কোরবানির গরুর লাথিতে সখীপুরে একজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলের সখীপুরে কোরবানি করার সময় গরুর লাথির আঘাতে আজাহার আলী নামের এক ব্যক্তির (৬২) মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের ভুগলিচালা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফেরদৌস এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আজাহার আলী ওই গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের দিন বেলা ১১টার দিকে গরু কোরবানির সময় গরুটি আজাহার আলীকে পা দিয়ে লাথি মারে। এসময় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকের আহমেদ জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

সখীপুরে ভুল চিকিৎসায় স্কুলছাত্রের মৃত্যু, এক লাখ টাকায় রফাদফা

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভুল চিকিৎসায় মেধাবী ছাত্র সৌরভ আহমেদ (১৬) মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে ১ লাখ টাকায় রফাদফা হয়েছে।

সৌরভের পরিবার অভিযুক্ত লাইফ কেয়ার ক্লিনিক ও ডাক্তার আবদুস সাত্তার এবং ডিআই রেজাউল করিমকে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি নিলে তরিঘরি করে গত ২৬ জুলাই নিহত সৌরভের পরিবারকে একলক্ষ টাকা হাতে তুলে দেওয়া হয় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে।

মীমাংসায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শফিউল ইসলাম বাদল, দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম শাইফুল ইসলাম শামীম, নিহতের পরিবার এবং ক্লিনিক পক্ষের লোকজন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

এভাবেই টাকার বিনিময়ে একাধিকবার  পাড় পেয়ে যাচ্ছেন লাইফ কেয়ার ক্লিনিক এবং অভিযুক্ত দুই ডাক্তার ডি আই রেজাউল করিম ও আব্দুস ছাত্তার। তাদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে।

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হওয়া সৌরভের পরিবারকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে মীমাংসা করার কথা স্বীকার করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শফিউল ইসলাম বাদল এবং দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম শাইফুল ইসলাম শামীম।

নিহত সৌরভের মা লুপা বেগম এবং চাচা নজরুল ইসলাম টাকা পেয়ে মীমাংসার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তারা একপ্রকার চাপের মুখে বিষয়টি মীমাংসা করেছেন বলেও দাবি করেন।

অভিযুক্ত ওই দুই ডাক্তার এবং ক্লিনিক মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বললে তারা বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে বলে জানান।

সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বদিউজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে নিহতের পরিবার আর আসেননি। টাকা নিয়ে মীমাংসা হওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।

প্রসঙ্গত: উপজেলার দেওবাড়ি গ্রামের প্রবাসী শাহাদত হোসেনে ছেলে এবং লাঙ্গুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র সৌরভকে সামান্য জ¦র নিয়ে গত ৪ জুলাই সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন তার পরিবার। পরদিন ৫ জুলাই সৌরভের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে ছুটি নিয়ে হাসপাতালের বাহিরে বেড় হলেই তারা লাইফ কেয়ার ক্লিনিকের দালাল রিনা আক্তারের খপ্পরে পড়েন।

এক রকম টেনে হিচড়ে ভালো চিকিৎসার কথা বলে লাইফ কেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি করান। খবর পেয়ে ছুটে আসেন ওই ক্লিনিকে কর্মরত চিকিৎসক আবদুস সাত্তার ও ডি আই রেজাউল করিম। এসেই সৌরভের এপেন্ডিস হয়েছে । জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন না করালে তাকে বাঁচানো যাবেনা। রক্তের গ্রুপ ছাড়া আর কোন টেস্ট না করিয়েই ওই দুই ডাক্তার দুপুর ২টায় অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যান সৌরভকে। সন্ধ্যা ৬টায় অপারেশন শেষ করেই পরিবারকে জানানো হয় দ্রুত চার ব্যাগ রক্তের ব্যবস্থা করেন।

ওর অপারেশনের জায়গা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে রক্ত না দিলে বাঁচানো যাবেনা। রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ৭ জুলাই লাইফ কেয়ার ক্লিনিক নিজ খরচে সৌরভকে টাঙ্গাইলের মুক্তা ক্লিনিকে নিয়ে যান।

ভুল চিকিৎসা করা হয়েছে বুঝেই মুক্তা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সৌরভকে ফেরত পাঠান। পরে মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন ভুল চিকিৎসার কারনে সৌরভের এ অবস্থা হয়েছে।

বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে থাকা লাইফ কেয়ারে কর্মরত ব্রাদার নজরুল ইসলাম প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পালিয়ে যান। দীর্ঘ ১৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২২ জুলাই রাতে সৌরভ মারা যায়।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

