কোরবানির চামড়ার দামে বিপর্যয়

দাম নির্ধারণ ও রপ্তানির ঘোষণা দেওয়ার পর কোরবানির পশুর চামড়ার দামের বিপর্যয় ঠেকানো গেল না। ঢাকায় গরুর চামড়া আকারভেদে ১৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছাগলের চামড়ার দাম ২-১০ টাকা।

ঢাকার জিগাতলা ট্যানারি মোড় ও পোস্তার আড়তে আজ শনিবার দুপুর থেকে বিকেলে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেল।

সব জায়গাতেই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক কমে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া। অথচ গতবারের চেয়েও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম এবার ২০ থেকে ২৯ শতাংশ কমিয়ে ধরা হয়েছে।

আড়তদার ও ট্যানারির মালিকেরা বলছেন, চলতি বছর গতবারের চেয়ে ৩০-৩৫ শতাংশ কম চামড়া আসবে। তাই চামড়ার বেশ চাহিদা রয়েছে। তারপরও চামড়ার দাম কম হওয়ার পেছনে পুরোনো যুক্তিই দেখাচ্ছেন তাঁরা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে চামড়াশিল্পের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে। ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ধরা হয়েছে। আর ঢাকার বাইরে ধরা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২৮ থেকে ৩২ টাকা। এ ছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া গত বছরের প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৩ থেকে ১৫ টাকা করা হয়। আবার দরপতন ঠেকাতে ২৯ জুলাই কাঁচা ও ওয়েট-ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বিকেলে পুরান ঢাকার পোস্তায় গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি পিকআপ ও ট্রাকে করে কোরবানির পশুর চামড়া আড়তে আসছে। দরদাম করে কিনছেন আড়তদারেরা। সেই চামড়া আড়তের ভেতরে নিয়ে লবণ দিয়ে সংরক্ষণে ব্যস্ত শ্রমিকেরা।

আজিমপুর থেকে পোস্তায় ঢোকার মুখে সড়কের পাশে বসে শফিকুর রহমান চামড়া কিনছিলেন। বললেন, বড় গরুর চামড়া ৫০০-৬০০ ও মাঝারি গরুর চামড়া ৩০০-৩৫০ টাকায় কিনেছেন। আর ৪ পিছ ছাগলের চামড়া কিনেছেন ১০ টাকায়।

দামের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘মোটামুটি কমই।’

বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪০০-৫০০ টাকায় গরুর চামড়া কিনে পিকআপে করে পোস্তায় নিয়ে যাচ্ছিলেন হাজি শের মোহাম্মদ। বললেন, বড় গরুর চামড়া ৪০০-৬০০ টাকায় এবং ছোট ও মাঝারি গরুর চামড়া ১৫০-২৫০ টাকায় কিনেছেন।

গতবার চামড়া কিনে অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়েছেন। তাই এবার তেমন ব্যবসায়ীরা মাঠে ছিলেন তুলনামূলক কম।

মোহাম্মদপুর থেকে ১২-১৫টি গরুর চামড়া কিনে ভ্যানে নিয়ে পোস্তায় আসেন মৌসুমি ব্যবসায়ী মো. শহীদ। বললেন, আকারভেদে ৪০০-৬০০ টাকায় গরুর চামড়া কিনেছেন।

তবে কলাবাগান ও জিগাতলায় ব্যবসায়ীরা কেনা দামের কাছাকাছি বলায় বিক্রি করেননি। পোস্তায়ও বেশি দাম পাওয়ার আশা কম। শেষ পর্যন্ত তিনি মুনাফা করতে পেরেছেন কি না, জানা যায়নি।

পোস্তার আবদুল মাজেদ আড়তে কমিশন এজেন্ট মো. নয়ন ও তাজউদ্দীনের সঙ্গে কথা হলো।

তাঁরা জানালেন, করোনার কারণে কোরবানির পরিমাণ অনেক কম হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে চামড়ার যে পরিমাণ আমদানি তাতে মনে হচ্ছে, ঢাকায় গতবারের চেয়ে বড়জোর ৫ শতাংশ কম কোরবানি হয়েছে।

বড় আকারের গরুর চামড়া গড়ে ৩৫-৪০ বর্গফুট, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া গড়ে ২৫-৩০ এবং ছোট আকারের গরুর চামড়া গড়ে ১৬-২০ বর্গফুটের হয়। তাতে সরকারের নির্ধারিত দাম হিসাব করলে বড় চামড়া কমপক্ষে দেড় হাজার টাকা, মাঝারি চামড়া হাজার টাকা ও ছোট চামড়ার দাম হয় কমপক্ষে ৬০০ টাকা। তার থেকে প্রক্রিয়াজাত, শ্রমিকের মজুরি ও আড়তদারের মুনাফা বাদ দিলেও যা দাঁড়ায় তার কাছাকাছি দামেও চামড়া বিক্রি হয়নি।

