয়ার সামনে উপস্থাপিত করেছেন। কিন্তু হারুন জলে বাস করে কুমীরকে খোঁচা মারার মতো ঝুঁকি নেয়ার সাহস কোথায় পেলেন? নিশ্চয়ই তার পেছনে আরো বড়ো ক্ষমতাধর কেউ আছে।


এমনও তো হতে পারে যে, হারুনের ক্ষোভের কথা সেই মহাক্ষমতাধর ব্যক্তি জানেন বলেই তিনি তাকে এ কাজে ব্যবহার করছেন। কে সেই নেপথ্যের ক্ষমতাধর, আমরা তা জানিনা। ক্ষমতার অলিন্দের এসব খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতার ফলাফল কি, দিন শেষে কে জিতবে, আমরা তাও জানিনা। আমরা গ্যালারির অতি সামান্য দর্শক মাত্র। আমরা শুধু দেখে যাই খেলারামদের খেলা।


(মারুফ কামাল খান, ঘাটাইল ডট কম)/-