টাঙ্গাইলে তিন ছিনতাইকারী আটক

টাঙ্গাইল শহরের প্যারাডাইড পাড়া ও বেপারী পাড়া এলাকা থেকে তিন ছিনতাইকারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শহরের কলেজ পাড়া এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় গতকাল ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, টাঙ্গাইল শহরের দিঘুলিয়া মধ্য পাড়া এলাকার মৃত প্রদীপ মিয়ার ছেলে মো. কলিং (৩৩), থানা পাড়া এলাকার শহিদুল ইসলাম সজীবের ছেলে মো. সাহেদ (৪০) ও ব্যাপারী পাড়া সিরাজ মিয়ার ছেলে কালা সজীব (৩০)।

এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

টাঙ্গাইল মডেল থানার এস আই মুরাদুজ্জামান বলেন, ১৬ নভেম্বর ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে শহরের কলেজ পাড়া এলাকায় চার ছিনতাইকারী কয়েকজনকে রাস্তা অবরোধ করে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। পরে ওই দিন রাতে ভোক্তভোগী দয়াল হোসেন থানায় অভিযোগ করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে সিসি টিভির ফুটেজ দেখে আমরা প্রথমে পারাডাইজ পাড়া পানির ট্রাংক এর ভিতর থেকে কলিং কে আটক করি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাপারী পাড়া এতিম খানার ভেতর থেকে সাহেদ ও কালা সজীবকে আটক করি।

অপর এক ছিনতাইকারী দক্ষিন থানা পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল জলিল পাগুর ছেলে মো. রফিক পলাতক রয়েছে। তবে খুব দ্রুত তাকেও আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে সাবেক এমপি রানার শুভ কামনায় দোয়া মাহফিল

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বর্তমান সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা ও তার পরিবার সদস্যদের শুভ কামনায় ঘাটাইল পৌর যুবলীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধার পর ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড অটো মাহিন্দ্র শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আজ ১৮ই নভেম্বর। ২০১২ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সংসদ সদস্য মতিউর রহমানের মৃত্যুতে এক উপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে আমানুর রহমান খান রানা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই দিনটিকে আমানুর রহমান খানের অনুসারী ও সমর্থকরা বিশেষ গুরুত্ব সহকারে স্মরণ করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ অনুষ্ঠিত হয় এই বিশেষ দোয়া মাহফিল।

দোয়া পরিচালনা করেন ঘাটাইল সদর বাসস্ট্যান্ড মসজিদের মুয়াজ্জিন আমান উল্লাহ।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আজিজুল ইসলাম রুনু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শাহরিয়ার হোসেন মানিক, ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন আহব্বায়ক রকিবুল হাসান মানিক, উপজেলা যুবলীগ সদস্য এম ডি ইকবাল হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আরিফ শেখ, ছাত্রলীগ নেতা তুহিন শেখ, পৌর যুবলীগ নেতা ইয়াসিন, জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সালেহ আহমেদ সোহাগ, ছাত্রলীগ নেতা গোলাপ তালুকদার, করিম মিয়া, পরান বাবু, রাসেল মিয়া, আলামিন শেখ, শাকিল আহমেদ, রবিউল ইসলাম মুন্না, জুয়েল আহমেদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় পৌর যুবলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আমানুর রহমান রানা ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আতাউর রহমান খান ও মাতার নাম ফাতেমা রহমান খান। আতাউর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। এই দম্পতির পাঁচ পুত্রের মধ্যে রানা দ্বিতীয়, অন্যরা হলেন টাঙ্গাইলের সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম আমিনুর রহমান খান বাপ্পী, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

মির্জাপুরে মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টায় বাবাকে অর্থদণ্ড

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেয়ার প্রস্তুতিকালে বাবা ভাষাণ চন্দ্র মণিকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) সকালে মির্জাপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাণ্ঠালিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে এ অর্থদণ্ড করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেন।