চামড়ার কম দামের কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আফতাব খান প্রথম আলোকে বলেন, কাঁচা চামড়া যে দামে বিক্রি হচ্ছে তা ঠিকই আছে। কারণ প্রতি বর্গফুট চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ৮ টাকা খরচ হয়। তা ছাড়া আড়তদারেরা নগদ অর্থের সংকটে আছেন। বেশির ভাগ ট্যানারির মালিক আড়তদারদের বকেয়া পরিশোধ করেননি।

দাম কম হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ছোট চামড়াই বেশি আসছে এবার। চামড়া প্রক্রিয়াজাতে লবণের খরচ আছে। কাটিংয়েও বাদ যাবে কিছু চামড়া। তা ছাড়া শেষ পর্যন্ত কী দাম পাওয়া যাবে, তা নিয়ে আশঙ্কায় আছেন অনেক ব্যবসায়ী।

আড়তদারদের বকেয়ার বিষয়ে সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ২০১৭ সালে হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের পর থেকেই ট্যানারির মালিকেরা আর্থিক সংকটে আছেন। সে জন্য আড়তদারদের পাওনা সময়মতো পরিশোধ করতে পারছেন না অনেকে।

গত বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় চামড়ার অস্থায়ী বাজারে ছোট গরুর একেকটি চামড়া ৩০০-৪০০ টাকা, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া ৫০০-৬০০ এবং বড় চামড়া হাজার টাকায় বিক্রি হয়। রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ২৫০-৩০০ টাকার বেশি কোনো চামড়া বিক্রি হয়নি। পরদিন পোস্তায় ১৫০-২০০ টাকায় চামড়া বিক্রি করতেও কষ্ট হয়েছে ব্যবসায়ীদের। ঢাকার বাইরে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে চামড়া সড়কে ফেলে দেওয়া ও পুঁতে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়।

দাম নির্ধারণ ও রপ্তানির ঘোষণা দেওয়ার পর কোরবানির পশুর চামড়ার দামের বিপর্যয় ঠেকানো গেল না। রাজধানীতে গরুর চামড়া আকারভেদে ১৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছাগলের চামড়ার দাম ২-১০ টাকা।

এবার কোরবানির পশুর চামড়ার দাম ২০ থেকে ২৯ শতাংশ কমিয়ে ধরা হয়েছে। ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়া কেনাবেচা করতে হবে প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে, যা গত বার ছিল প্রতি বর্গফুট ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। সে হিসাবে দাম কমানো হয়েছে ২৯ শতাংশ। আর ঢাকার বাইরে ধরা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২৮ থেকে ৩২ টাকা, যা গত বছর ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এ ক্ষেত্রে গত বছরের চেয়ে দাম কমানো হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।

এ ছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া গত বছরের প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা থেকে ২৭ শতাংশ কমিয়ে ১৩ থেকে ১৫ টাকা করা হয়। আর বকরির চামড়া গত বছরের ১৩ থেকে ১৫ টাকা বর্গফুটের দর থেকে কমিয়ে এবার ১০ থেকে ১২ টাকা করা হয়েছে।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইল ডট কম)/-

মরুভূমির উট ভুঞাপুরে, দেখতে ভিড় মানুষের

সৌদি আরবের মরুভূমির উট এবার টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে। এই উট একনজর দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন শত শত মানুষ। শুধু এ গ্রামের মানুষ নয়। আশে-পাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে দেখতে ছুটে আসছেন।

মরুভূমির এই উট স্ব-চোখে দেখে পেরে আনন্দিত উৎসুক জনতা। উটকে যারা দেখতে আসছেন তাদের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ঈদের দিন কোরবানি হবে এ উট।

আলোচিত এই উটটি কোরবানি দেয়ার জন্য কিনছেন জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বিলচাপড়া গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সরকারের ছেলে আব্দুল রশিদ সরকার (তুলা)। সে পেশায় একজন ঠিকাদার এবং কা’বার পথে ট্যুরস ট্রাভেলস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও ধর্মানুরাগী সমাজসেবক। গরীবের বন্ধু নামেও সকলের কাছে পরিচিত তিনি।

রশিদ সরকার বলেন- আমার বাবার স্বপ্ন ছিল উট কোরবানি করার। যেতে চেয়ে ছিলেন মদিনায় হজ পালনে। কিন্তু যেতে পারেনি। এদিকে, প্রতিবারের ন্যায় এ বছর আমিও হজ করতে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে তা সম্ভব হয়নি। তাই সেই অর্থদিয়ে অনেক কষ্টে উটটি কিনেছি।

দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- ইচ্ছে ছিল সৌদি থেকেই আনার। কিন্তু করোনার কারণে আনা যায়নি। এরপর দেশের সব বড় বড় হাট খোঁজাখুঁজি করে অবশেষে ঢাকার গাবতলি পশুর হাট থেকে এক ব্যবসায়ী থেকে ১১ লাখ ৫০ হাজার দিয়ে কেনা হয়।