সখীপুরে কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ, ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মাদারিচালা এলাকা থেকে ছোট পাথার পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তা। অন্যদিকে গজারিয়া থেকে জয় বাংলা বাজার পর্যন্ত আরও তিন কিলোমিটার পথ। লাল মাটি দিয়ে ভরাট করায় সামান্য বৃষ্টিতেই এই ছয় কিলোমিটার রাস্তা কাদায় ভরে যায়। এ সময় এই রাস্তা দিয়ে হেঁটেও চলাচল করা যায় না। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ বাড়ে।

এলাকাবাসী এই ছয় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করার দাবি অনেক আগে থেকে জানাচ্ছেন। কিন্তু এই রাস্তা পাকাকরণের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

এ অবস্থায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) উপজেলার পাথার গ্রামের কিছু তরুণ ও কৃষক মিলে কাঁচা সড়কে ধানের চারা রোপণ করেন।

এ বিষয়ে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য গোলাম মওলা জানান, মাদারিচালা এলাকার আয়াত আলী মেম্বারের বাড়ি থেকে ছোট পাথার পর্যন্ত তিন কিলোমিটার ও গজারিয়া থেকে জয় বাংলা বাজার পর্যন্ত আরও তিন কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি রাস্তা কমপক্ষে ১০০ বছরের পুরোনো। ১০ বছর ধরে ওই রাস্তা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে কয়েকবার মাটির কাজ করে উন্নয়ন করা হয়েছে। তবে বর্ষা এলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। ওই দুটি রাস্তা পাকা করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সাংসদকে অনুরোধ করা হয়েছে।

পাথার গ্রামের বাসিন্দা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ বলেন, ‘করোনাকালে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় বাড়িতেই রয়েছি। দরকারি কাজে বাজারে যেতে হলে তিন কিলোমিটার কাদা মাড়িয়ে হেঁটে যেতে হয়। আমাদের গ্রামে প্রায় ৩০০ মোটরসাইকেল রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এগুলো ঘরবন্দী করে রাখা হয়েছে। আমরা কয়েকজন তরুণ বন্ধু মিলে রাস্তা পাকা করার দাবিতে কিছু অংশে ধান রোপণ করেছি। কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে এ প্রতীকী প্রতিবাদ করা হয়েছে।’

পাথারপুর চৌরাস্তা বাজারে ওষুধের দোকান করেন আবদুল লতিফ। এলাকায় পল্লিচিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন আমাকে সকালে স্যান্ডেল হাতে নিয়ে পরনের কাপড় উঁচু করে তিন কিলোমিটার হেঁটে দোকানে যেতে হয়। আবার রাতে একই কায়দায় বাড়িতে ফিরে আসতে হয়। এভাবে আর কত দিন?’

গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান মিঞা বলেন, গ্রামের কিছু তরুণ রাস্তায় ধান রোপণ করেছেন বলে ফেসবুকে তিনি ছবি দেখেছেন। ওই দুটি রাস্তা অনেক দিনের পুরোনো। বিষয়টি স্থানীয় সাংসদকে জানানো হয়েছে। আগামী বছর তিনি ওই দুটি রাস্তা পাকা করে দেবেন।

উপজেলা প্রকৌশলী এস এম হাসান ইবনে মিজান বলেন, ওই দুটি রাস্তা পাকা করার জন্য স্থানীয় সাংসদের উন্নয়নকাজের তালিকায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ওই দুটি রাস্তাও পাকা হবে।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

সখীপুরে ভুল চিকিৎসায় প্রাণ গেল সৌরভের

কসাই সাত্তার ও রেজাউল ডাক্তার আমার পোলাডারে মাইরা ফালাইছে। আমার সোনারচান কলিজার টুকরা জলোজ্যান্ত ছেলেডারে ওরা কেমনে কইরা মাইরা ফেলাইলো। আমার বুকের ধন ছাড়া আমি কেমন বাচুম। আমার পোলারে ইঞ্জিনিয়ার বানামু ওর বাপের কত স্বপ্ন ওকে নিয়া। এহন কে আমারে মা কইব।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ভুল চিকিৎসায় মারা যাওয়া টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের দেওবাড়ি গ্রামের সৌরভের মা লুপা বেগম (৪০) ছেলের লাশের পাশে আহাজারি করে বুঁক চাপড়িয়ে এসব কথা বলছিলেন।