জানা যায়, স্থানীয় একটি স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থীকে বুধবার বর পক্ষের হাতে তুলে দেয়ার কথা ছিল। সেই মোতাবেক আয়োজন চলছিল । কিন্তু বর পক্ষ কণের বাড়িতে পৌছানোর আগেই বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে সমাজে সচেতনতার ঘাটতি রয়েছে। ফলে অনেক অভিভাবক তাদের মেয়েকে অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দিয়ে নিজেদেরই ক্ষতি করে বসেন। বাল্যবিয়ে রোধে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

টাঙ্গাইলে সাবেক ডেপুটি স্পীকার হুমায়ুন খান পন্নীর জন্মদিনে দোয়া মাহফিল

টাঙ্গাইলের করটিয়ায় আলোচনা ও দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পীকার মরহুম হুমায়ুন খান পন্নীর ৯৮তম জন্মদিন উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার (১৮ নভেম্বর) সকালে করটিয়া এলাকাবাসীর আয়োজনে মসজিদ রোড ফুড গার্ডেনের সামনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মরহুম হুমায়ুন খান পন্নীর বড় মেয়ে সোনিয়া খান পন্নী।

সাদ’ত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক ভিপি মনিরুল ইসলাম মিন্টুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাসাইল-সখীপুরের সাবেক এমপি মোরশেদ আলী খান পন্নী টিপু, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হামিদ তালুকদার, সাদ’ত কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সভাপতি সৈয়দ জাদিত হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান উজ্জল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সোলায়মান হায়দার টুটুল।

এসময় পেশাজিবী সংগঠন, এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেন করটিয়ার এলাকাবাসি।

(মোল্লা তোফাজ্জল, ঘাটাইল ডট কম)/-

কাফনের কাপড়ে টাঙ্গাইল ডিসি অফিস কর্মচারীদের কর্মবিরতি

টাঙ্গাইলে কাফনের সাদা কাপড় পড়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মচারীরা ৩ দিন ধরে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করে আসছে।

তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৮ নবেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাষকের কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতি ও অবস্থান সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ মজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ মোতালিব সিদ্দিকী ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসনে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস) এ কর্মসূচির আয়োজন করে। তারা জানান, প্রতিদিন ৯ টা হতে বিকেল ৫ টা পর্যšন্ত এ কর্মবিরতি চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

কর্মবিরতি অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকার পদবি পরিবর্তন সংক্রান্ত সার সংক্ষেপ অনুমোদন দিলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির দাবীর প্রেক্ষিতে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করার পর সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির জেলা শাখার উপদেষ্টা মোঃ জয়নাল আবেদীন খান, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, রাজিবুল হাসান, অর্থ সম্পাদক বাবলু মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক ইব্রাহীম, সহ-প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহিলা সম্পাদক ফেরদৌসী রহমান, সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, জামাল উদ্দিন’সহ অন্যান্য সদস্যগণ।

বক্তারা আরো বলেন, আগামী ২২ হতে ২৬ নভেম্বর ২৩ হতে ৩০ নভেম্বর তাদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি পালন করবে। আগামী ৫ ডিসেম্বর আন্দোলনকারীরা ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষনা করবে।

উল্লেখ্য, পদবি পরিবর্তন ও বেতন গ্রেড উন্নীতকরণের দাবিতে এই কর্মবিরতি অব্যাহত রেখেছে তারা।

(রবিন তালুকদার, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে কৃষকদের কৃষি প্রনোদনা ও পূনর্বাসন সামগ্রী বিতরণের উদ্বোধন

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হল রুমে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, কৃষি অফিসার দিলশাদ জাহান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিনা সুলতানা শিল্পী, আনেহলা ইউপি চেয়ারম্যান তালুকদার মো. শাহজাহান, কৃষক লীগের আহব্বায়ক আলমগীর হোসেন বাবু প্রমুখ।

এতে ঘাটাইলের একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নের ৭ হাজার ৯ শত জন কৃষকদের মাঝে বিনামুুল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হবে। আজকে বিতরণ কার্যক্রমের প্রথম দিনে ১০ কেজী গুটি ও ১০ কেজী পটাশ সার পাচ্ছেন ২৮শ জন প্রান্তিক কৃষক।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