গোপালপুর থেকে উট দেখতে আসা মো. রুবেল মিয়া বলেন- ফেসবুক, টিভি ও পাঠ্য বইয়ে অনেক দেখেছি, পড়েছি উটের গল্প। কিন্তু বাস্তবে দেখার সৌভাগ্য হয়নি। গত বুধবার দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেখে ভূঞাপুরের বিলচাপড়া গ্রামে ছুটে এসেছি উটকে এক নজর দেখার জন্য। আসলে মরুভূমির এই উট বাস্তবে দেখতে পাব কোনদিন স্বপ্নেও ভাবেনি। সত্যিই অনেক ভাল লাগছে।

কালিহাতির উপজেলার মো. মিজানুর রহমান বলেন- উট বাস্তবে দেখলাম আজ। ঈদের আনন্দ আরও দ্বিগুণ বেড়ে গেল। এছাড়াও সৌদির মরভূমির উট দেখেও মনে বড় প্রশান্তি অনুভব করছি।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আসলাম ও লিটন মিয়া বলেন- আমাদের এলাকায় এবারই এই প্রথম উট কোরবানি হচ্ছে। এরআগে কেউ উট কোরবানি দিতে পারেনি। কোরবানি এই উট দেখতে আসছে শতশত মানুষ। আমাদেরও খুব ভাল লাগছে উট দেখতে পেরে।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় গিয়ে দেখা গেছে- মরুভূমি উটকে দেখতে শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। সব বয়সি মানুষ উটের সাথে সেলফি ও ছবি উঠছে। কেউ ভিডিও নিচ্ছে। আবার কেউ কেউ ফেসবুক লাইভও করছে। মানুষ যেন কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা না করতে পারে সেজন্যও করেছেন কড়া ব্যবস্থা।

রশিদ সরকারের সাথে কথা বলে আরও জানা গেছে- তিনি মনে করেন, তার এ উট কোরবানি গোস্ত সমাজসহ স্থানীয় প্রতিবেশীদের মাঝে বন্টন করবেন।

উট দেখাশোনা ও খাবার ব্যবস্থার বিষযে তিনি বলেন- উটটিকে যে ব্যবসায়ী থেকে কেনা হয়েছে সে পাকিস্তান থেকে গত ২ বছর আগে ৩ টি উট কিনে আনেন। পরে ২ টি উট বিক্রি করেন। রয়ে যায় আরও একটি।

তিনি বলেন, করোনার কারণে এ বছর ওই ১টি উট বিক্রি করতে না পেরে ক্রেতা সংকটে পরে দিশেহাঁড়া ছিলেন। আর আমিও উট কেনার জন্য অধির ছিলাম। গত কয়েকদিন আগে কেনা হয়। এই উটটিকে মূলত প্রায় ৩ বছর লালন-পালন করেন তারা। গরুকে যে খাবার খাওয়ানো হয় সেগুলোই স্বাভাবিকভাবে উটকে খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়াও কোনবানির আগ পর্যন্ত লালন-পালন করার জন্যও ওই ব্যবসায়ীর এক লোক নিয়মিত তার যত্ন করছেন।

তিনি আরও বলেন- উট কোরবানির পাশাপাশি  গরুও কোরবানি করা হবে। এ উটকে আমি প্রথমে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ), আমার বাবা-মা, আমি ও স্ত্রী সন্তানদের নামে কোরবানি করব। চেস্টা করব প্রতি বছর একটি করে উট কোরবানি করার জন্য সকলের দোয়া কামনা করছি।

(ফরমান শেখ, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঈদের নামাজ মসজিদে আদায়ের নির্দেশনা জারি ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসনের

আগামী ১ আগস্ট সারা দেশব্যাপী উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। বর্তমান সময়ে চলমান মহামারী করোনাভাইরাসের বহুল সংক্রমণ ঠেকাতে আসন্ন ঈদ-উল-আযহার নামাজ মহল্লার নিকটস্থ মসজিদে আদায় করার নির্দেশ প্রদান করে গণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য পাওয়া যায়।

এদিকে এই নির্দেশনা জারি করে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘাটাইল পৌর এলাকায় মাইকিং করেছে উপজেলা প্রশাসন।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাব ও সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির কারণে এবং ধর্ম মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ঘাটাইল উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের নামাজের জামাত নিকটস্থ মসজিদে আদায় করার নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগস্ট মাস শোকের মাস। তাই জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উপজেলায় কোন স্থাপনা, ইমারত, বাসা বাড়ীতে কোনপ্রকার আলোকসজ্জা করা যাবে না। এছাড়া সাউণ্ড সিস্টেমে উচ্চস্বরে গান বাজাতে নিষেধ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ঈদের নামাজে জামাত শেষে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য এবং কোভিড-১৯ ও বন্যা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বিশেষ দোয়া করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য: করোনার প্রভাবে গত ঈদ-উল-ফিতরের নামাজে জামাতও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুবিধাজনক সময়ে মসজিদে আদায় করা হয়।

এদিকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত মসজিদে আদায় করা, কোলাকুলি না করাসহ ১৩ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয় এসব নির্দেশনা জারি করে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটি এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন।

নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে:

  • করোনাভাইরাসের কারণে মুসল্লিদের জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদুল আজহার নামাজের জামাত ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে কাছের মসজিদে আদায় করতে হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামাত আদায় করা যাবে।
  • ঈদের নামাজের জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না।
  • নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করতে হবে।
  • মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।
  • ওজু করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজুর সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
  • মসজিদে ওজুর স্থানে সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
  • মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে।
  • জামাতে আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে আসতে হবে।
  • মসজিদে রাখা জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
  • নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে এবং এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।
  • শিশু, বৃদ্ধ, যেকোনো ধরনের অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশগ্রহণ করবেন না।
  • সর্বসাধারণের সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
  • জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো যাবে না।

নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব ও ইমামগণকে অনুরোধ করা হয়। খতিব, ইমাম, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার কথাও বলা হয় সে নির্দেশনায়। এ ছাড়া পশু কোরবানির ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

নিজেকে নবী দাবি করায় পাকিস্তানে আদালতেই যুবককে গুলি করে হত্যা

পাকিস্তানে নিজেকে নবী দাবি করায় এক ব্যক্তিকে আদালত কক্ষেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। দেশটির পেশওয়ারে এ ঘটনা ঘটেছে বলে বুধবার জানিয়েছে আল-জাজিরা অনলাইন।

পুলিশ কর্মকর্তা ইজাজ আহমেদ জানান, বুধবার ধর্ম অবমাননা মামলায় তাহির আহমেদ নাসিম নামের ওই ব্যক্তির শুনানি চলছিল। এসময় তাকে লক্ষ্য করে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়।

তিনি বলেন, ‘হামলাকারীকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। ধর্ম অবমাননা করায় সে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে।’

উল্লেখ্য, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ২০১৮ সালে গ্রেপ্তার করা হয় তাহিরকে। পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননাআইনে কিছু অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

ব্যস্ত ঘাটাইলের কামারশিল্পীরা

ঈদকে সামনে রেখে টুং-টাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কামারশিল্পীরা। দিন রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। কুরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বাড়ছে তাদের কাজের ব্যস্ততা।

তবে বিশ্ব জুড়ে মহামারি করোনাভাইরাসের আতঙ্কে থমকে আছে দেশ। তারপরেও প্রতিবারের তুলনায় এবছর কামারপল্লীতে কাজের চাপ অনেকটা কম দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঘাটাইল উপজেলার পোরাবাড়ি, গারোবাজার, সাগরদিঘী, ধলাপাড়া, জোড়দিঘী বাজারসহ ছোট-বড় সব হাটের কামাররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোর থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত নতুন চাপাতি, ছুরি তৈরির পাশাপাশি চলছে পুরনো অস্ত্রে শান দেওয়ার কাজ।

জোড়দিঘী বাজারের সেন্টু কামার বলেন, ‘ঈদের আগে কাজে চাহিদা বেড়ে গেছে। তবে প্রতিবারের চেয়ে এবছর করোনার কারণে কাজের চাপ অনেক কম। এজন্য বর্তমানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছি। আগে খুব সকালে দোকানে আসতাম আর বাড়ি যেতাম গভীর রাতে। এখন তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে বাসায় চলে যাই। গড়ে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি কাজ করে হাজার দেড়েক টাকা আয় হচ্ছে ২-৩ দিন ধরে। আগে এর চেয়ে বেশি আয় হতো।

তিনি আরো বলেন, একটি বড় দা পাঁচ কেজির লোহা দিয়ে তৈরি করে মজুরিসহ ৮০০ টাকা, এক কেজি ওজনের কুড়াল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাপাতি প্রকার ভেদে ৪৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, বিভিন্ন আকারের ছোরা ৩৫০ টাকা থেকে ৬৫০ টাকা করে নিচ্ছেন তারা।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, অন্য সময়ের চেয়ে এখন চাপাতি, চাকু, ছুরির দাম বেশি রাখা হচ্ছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, জোড়দিঘীর কামারপট্টির কামারদের এখন কাজের চাপ কিছুটা বেশি। একের পর এক ক্রেতা এসে দোকানে ভিড় করছেন। আগের চেয়ে বর্তমানে একটু কম চাপ থাকলেও দোকান ছেড়ে যাওয়ারও কোন উপায় নেই। তাই সকাল, দুপুরের খাবার তারা দোকানে বসেই সেরে নিচ্ছেন। পুরনো দুইটি দা, একটি বটি ও একটি ছুরিতে শান দেয়ার জন্য ৩৫০ টাকা নিচ্ছেন। অন্য সময় মজুরি ছিল ১৫০ টাকা। আর নতুন একটি ছোরা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বিভিন্ন সাইজের চাকু ৫০ থেকে ১০০ টাকা, বটি ২০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছেন।