তার কান্নায় আশপাশে থাকা প্রতিবেশীরাও হাউমাউ করে কাঁদছিলেন।

সৌরভের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে তারই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লাঙ্গুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সহপাঠিদের মাঝেও।

বাবা শাহাদত হোসেন প্রবাস থেকে কাদতে কাদতে বাকরুদ্ধ। প্রতিবেশীরাও হতবাক সুস্থ্য সবল ছেলেটাকে ভুল চিকিৎসায় অকালে মৃত্যুবরণ করতে হলো।

সৌরভ আহমেদ (১৬)। লাঙ্গুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। বাবা শাহাদত হোসেন পরিবারের খরচ যোগাতে পারি জমান প্রবাসে। ৪ জুলাই শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সামান্য জ্বর আর বমির ভাব নিয়ে ভর্তি হন সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে। পরদিন ৫ জুলাই দুপুর ১টার দিকে সৌরভের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে ছুটি নিয়ে হাসপাতালের বাহিরে বেড় হলেই তারা লাইফ কেয়ার ক্লিনিকের দালাল রিনা আক্তারের খপ্পরে পড়েন।

একরকম টেনে হিচড়ে ভালো চিকিৎসার কথা বলে লাইফ কেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি করান। খবর পেয়ে ছুটে আসেন ওই ক্লিনিকে কর্মরত চিকিৎসক আবদুস সাত্তার ও ডিআই রেজাউল করিম।

এসেই সৌরভের এপেন্টিসাইড হয়েছে বলে জানান তারা। জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন না করালে তাকে বাঁচানো যাবেনা। রক্তের গ্রুপ ছাড়া আর কোন টেস্ট না করিয়েই ওই দুই ডাক্তার দুপুর ২টায় অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যান সৌরভকে।

চার ঘন্টা পর সন্ধ্যা ৬টায় অপারেশন শেষ করেন। পরিবারকে জানানো হয় দ্রুত চার ব্যাগ রক্তের ব্যবস্থা করেন। ওর প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে রক্ত না দিলে বাঁচানো যাবেনা।

৭ জুলাই পর্যন্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে লাইফ কেয়ার নিজ দায়িত্বে সৌরভকে টাঙ্গাইলের মুক্তা ক্লিনিকে নিয়ে যান।

ভুল চিকিৎসা করা হয়েছে বুঝেই মুক্তা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সৌরভকে ফেরত পাঠান।

পরে মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন ভুল চিকিৎসার কারনে সৌরভের এ অবস্থা হয়েছে।

বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে থাকা লাইফ কেয়ারে কর্মরত ব্রাদার নজরুল ইসলাম প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পালিয়ে যান।

দীর্ঘ ১৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২২ জুলাই রাতে মারা যায় সৌরভ।

নিহত সৌরভের মা লুপা বেগম আহাজারির সুরে খুনি ডাক্তার সাত্তার ও রেজাউল করিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক নূরুল ইসলাম বলেন, মেধাবী ছাত্র সৌরভে ভুল চিকিৎসা করে যারা মেরে ফেলছেন অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

অভিযুক্ত চিকিৎসক ডিআই রেজাউল করিম ও আবদুস সাত্তার একই সুরে বলেন, সৌরভের এপেন্টিসাইডের অপারেশন করার পরই বুঝতে পেরেছি তার ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে। পরে আমাদের নিজ খরচে তাকে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলাম। তবে তারা ভুল চিকিৎসার কারনে সৌরভের মৃত্যু হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুর আলম বলেন, সৌরভ ৪ জুলাই জ্বর ও বমির ভাব নিয়ে ভর্তি হয়ে ৫ জুলাই নিজেরাই ছুটি নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে যান।

সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বদিউজ্জামান বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে জানলেও লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(সাইফুল ইসলাম সাফলু, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে গলায় রড ঢুকে নির্মাণ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গলার ভেতর দিয়ে রড ঢুকে এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার জোড়দিঘী গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্রমিকের নাম ফারুক হোসেন (২০)। তিনি সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর শাপলাপাড়া গ্রামের আবদুর রশিদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফারুক ও তাঁর ভাই রুবেল ঘাটাইলের জোড়দিঘী এলাকায় দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। দুপুরে রুবেল নিচ থেকে রড কাঁধে নিয়ে তৃতীয় তলায় উঠছিলেন। এ সময় কাঁধ থেকে ফসকে একটি রড নিচে পড়ে যায়। রডটি নিচে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর ভাই ফারুকের গলার ভেতর দিয়ে ঢুকে যায়।