যমুনায় চলছে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের মহোৎসব

বর্ষা মৌসুমে যমুনার ভাঙনে গৃহহীন হয়েছে শত শত পরিবার। নদীগর্ভে চলে গেছে হাজার হাজার একর ফসলি জমি। আর শুষ্ক মৌসুমে চলছে অবৈধ বাংলা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। খালি হয়ে যাচ্ছে নদীর তলদেশ। এমনই চিত্র বিরাজ করছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদীতে।

কিছুতেই থামছে না বাংলা ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। এতে করে একদিকে যেমন হুমকিতে পড়ছে দেশের সর্ববৃহৎ স্থাপনা বঙ্গবন্ধু সেতু, অন্যদিকে ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটে যমুনার পূর্বপাড়ের মানুষের।

ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান চালালেও একদিন পার না হতেই অদৃশ্য কারণে আবার সেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সারপলশিয়া, সিরাজকান্দী, লেংড়া বাজার, পাটিতাপাড়া, মাটিকাটা, চিতুলিয়াপাড়া, কষ্টাপাড়া, খানুরবাড়ী, জিগাতলা, বামনহাটা, বাসাইলা, বলরামপুর, তেঘুরিসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বাংলা ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে এক শ্রেণির অসাধু বালুখেকো। এতে করে নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে ফসলী জমি। হুমকিতে রয়েছে বসতভিটা।   স্থানীয় প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান চালালেও একদিন পার না হতেই অদৃশ্য কারণে আবার সেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে বসতভিটা ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। এসবের বিষয়ে কেউ কথা বললেই আসে নানা ধরনের হুমকি। তাই ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পান না। বসতভিটা ও ফলসি জমি রক্ষায় বাংলা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা।

বাংলা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাসরীন পারভীন বলেন, নদী থেকে বাংলা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি কেউ এ ধরনের কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে

যমুনা বিধৌত উত্তরবঙ্গের গেটওয়ে ও দেশের সর্ববৃহৎ বহুমুখী বঙ্গবন্ধু সেতু। এ সেতুসহ ষষ্ঠ বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী (মুক্তারপুর) সেতুর টোল বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। যানবাহনের ধরন অনুযায়ী ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল।

মুক্তারপুর সেতুর টোল বাড়ছে ১০০ ভাগ পর্যন্ত। সে হিসাবে সেতু দুটিতে বর্তমানে আদায় করা হারের ২০ থেকে ১০০ ভাগ পর্যন্ত টোল বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতু পরিচালিত হয় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অধীনে। ১৯৯৭ সালে নির্ধারণ করা হয় বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল হার। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে গড়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বাড়ানো হয়। মুক্তারপুর সেতুর টোল নির্ধারণ করা হয় ২০০৮ সালে।

এবার সেতু দুটির টোল বাড়ছে গড়ে ৪৫ শতাংশ হারে। পাশাপাশি পণ্যবাহী যান ট্রেইলারকে টোলের আওতায় নতুন করে যুক্ত করা হচ্ছে। প্রস্তাবটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১০৯তম বোর্ডসভায় উত্থাপনের কথা রয়েছে।

এদিকে নতুন টোলের হার কার্যকর হলে পরবর্তী ৩ বছর পর পর ৫ শতাংশ হারে বাড়বে। পুনর্নির্ধারিত টোল অনুমোদিত হলে বাড়তে পারে জীবনযাত্রার ব্যয়। যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ির ভাড়া বেড়ে যাবে। গড়ে ৪৫ শতাংশ ভাড়া বাড়লে উত্তরাঞ্চল থেকে বহন করা সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে। টোলের হার বৃদ্ধির উছিলায় কয়েকগুণ গাড়ি-ভাড়া বাড়ানোর শঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক ও সেতু বিভাগের সচিব বেলায়েত হোসেন বলেন, অনেক দিন ধরে সেতুর টোল বাড়ে না। এটি খুব দরকার। তবে সরকারের নীতিনির্ধারণী বিষয় এটি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও অর্থ বিভাগের সম্মতি লাগবে। এখন বোর্ডসভার মাধ্যমে অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে।