সাগরদিঘী বজারে আবুল কামার বলেন, ‘সারাবছরই আমাদের তৈরি জিনিসের কমবেশি চাহিদা থাকে। তবে ঈদে পশু কুরবানির জন্য নতুন ছুরি, চাপাতি, চাক্কুর কদর প্রতি বছরই বেড়ে যায়। কিন্তু এ বছর করোনার কারণে চাহিদা কম। তার পরেও কিছু তৈরি করে রাখছি।

তিনি আরও বলেন, ‘আগে অন্য হাট-বাজারে প্রতিদিন বিভিন্ন লৌহজাত জিনিস বানিয়ে ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা রোজগার হতো। তবে ঈদের আগে লোহার অস্ত্রের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এখন প্রতিদিন ১ হাজার টাকা থেকে ১২শথ টাকা আয় হচ্ছে। ঈদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে এবছর সময় কম লাগছে। এবছর আমি নতুন কাজের অর্ডার নেয়া বন্ধ করিনি। গতবছর এসময় অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এবছর তার উল্টো।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

মধুপুরে মন্দিরের জায়গা দখল করতে না পেরে উল্টো মামলা

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর এলাকার চৌধুরী পাড়ার দুর্গামন্দির দখল করতে না পারায় উল্টো মন্দির কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী নিরঞ্জন ঘোষের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মধুপুর পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার বংশাই নদীর পাড়ে সরকারি জায়গায় চৌধুরীপাড়া বংশাইপাড় সাবর্জনীন দূর্গামন্দির। মন্দিরটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। মন্দিরের সামনে দিয়ে পৌরসভা পাকা রাস্তা নির্মাণ করছে।

রাস্তার অপরপাশের বাসিন্দা নিরঞ্জন ঘোষ মন্দিরের জায়গা দখল করার জন্য অবৈধভাবে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করেছিল। পরে বাউন্ডারী ওয়াল স্থানীয়রা ভেঙে দেয়।

জানা গেছে, মধুপুরের প্রভাবশালী নিরঞ্জন ঘোষ তার ভাইয়েরা মিলে রাতের আধারে মন্দিরের জায়গা দখলের জন্য বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করে। এছাড়া মন্দিরের প্রতিমাগুলো বংশাই নদীতে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাঁধা প্রদান করে। এসময় মন্দিরের কালী প্রতিমার মূর্তি ভেঙে যাওয়ায় মন্দিরের সামনেই ফেলে রেখে চলে যারা তারা।

পরে এঘটনায় স্থানীয়রা অবৈধভাবে মন্দিরের জায়গায় বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ ও জমি দখলের প্রদিবাদ জানিয়ে এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। এতে নিরঞ্জন ক্ষিপ্ত হয়ে মন্দির কমিটির সদস্য ও স্থানীয় ১৩জনের নাম উল্লেখসহ ৩০/৪০ জন অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেন নিরঞ্জন।

অন্যদিকে গত ১৪ এপ্রিল চৌধুরীপাড়া বংশাইপাড় সাবর্জনীন দূর্গামন্দির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় সরকার বাদী হয়ে নিরঞ্জনসহ ৭জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫জনের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয়রা জানান, বংশাই নদীর পাড়ে মন্দিরটি নির্মাণ করার পর থেকেই নিরঞ্জন তা দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠে। এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। করলেই মিথ্যা মামলা দায়ের করে যা প্রতিবাদ করে তাদের বিরুদ্ধে।

মধুপুর চৌধুরীপাড়া বংশাইপাড় সাবর্জনীন দূর্গামন্দির কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ সিং ও সম্পাদক বিদ্যুত কুমার ঘোষ বলেন, এলাকার প্রভাবশালী নিরঞ্জন মন্দিরের জায়গা দখলের পায়তারা করছিল। মন্দিরের সামনে অবৈধভাবে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করেছিল।

মন্দিরের মধ্যে যে মূর্তিগুলো ছিল সেগুলো রাতের আধারে নদীতে ফেলে দিয়েছে। স্থানীয়রাসহ আমরা এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করি। পরে ক্ষোভে নিরঞ্জন থানায় মামলা দায়ের করে। এরআগেও মন্দির কমিটির সদস্যদের নামে আরো চারটি মামলা দায়ের করে।

চৌধুরীপাড়া বংশাইপাড় সাবর্জনীন দূর্গামন্দির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় সরকার বলেন, মিথ্যা মামলা করে আমাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। মন্দিরটি সরকারি জায়গায় নির্মিত।