অন্য শ্রমিকেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা বলেন, রডটি গলার ভেতর দিয়ে ঢুকে যাওয়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে হাসপাতালে আনার আগেই ওই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন বলেন, ঘটনাটি ঘাটাইল থানা এলাকায় ঘটেছে। লাশ এখনো হাসপাতালেই আছে।

বিষয়টি নিয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা হলে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। আর যদি কোনো পক্ষের অভিযোগ না থাকে তাহলে ঘাটাইল থানার ওসির অনুমতি সাপেক্ষে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইল ডট কম)/-

সখীপুরে শিশু সহ ৬ জন নতুন করে করোনা পজিটিভ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নতুন করে ১ বছরের শিশুসহ ছয় জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় করােনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫ জনে।

আজ সােমবার (২০ জুলাই) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুস সােবহান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ আসমা আক্তার জানান, গত শনিবার উপজেলার ১৬জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে নমুনা দেন। সংগৃহীত নমুনা রােববার সকালে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানাে হয়।

আজ সােমবার সকালে ৬ জনের ফলাফল করােনা পজিটিভ আসে।

তাঁরা হচ্ছেন, গাজীপুর পুলিশ লাইনের উপপরিদর্শক (এসআই) খলিলুর রহমান(৫৭), তাঁর মেয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (২২), উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা রায়হান ফকির (৩৫), গজারিয়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি মুক্তিযযােদ্ধা আবদুল মালেক (৬৬), পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কোভিড আক্রান্ত তানজিনের মা ফিরােজা বেগম (৫০) ও তানজিনের ভাগনে ১ বছর বয়সী রাফি।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সখীপুরে পুকুরে গোসল করা নিষিদ্ধ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জনসাধারণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় করোনা সংক্রমণ রোধে পুকুরে গোসল করা অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১৯ জুলাই) রাতে সখীপুর উপজেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমাউল হুসনা লিজা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণায় পানির মাধ্যমে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বলা হয়, উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে প্রায়শই পুকুরে লোকজন গোসল করে থাকেন। জনসাধারণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় করোনা সংক্রমণ রোধে পুকুরে গোসল করা অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

টাঙ্গাইল-৮ আসনের এমপি জোয়াহের করোনায় আক্রান্ত

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে তার নমুনার ফলাফল পজিটিভ আসে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে তাকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয় বলে ছাত্র কল্যাণ পরিষদের জেলা শাখার আহ্বায়ক মনির সিকদার বিষয়টি জানান।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন অফিসের করোনা নিয়ন্ত্রণ সেলের ফোকালপার্সন ও মেডিকেল অফিসার ডা. আজিজুর রহমান বলেন, “গত মঙ্গলবার তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরদিন বুধবার তার নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে আজ রাতে নমুনার ফলাফলে পজেটিভ আসে। তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।”

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

সাইফুল একাই সামলাচ্ছেন সখীপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র

টাঙ্গাইলের সখীপুর সদর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা কর্মকর্তা, উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট ও অফিস সহায়কসহ পাঁচটি পদ থাকলেও শুধু একজন ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলছে হাসপাতালটি।

সাইফুল আলম নামের ফার্মাসিস্ট প্রায় এক বছর ধরে পাঁচজনের দায়িত্ব একাই পালন করছেন। বিশেষ করে করোনার ভয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী কমে যাওয়ায় সদর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।

মিডওয়াইফ পদে কেউ না থাকায় প্রসূতি সেবা নিতে আসা রোগীরা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এরপরেও প্রতিদিন ৬০-৭০ জন সাধারণ রোগীকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাইফুল আলমকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, সদর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল রতন ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে প্রেষণে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যোগ দেন। এর এক মাস পর উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা গুলশান আরা প্রেষণে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে যান।

প্রসূতি মায়েদের সেবাদানের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ পদে জ্যেষ্ঠ সেবিকা অঞ্জনা বালাও প্রায় এক বছর আগে প্রেষণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে গেছেন।

মৃত্যুজনিত কারণে গত তিন বছর ধরে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অফিস সহায়কের পদ শূন্য রয়েছে।