সেতুর টোল বৃদ্ধির প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু সেতুতে মোটরসাইকেলের বিদ্যমান টোল ৪০ টাকা। ৫০ ভাগ বাড়িয়ে ৬০ টাকা হচ্ছে। কার ও জিপের মতো হালকা যানবাহনের জন্য নেওয়া হয় ৫০০ টাকা। সেই টোল বেড়ে হবে ৭০০ টাকা। এখানে ৪০ শতাংশ বাড়ছে।

মাইক্রোবাস ও পিকআপ (দেড় টনের কম) হলে ৬০ শতাংশ টোল বেড়ে দাঁড়াবে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। ছোট বাস ৩১ আসন বা এর কমের হলে ৬৫০ টাকা টোল নেওয়া হয়। ৩৮ শতাংশ বেড়ে টোলের হার ধরা হবে ৯০০ টাকা। বড় বাস ৩২ আসন বা তার বেশি হলে এখন নেওয়া হয় ৯০০ টাকা। এখানে ৪৪ শতাংশ টোল বাড়িয়ে ১৩০০ টাকা ধরা হয়েছে।

ছোট ট্রাক দেড় টন থেকে ৫ টনের হলে ৮৫০ টাকা টোল। ৪১ শতাংশ বাড়িয়ে সেই টোল হচ্ছে ১২০০ টাকা। মাঝারি ট্রাক ৫ টন থেকে ৮ টনের হলে ১১০০ টাকার পরিবর্তে ১৬০০ টাকা নেওয়া হয়। ৮ টনের বেশি ওজনের বড় ট্রাকের বর্তমান টোল ১৪০০ টাকা। এটি ৪২ ভাগ বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হচ্ছে।

নতুন করে টোলের আওতায় আসছে পণ্যবাহী যান ট্রেইলার। ৪ এক্সেল পর্যন্ত হলে ৪ হাজার টাকা টোল আর এর বেশি হলে প্রতি এক্সেলে ১৫০০ টাকা যোগ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতায় নির্মিত মুক্তারপুর সেতুর টোলের হারও পুনর্নির্ধারিত হচ্ছে। এ সেতুতে বর্তমানে তিন চাকার ভ্যান বা মোটরসাইকেল পারাপারে ১০ টাকা টোল নেওয়া হয়। এটি বেড়ে হবে ২০ টাকা। অর্থাৎ ১০০ ভাগ বাড়ছে।

এ ছাড়া সিএনজি অটোরিকশা ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা, কার/জিপ ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, মাইক্রো/ টেম্পো/পিক-আপ ৪০ টাকা থেকে ৮০ টাকা টোল ধার্য করা হচ্ছে। এ ছাড়া ছোট বাস ১০০ টাকার পরিবর্তে দিতে হবে দেড়শ, বড় বাস হলে ২০০ টাকার পরিবর্তে গুনতে হবে ৩০০ টাকা। এ ছাড়া ছোট ট্রাকের ক্ষেত্রে ১৫০ টাকার বর্তমান টোল বেড়ে হবে ২০০, মাঝারি ট্রাক হলে ২০০ টাকা বাড়িয়ে ৪০০; বড় ট্রাকের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকার টোল গুনতে হবে ৬০০ টাকায়।