অথচ মন্দিরের জায়গা নিজের দাবী করে মন্দিরের মূর্তিগুলো নদীতে ফেলে দিয়ে সেখানে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করে দখলের চেষ্টা করেছে নিরঞ্জন।

(মধুপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

মধুপুরে সুলতানী আমলের নির্মিত প্রাচীন আইলাজোলার মসজিদ

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় রয়েছে সুলতানী আমলের নির্মিত প্রাচীন একটি মসজিদ। নাম আইলাজোলার মসজিদ। যদিও মসজিদটির নামকরণের তেমন কোনো ইতিহাস পাওয়া যায়নি।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত বাহমান বাড়ি গ্রামে রয়েছে মসজিদটি।

বর্গাকারে নির্মিত এ মসজিদের প্রত্যেক বাহু ৭ মিটার দীর্ঘ। প্রত্যেকটি দেয়ালের প্রশস্ত ১.৭ মিটার। মসজিদে রয়েছে একটি মাত্র গম্বুজ। উল্টানো পেয়ালার মতো গম্বুজটি এখনো বেশ ভালোভাবেই টিকে আছে।

সাদাসিধাভাবে নির্মিত এই মসজিদের বিশেষ কোনো টেরাকোটার কাজ নেই। প্রত্যেকটি দেয়ালের উপরের অংশে ফুলের কিছু নকশা রয়েছে।

মসজিদটির কাছে সুলতান নাসির-উদ-দীন নুসরত শাহ আমলের মুদ্রা পাওয়া গিয়েছিল বলে কবি মুফাখখারুল ইসলাম ও প্রত্নতত্ত্ববিদ আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার লেখা ‘বাংলাদেশের প্রত্নসম্পদ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। মসজিদের গঠন অনুসারে এই মসজিদটিকে সুলতানী আমলের মসজিদ বলে উল্লেখ করেছেন।

মসজিদটি বহুকাল ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলেও এর বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়নি। গত শতাব্দীর শেষের দিকে মসজিদটি আবার চালু হয়েছে।

(জোবায়ের অপু, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঈদে ডিএমপির নির্দেশনা

বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামী ১ আগস্ট দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

ঈদকে ঘিরে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে প্রস্তুতি। ফলে কোরবানির পশুর হাট, বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলস্টেশন কেন্দ্রিক নিরাপত্তায় নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এর অংশ হিসেবে দেয়া হয়েছে বেশ কিছু নির্দেশনাও।

ঘাটাইল ডট কম পাঠকদের জন্য ডিএমপির দেয়া নির্দেশনাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১। কোরবানির পশুর হাট কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। থাকছে সাদা পোশাকের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

২। প্রতিটি পশুর হাটে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হবে, থাকবে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল-রুম।

৩। পশুর হাট কেন্দ্রিক মানি এস্কর্ট ব্যবস্থা, কন্ট্রোলরুম এবং প্রতিটি থানায় মানি এস্কর্ট টিম স্ট্যান্ডবাই থাকবে।

৪। কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন করা হবে।

৫। পশুর হাটের চৌহদ্দির বাইরে হাট বসতে দেয়া হবে না এবং বলপূর্বক পশুবাহী ট্রাক/নৌকা আটকিয়ে অন্য হাটে নামানো যাবে না।

৬। নির্ধারিত হারে হাসিল আদায় নিশ্চিত করতে হবে, হাসিলের হার বড় ব্যানার বা ফেস্টুনের মাধ্যমে দৃশ্যমান রাখতে হবে।

৭। জাল টাকার বিস্তার রোধ ও পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, পকেটমার ও অন্যান্য অপরাধীদের তৎপরতা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৮। পশু বিক্রয়ের টাকা ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশ তৎপর থাকবে এবং অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোলরুম ও ওয়াচ টাওয়ারে জনসচেতনতামূলক ব্যানার স্থাপন করা হবে।

৯। পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রবেশ মুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা ও জীবাণুনাশক চেম্বার স্থাপন করা।

১০। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে অনলাইন ভিত্তিক বিক্রয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়ে পশু বিক্রির জন্য উৎসাহিত করা।

১১। সার্বক্ষণিক মেডিকেল টিম ও ভেটেরিনারি অফিসার (পশুর ডাক্তার) নিয়োজিত রাখতে হবে।

১২। হাট এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।

১৩। পশুর হাট কেন্দ্রিক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা এবং ফায়ার টেন্ডার মোতায়েন রাখতে হবে।