ফলে এক বছর ধরে ফার্মাসিস্ট সাইফুল আলম একাই পাঁচজনের দায়িত্ব পালন করছেন।

সাইফুল আলম বলেন, আইন অনুসারে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ফার্মাসিস্ট রোগীকে ওষুধ সরবরাহ করবেন। রোগীকে ওষুধ খাওয়ার নিয়ম বলে দেবেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বরাদ্দকৃত ওষুধ তাঁর হেফাজতে সংরক্ষিত থাকবে। রোগী দেখা বা রোগীর ব্যবস্থাপত্র লেখা তাঁর এখতিয়ার বহির্ভূত। হাসপাতাল ঝাড় দেওয়াও তাঁর কাজ নয়। অথচ তাঁকে এক সঙ্গে রোগীও দেখতে হচ্ছে, আলমারি খুলে ওষুধ দেওয়াসহ প্রতিদিন হাসপাতালের দুটি কক্ষ, বারান্দা ও চারপাশ ঝাড়ুও দিতে হচ্ছে। তিনি কোনো ছুটিও নিতে পারছেন না। প্রতিদিন তাঁকে ৫০ থেকে ৮০ জন রোগীকে সামাল দিতে হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, সাইফুল আলম একাই রোগী দেখছেন। রোগীর সমস্যার কথা শুনে ওষুধ দিচ্ছেন। তবে কোনো ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন না। মুখে মুখে ওষুধ খাওয়ার নিয়ম বলে দিচ্ছেন।

সাইফুল আলম বলেন, মুখে নিয়ম বলে দেওয়ায় অনেক বয়স্ক রোগী বাড়িতে গিয়ে ওষুধ খাওয়ার নিয়ম ভুলে যান। অনেকেই পরের দিন আবার নিয়ম জানতে হাসপাতালে আসেন। আইনত তিনি ব্যবস্থাপত্র লিখতে পারেন না।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গড়গোবিন্দপুর গ্রামের শেফালি আক্তার নামের এক প্রসূতি রোগী আসেন। মিডওয়াইফ না থাকায় তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পরামর্শ দেন ফার্মাসিস্ট।

শেফালি আক্তার বলেন, ‘অই আসপাতালে করুনা রোগীর চিকিৎসা অয়। ওনে গেলে আমারও করুনা অব। তাই সুজা বাড়ি চইলা যামুগা। জানের চাইয়া কচু হাক (শাক) বড় না।’

হাসপাতালের পাশের দোকানি হাফেজ গোফরান বলেন, সাইফুল আলম একাই হাসপাতালটি চালাচ্ছেন। একদিনও বন্ধ থাকেনি।

জোহরের নামাজের সময় হাসপাতালে তালা দিয়ে তিনি নামাজ শেষে আবার হাসপাতাল খোলেন। আড়াইটা পর্যন্ত খোলা রাখেন। ডাক্তারি ও হাসপাতাল ঝাড় দেওয়ার কাজ সবই তিনি করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুস সোবহান বলেন, দুজন চিকিৎসক প্রেষণে চলে যাওয়ায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে বর্তমানে নানা সমস্যা চলছে। শিগগিরই সেখানে একজন চিকিৎসক দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

সখীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ফুটবল খেলা দেখতে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলায় বেতুয়া বিশিষ্ট শিল্পপতি সালাহউদ্দিন আলমগীর রাসেলের প্রতিষ্ঠিত সালমা ফাতেমা কওমী মাদ্রাসার নির্মাণাধীন চারতলা ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

ফুটবল খেলার দর্শকরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম আবদুল্লাহ ওরফে আবদুর রহমান (৮)। সে উপজেলার কালিয়ান টানপাড়া গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী সোবহান খানের ছেলে। সে সখীপুর রফিকরাজু স্কুলের ৩য় শাখার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শরীরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের সে ধরনের কোনো নমুনা না থাকায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতুয়া কওমী মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয়রা আজ বুধবার বিকেলে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। প্রায় দুই কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ওই শিক্ষার্থী খেলা দেখতে ওই মাঠে যায়। খেলা দেখার সুবিধার্থে ওই শিক্ষার্থী নির্মানাধীন চারতলা ভবনের ছাদে উঠেন। খেলা শেষে ছাদ থেকে নামতে সময় বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে ওই শিক্ষার্থী মারা যায়।

পরে ফুটবল মাঠের দর্শকরা উদ্ধার করে তাকে সখীপুর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, স্বজনেরা মৃত অবস্থাতেই ওই ছেলেটাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। শরীরের কোথাও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের কোনো চিহ্ন না থাকায় লাশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে পায়ের পাতার নিচে সামান্য ক্ষত রয়েছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন বলেন, চিকিৎসকের মনে সন্দেহ হওয়ায় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়াও বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুল কবিরকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-