মুক্তারপুর সেতুতেও ট্রেইলারের জন্য নতুন করে টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে ৪ এক্সেল পর্যন্ত ১ হাজার টাকা আর বেশি হলে এক্সেলপ্রতি ৭৫০ টাকা যুক্ত হবে। এবার নতুন টোলের হার কার্যকর হলে পরবর্তী ৩ বছর পর পর সেতু দুটির টোল হার ৫ শতাংশ হারে এবং ১০-এর গুণীতক হিসেবে বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন সেতু দুটির টোল হার নির্ধারণ হয়েছে ১০ বছর আগে। বিদ্যমান টোলহার, ট্রাফিক পূর্বাভাস, সেতু কর্তৃপক্ষের আয়-ব্যয়, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, ডেবিট সার্ভিস লায়াবিলিটি (ডিএসএল) পরিশোধের স্বার্থে টোল বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। সেতু দুটির টোলের অর্থ দিয়েই চলে সেতু কর্তৃপক্ষের ব্যয়।

ডিএসএল বাবদ প্রতিবছর প্রায় ২৩০ কোটি টাকা পরিশোধ করছে সেতু কর্তৃপক্ষ। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তনে এর মাত্রাও বাড়ে। তা ছাড়া টোল থেকে আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট এবং নিট আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ হারে আইটি পরিশোধ করে সংস্থাটি। তা ছাড়া গত অর্থবছরে সংস্থার উদ্বৃত্ত ৪০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত দুটি প্রকল্প, সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ব্যয় বহন করা হয় টোল থেকেই। এ জন্য গড়ে ৪৫ শতাংশ টোলের হার বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। তা ছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতু দিয়ে ৪ এক্সেল এবং তার অধিক এক্সেলবিশিষ্ট ট্রেইলার পারাপার হচ্ছে। শ্রেণিবিন্যাস না থাকায় বড় ট্রাক হিসেবে টোল নেওয়া হয়। এ জন্য ট্রেইলারকে একটি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করে এক্সেলভিত্তিক ভাড়া নির্ধারণের যুক্তি তুলে ধরেছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, এর আগে সেতুর টোল বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়েছিল। এর জবাব মেলেনি।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

সাকিবকে নিয়েই কেন বিতর্ক?

সাকিব শচিন টেন্ডুলকের চেয়ে নিশ্চয়ই বড় তারকা নয়। শচিনকে এক সময় ব্রাডমানের সঙ্গে তুলনা করা হতো। অথচ খেলোয়াড়ি জীবনে কিম্বা অবসরে যাওয়ার পর তার সম্পর্কে কোনো রটনা, কোনো কেচ্ছা কিম্বা কোনো স্ক্যান্ডাল শুনেছেন কেউ? তিনি হিন্দুস্থানের শুধু নয় ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ গুলোতে একজন লিভিংলিজেন্ড।

ছোট্ট একটি দেশ বাংলাদেশ। ক্ষুধা, দারিদ্র, বন্যা, খরা মহামারি যে দেশের বিধিলিপি, সেরকম একটি দেশের আলো বাতাসে বেড়ে ওঠা একটি ছেলে, এখন নিজের প্রচেষ্ঠা কিম্বা গুরুদের প্রচেষ্টায় হয়ে উঠেছেন বিশ্বসেরা। ও এদেশের গর্ব। কিন্ত সেটা কি ও ধারন করতে পেরেছে না কি পারছে।

কথায় আছে বড় হলে মানুষ বিনয়ী হয়। ফলবান বৃক্ষ নুইয়ে পড়ে। কিন্ত সাকিব কেন এমন উল্টোটা হলো?

বলছিলাম শচিনের কথা। শচিনের রেকর্ড বুক কখনো সাকিব ছুঁতে পারবে কি না,সেটা ভবিষ্যতই বলবে, কিন্তু তার কাছ থেকে কি খেলোয়াড়ি আচরণ সাকিব কিছুই শিখেনি।

সাকিব হচ্ছে, একটি দুষ্টু গাভি। যে ভালো দুধ দেয়, কিন্ত, দুধ দোয়াতে গেলে গোয়ালিনিকে চাট্টি মারে, প্রতিবেশীর জমির ফসল মাড়ায়। ফলশ্রুতিতে সেই গাভিকে প্রায়শ বন্দি থাকতে হয়।