ইজারাদারদের প্রতি কিছু দায়িত্ব

ইজারাদারদের প্রতি কিছু দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তার মধ্যে- নির্ধারিত তারিখের পূর্বে হাটে পশু না আনা, চৌহদ্দির বাঁশ দিয়ে ঘিরে রাখা, চৌহদ্দির বাইরে হাট না বসানো, পশু বহনকারী ট্রাকের সামনে হাটের নাম ব্যানারে লিখে রাখা, এক হাটের পশু অন্য হাটে না নামানো, নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত হাসিল আদায় না করা, হাট এলাকায় সিসিটিভি স্থাপন ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করা, জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা, পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ নিয়োগ করা, টাকা পরিবহনে পুলিশের মানি এস্কর্ট সেবা গ্রহণ করা, হাটের মধ্যে স্থায়ী খাবারের দোকান স্থাপন করা এবং কোরবানির পশু ব্যবসায়ীকে মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি সম্পর্কে সচেতন করতে লিফলেট দেয়া ও মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা।

কোরবানির হাটের জন্য স্বাস্থ্য বিধিমালা

১। প্রতিটি হাটের প্রবেশ পথ ও প্রস্থানের পথ পৃথক করতে হবে। হাটে প্রবেশের মুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক হাত ধোয়ার জন্য বেসিন, পানির ট্যাংক ও সাবান এবং পৃথকভাবে হ্যান্ড সেনিটাইজার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

২। হাটে প্রবেশের মুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রসহ লোক রাখতে হবে। কোনক্রমেই ফেস মাস্ক ছাড়া কোন লোককে হাটে ঢুকতে দেয়া যাবে না।

৩। হাটে সামাজিক দূরত্ব কমপক্ষে ৩ ফুট কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে।

৪। করোনার সন্দেহজনক উপসর্গ যেমন- জ্বর, সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা ইত্যাদি নিয়ে কোন ব্যক্তি কোনক্রমেই হাটে প্রবেশ করতে পারবে না।

৫। যত কম সময়ে সম্ভব কোরবানির পশু কিনে হাট ত্যাগ করতে হবে, একজন বিক্রেতার নিকট বেশী ক্রেতা অযথা ভিড় করা যাবে না।

৬। অসুস্থ পশু কোনক্রমেই হাটে বেচাকেনার জন্য আনা যাবে না।

৭। শিশু ও ষাটোর্ধ ব্যক্তিদের হাটে প্রবেশে নিরুৎসাহিত করতে হবে।

৮। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কাঁচা চামড়া পাচার রোধ এবং ক্রয়-বিক্রয়কালে ব্যবস্থা

১। নগদ অর্থ বহনকালে যানবাহন সরবরাহ সাপেক্ষে মানি এস্কর্ট প্রদান করা হবে।

২। চামড়া ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ নিয়ে নিরাপদ স্থানে রাত্রি যাপন করতে হবে।

৩। কাঁচা চামড়া পাচার রোধে ঢাকা থেকে বের হওয়ার পথগুলোতে থাকবে চেকপোস্ট এবং নদী পথে থাকবে নৌ-টহলের ব্যবস্থা।

৪। বাইরে থেকে শুধুমাত্র কাঁচা চামড়াবাহী যানবাহন ঢাকায় প্রবেশ করবে, কোন কাঁচা চামড়াবাহী যানবাহন ঢাকা থেকে বাইরে যেতে পারবে না।

৫। চামড়া ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যাপারে কেউ যাতে সিন্ডিকেট করতে না পারে তার ব্যবস্থা করা হবে।

৬। আমিন বাজার টার্মিনালের পাশে রাস্তার উপর কাঁচা চামড়া রাখা যাবে না।

৭। হাজারী বাগ এলাকায় রাস্তার উপর রাত ১১টার পর কাঁচা চামড়া রাখা যাবে না।

৮। কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেল স্টেশন কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা

১। চালক, হেলপার ও যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

২। যানবাহনের ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি টার্মিনাল ছাড়ার আগে যাচাই করতে হবে।

৩। অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পরিবহন রোধ, পণ্যবাহী ট্রাকে যাত্রী পরিবহন বন্ধ, বাস ও ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ নিষেধ।

৪। টিকেট কালোবাজারি ও যাত্রী হয়রানি রোধ করা হবে।

৫। প্রতিটি বাস টার্মিনালে ওয়াচ টাওয়ার এবং লঞ্চ টার্মিনাল ও রেল স্টেশনে পুলিশ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে।

ঈদ পরবর্তী ঢাকা মহানগরীর নিরাপত্তা

১। ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২। স্বর্ণের দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসা-বাড়ি, ভাড়াটিয়াদের নিরাপত্তা সংক্রান্তে সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদান করা হবে।

৩। বাসা ও প্রতিষ্ঠান মালিকদের সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রাইভেট নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ করতে হবে।

৪। ঈদের ছুটিকালীন আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের লক্ষ্যে পুলিশের কর্মকাণ্ড (মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল, চেকপোস্ট) বৃদ্ধি করা হবে।

