ghatail.com
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ শ্রাবণ, ১৪২৮ / ০৩ আগস্ট, ২০২১
ghatail.com
yummys

রাণীনগরে শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক ভিডিও ভাইরাল, ধামাচাপা দিতে তোড়জোড়


ghatail.com
সারোয়ার জাহান
০৪ মে, ২০২১ / ১৪০১ বার পঠিত
রাণীনগরে শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক ভিডিও ভাইরাল, ধামাচাপা দিতে তোড়জোড়

নওগাঁ উপজেলা সদরের একমাত্র স্বনামধন্য মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাণীনগর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম পিটুর সাথে একই বিদ্যালয়ের জনৈক ছাত্রীর অসামাজিক কার্যকলাপের ভিডিও ক্লিপ ফাঁস হয়ে পড়ার ঘটনা “টক অব দ্য টাউন” এ পরিণত হয়েছে। তবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার বেশ তোড়জোড় চলছে বলে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে সহকারী শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম পিটুর সাথে একই বিদ্যালয়ের জনৈক ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি এক বছর আগের এবং সেটা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হলে ওই শিক্ষার্থী ছাড়পত্র নিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার বিষয়টি প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ স্বীকার করলেও এতদিনে কেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তার কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেলবাড়ি গ্রামের মৃত আশরত আলী মিনার ছেলে মোঃ সাদেকুল ইসলাম পিটু প্রায় ১৪ বছর আগে সহকারি শিক্ষক (গ্রন্থাগারিক ও তথ্য বিজ্ঞান) পদে যোগদান করেন। স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি স্কুলের পাশেই এক বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতেন। এই সুযোগে জনৈক এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকান্ডের ভিডিও গত শনিবার (১ মে) বিভিন্ন আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) ভাইরাল হয়।

প্রায় ৫ মিনিট ৯ সেকন্ডে এবং ৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপটি ঘাটাইল ডট কমের হাতে এসেছে।

সুনামের দিক থেকে এই বিদ্যালয়টি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক এগিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্থানীয় ভাবে ওই শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকান্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় অভিভাবক মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

ঘটনাটি এক বছর আগের হলেও কে কি কারণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং এর সাথে কারা জড়িত সেটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

অভিভাবক মঞ্জু রশিদ জানান, এরকম ন্যাক্কারজনক কথা শুনতে খারাপ লাগে ঘটনার তদন্ত করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত দৃষ্টান্তর মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

অভিযুক্ত শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম পিটু’র সাথে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।  

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরেও লোকমুখে শোনার কথা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমীন স্বীকার করে বলেন লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(রাজেকুল ইসলাম, ঘাটাইল ডট কম)/-