তার খেলোয়াড়ি জীবনে কতবার যে সে তার আচরন দিয়ে নিজেকে বির্তকিত করেছে তা গুনে শেষ করা যাবে না। কিন্তু কেন, তার জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেট বার বার বিশ্বে শীরোনাম হচ্ছে। তাকে সমঝে চলতে বলার কি কেউ নেই! সত্যি বলতে কি নেই।

কারন হচ্ছে.. আমরা হচ্ছি অল্পতে তুষ্টু জাতি। সাকিব কিন্তু এমন না যে আমাদের একটি বিশ্ব শীরোপা ঘরে এনে দিয়েছে। এমনকি একটি দক্ষিন এশিয় শ্রেষ্টত্ব আমরা এখনো তার আমলে পাইনি। কিন্ত সে নিজের ব্যক্তিগত পারফর্মেন্সে সেরা বলে আমরা তাকে মাথায় তুলে নাচছি।

অথচ একটা জাতির অর্জন হওয়া উচিৎ হচ্ছে সেই জাতি সম্মিলিতভাবে কি এচিভ করলো.. আমরা সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি সেটা ছিলো বিংশ শতাব্দির বড় অর্জন। এই শতকে আমাদের আর কোনো বড় অর্জন আমি দেখি না।

সাকিব, তামিম, মুশফিক যারা এই প্রজন্মের প্রতিভাবান ক্রিকেটার, তাদের হাত ধরে আমরা আরো একটা বৈশ্বিক সাফল্য পেতে পারতাম। কিন্ত আমরা তা অর্জনে ব্যার্থ হয়েছি,হচ্ছি।

কারন, এসব খেলোয়াড়রা যখন নিজেদের পারফর্মেন্স নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে.. তখনি আমরা আমাদের সরকার তাকে নিজের সম্পত্ত্বি মনে করে লোভ দিয়ে তাদের কিনে নিচ্ছে.. যেমন উদাহরন হিসেবে সাকিবের কথাই ধরা যাক। সে ভালো পারফর্মার বলে প্রধানমন্ত্রী তাকে নিজ দলে ভিড়িয়েছেন, হরহামেশা তার খবর নিচ্ছেন, তাকে গণভবনে ডেকে নিয়ে নিজ হাতে রান্না করে খাওয়াচ্ছেন.. অথবা তার বাসায় রান্না করে পাঠাচ্ছেন। সেটা আবার ফলাও করে প্রচারও করছেন।

একজন প্রমিজিং পারফর্মারের মাথা নষ্ট করার জন্য এর চেয়ে আর কি লাগে! সাকিবের বয়স আর কতইবা! সে তো এই দেশের সন্তান। খেই হারাতে এটাই কি যথেষ্ঠ নয়!

অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিম্বা ইন্ডিয়ার কোনো একজন খেলোয়াড়কে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী কবে কতবার তার বাসভবনে ডেকে নিয়েছেন.. আছে কি কোনো নজির। হ্যা। কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আগে অথবা সেই টুর্নামেন্ট জিতে আসার পরে সেই দেশের সরকার তাদের রিসিপশন দেয়, এটা একটা প্রথাগত বিষয়। কিন্তু ইনডিভিজুয়াল কাউকে এমনভাবে সরকার প্রধান বিশেষ খাতির যত্ন করেছেন, এটা বোধ করি বাংলাদেশেই সম্ভব।

দুই

প্রধানমন্ত্রী আমাকে পুছে, আমি কি হনুরে.. এটাই এখন সাকিবের মাথায় ঘুরছে.. না হলে সে এত এতবার খামখেয়ালিপনা করে কিভাবে। জুয়াড়ীদের সাথে সস্পর্ক রাখার কারনে এক বছরের নিষেধাজ্ঞার খড়গ মাথার ওপর থেকে উঠতে না উঠতেই তিনি জস্মদিলেন কিছু অনাকাংখিত ঘটনার জন্ম দেন। যেটা কোনোভাবেই তার জন্য দরকার ছিলোনা।