(ডিএমপি নিউজ, ঘাটাইল ডট কম)/-

১ আগস্ট ঈদুল আজহা

বাংলাদেশে আগামী ১ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে।

পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ করতে আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

এদিকে, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।

চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় (বাদ মাগরিব) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম।

সভা শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন।

হিজরি বর্ষপঞ্জির ১২তম ও শেষ মাস জিলহজ। ১০ জিলহজ আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের প্রত্যাশায় পশু কোরবানি করেন মুসলমানরা।

ঈদুল আজহা মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব।

বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ হিসেবে পরিচিত এই উৎসবের মূল আহ্বান ত্যাগের।

প্রতিবছর এই মাসে সৌদি আরবের পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনায় নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পবিত্র হজ পালন করে থাকেন বিশ্বের লাখ লাখ ইসলাম ধর্মাবলম্বী।

এর আগে সোমবার জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী ৩১ জুলাই সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট।

 

টাঙ্গাইলে চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত কোরবানির পশু রয়েছে ২০ হাজার

কোরবানির পশুর হাট হাতছানি দিচ্ছে। গরু-ছাগল উৎপাদনে বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পুর্ন। এদিকে টাঙ্গাইল জেলাতেও চাহিদার তুলনায় কোরবানির ২০ হাজার অতিরিক্ত পশু রয়েছে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে কোরবানির জন্য ৭৩ হাজার ৫৪৭ পশুর প্রয়োজন। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ২০ হাজার পশু অতিরিক্ত রয়েছে। জেলায় ৯০ হাজার ৪৭৭টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬৪ হাজার ৬২ টি গরু, মহিষ এবং ২৬ হাজার ৪১০ টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৫টি।

গত বছর চাহিদা ছিল ৪৭ হাজার ৫২টি পশু। এর মধ্যে প্রস্তুত ছিল ৪৭ হাজার ৫৩ টি পশু।

এবছর টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৬ হাজার ৬৫ টি, বাসাইলে ১০ হাজার ৫০ টি, দেলদুয়ারে ৩ হাজার ৩৮৬টি, নাগরপুরে ৭ হাজার ৫৮৫টি, মির্জাপুরে ৩ হাজার ৬৯১টি, কালিহাতীতে ৯ হাজার ৯২৩টি, সখীপুরে ১৪ হাজার ১৬১টি, ঘাটাইলে ৫ হাজার ১৯টি, মধুপুরে ২ হাজার ২১৩টি, ভুঞাপুরে ১০ হাজার ৬০২ টি, গোপালপুরে ৪ হাজার ৪৯২টি ও ধনবাড়ি উপজেলায় ৩ হাজার ৩৩৫টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোঃ আব্দুল মোতালেব জানান, এ বছর করোনার কারনে পশুর হাট তেমন জমছেনা। এতে খামারীদের লোকসান হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

জেলায় কোরবানির পশুর হাটে ভেটেরিনারী মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করবে বলে তিনি জানান।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোঃ মাহফুজুল হক বলেন, টাঙ্গাইল সদরে কোরবানির পশুর ১২ হাজার ৩৮ টি চাহিদা থাকলেও প্রস্তুত করা হয়েছে ১৬ হাজার ৬৫ টি পশু। এর মধ্যে রয়েছে ৫ হাজার ২৭২টি ষাড়, ৮১২ টি বলদ, ৭১৩ টি গাভী, ১৩ টি মহিষ, ৮ হাজার ৩৬০ টি ছাগল, ৮৯০টি ভেড়াসহ অন্যান্য ৫টি পশু।

তবে করোনাভাইরাসের কারনে খামারীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে ঈদকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে বিভিন্ন পশুর হাটে গবাদি পশু শুন্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাটে তেমন গরু উঠছেনা। আবার অনেক হাটে দেখা যায় বণ্যার পানি প্রবেশ করায় হাট ব্যবসায়ীরা দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

সদরের তোরাপগঞ্জ হাট ইজারাদার সম্পদ সরকার বলেন করোনাভাইরাসের কারনে হাট জমছে না। এর মধ্যেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে, হাটে পানি উঠেছে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি কম।

তিনি বলেন, অন্যান্য বছর এ সময় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খাজনা আদায় করা হয়ে থাকলেও এ বছর ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খাজনা আদায় হচ্ছে।

টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের বিশিষ্ট মাংস ব্যবসায়ী মো: আসলাম মিয়া বলেন, করোনার কারনে হাটে গরু-ছাগল উঠছেনা। দামও তেমন নেই। এবছর খামারীরা ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে ।

খামারী সোনা মিয়া ও জয়নাল বলেন, গরু পেলে বিপাকে আছি। করোনার কারনে গরুর দাম উঠছেনা। গরু বিক্রি করে খরচ আসবে না। তাই এবছর খামারীদের গরু পেলে তেমন লাভবান হতে পারবেনা।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-