সাকিবের বউ বাচ্চা যুক্তরাষ্ট্রে থাকে। নিষেধাজ্ঞার বেশীরভাগ দিনগুলি সে সেখানে কাটিয়েছেন। কিন্ত এই করোনা মহামারি্র সময় তিনি দেশে ফিরলেন গভীর রাতে। পরদিন গেলেন একটি বানিজ্য বিতান উদ্বোধনে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি এখন বিশ্বের মধ্য সবচেয়ে ভয়াবহ। কিন্ত চৌদ্দদিনের কোয়ারেন্টিন তো দুরের কথা একটা দিনও থাকলেন না, একান্তে। তার দুদিন পর ঘটা করে গেলেন বাইরোডে কলকাতা পুজা উদ্ধোধন করতে।

সাকিব হচ্ছেন এ প্রজন্মের আইকন, দেশের অ্যামবেসেডর। তিনি যদি এ ধরনের আচরণ করেন, তবে তা নিয়ে তো প্রশ্ন উঠবেই!

সাকিব, এখন কেবল একজন সাকিব নন, তার ভক্ত অনুসারী, অনুগামীর সংখ্যা অগুনতি। তার তো নিজ থেকেই আরো দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়া উচিৎ ছিলো। কিন্তু তিনি কি সেটা একবারও ভেবেছেন? না কি নিতে পারছেননা, কিম্বা ধারণ করতে পারছেননা এই ইমেজ।

তিনি কি খ্যাতির বিড়ম্বনার শিকার! আমি জানিনা। তার কি কোনো পরামর্শক নেই, যারা তাকে বলে দেবে কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ হবে তার জন্য.. পৃথিবীর তাবৎ সেলিব্রেটির জন্য তো এমন কিছু বাতলে দেয়ার জন্য একজন পরামর্শক থাকে!

সাকিবের নাই কেন? নাকি আছে, আমি জানিনা, থাকলে তাকে নির্ঘাৎ ছাগল বলবো!

পুজো টুজো, উদ্ধোধন নিয়ে আমার কোনো বিকার নেই। সেটা তার সস্পুর্ন নিজের ব্যাপার। কারো ব্যক্তিগত জীবনাচরন নিয়ে অামার কোনো মাথাব্যথা নেই, কখনো ছিলোনা।

কিন্তু কোনো এক ব্যক্তির ভয়ে সাকিব যখন, জড়ো সড়ো হয়ে ক্ষমা চান, তখন আমার হাসি পায়, তখন সাকিবের প্রতি করুনা হয়, এমন ঋজুহীন ব্যক্তিত্ব সে। যে নিজের কাজকে জা্ষ্টিফাই করতে দ্বিধান্বিত থাকে, তাকে অন্তত, সৎ মানুষ বলা যায়না।

সাকিব, এই কালিপুজা উদ্ধোধন নিয়ে চাতুরতার আশ্রয় নিয়েছে, সে নিজমুখে বলেছে সে প্রদিপ প্রজ্জ্বলন করেছে, উদ্ধোধন করেনি, প্রদিপ প্রজ্জ্বলন মানেই তো, উদ্ধোধন, সব জায়গায় কি ফিতে কাটতে হয়! এটাকি তার চাতুরতা নয়!

সে কি ঋজু ঢঙে বলতে পারতোনা, আমি যা করেছি, সেটা ঠিক করেছি, তুমি বলার কে? সে পারেনি সেটা বলতে! কারন তার সেই সৎ সাহস নেই!

যে কিনা ভার্চুয়ালী কারো হুমকীতে নিজেকে গূলিয়ে ফেলেছে.. এই ডিজঅনেষ্ট সাকিবকে তাই, শুধুই করুনাই করা যায়, আইডল মানা যায় না! সরি সাকিব সরি!

সাকিবের প্রিয় পত্রিকা লিখেছে, বিগব্যাশ খেলা হচ্ছেনা, সাকিবের। কেন,অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের এথিকস কমিটি মনে করছে, সাকিব অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটের জন্য ক্ষতিকর। এরপরে আর সাকিবের গুনগান কে করবেন?

(মুজতবা খন্দকার, ঘাটাইল ডট কম)/-