এলেঙ্গায় ভুয়া ডিবি পুলিশ আটক

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জাহিদ শেখ নামে এক ভুয়া ডিবি পুলিশকে আটকের পর এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

আজ  বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে পৌলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ওই ব্যক্তি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার কফিল শেখের ছেলে।

এ ব্যাপারে এলেঙ্গা হাইওয়ের সার্জেন্ট সজিব হোসেন জানান, বেশ কয়েকদিন যাবৎ ওই এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের নেশাদ্রব্য সেবন করানোসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতো জাহিদ।

আজকেও সে একই কাজ করছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে হাইওয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কালিহাতী থানায় সোপর্দ করে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

টাঙ্গাইলে নিম্ন আয়ের মানুষ কাঙ্খিত সবজি কিনতে পারছেনা

টাঙ্গাইলে বন্যার পর শীতের আগাম সবজি আসা শুরু করলেও বাজারে দাম আকাশছোঁয়া। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ কাঙ্খিত সবজি কিনতে পারছেনা। সরকারের বেঁধে দেওয়া ৩০ টাকা কেজির আলু ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

সরেজমিনে বুধবার (১৪ অক্টোবর) টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজার, ছয়আনি বাজার, সাবালিয়া, সাবালিয়া বটতলা, বটতলা, বৈল্যা, বউ বাজার, আমিন বাজার(গোডাউন বাজার), বাসস্ট্যান্ড বাজার ঘুরে জানা যায়, এক বাজারের তুলনায় অন্য বাজারে সবজির দামে পার্থক্য রয়েছে। এসব বাজারে সরকারের বেঁধে দেওয়া ৩০ টাকা কেজির আলু ৫০-৫৫ টাকায় (রাজশাহী) বিক্রি হচ্ছে।

বগুড়ার আলু ৪০-৪৫টাকা, শিম ১০০, পেঁয়াজ ৮৫, কাঁচা মরিচ ২৪০, বেগুন ৭০, করলা ১০০, পটল ৬০, শশা ৫০, ঢেঁড়স ৬০, বরবটি ৮০, বগুড়ার মূলা ৫০, পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জয়পুরহাটের কচুঁ লতা প্রতি আটি ৫০টাকা, বগুড়ার মিষ্টি লাউ ৩৫ টাকা কেজি, ফুলকপি ৮০, বাঁধাকপি ৬০, চিচিংগা ৬০, ধন্দুল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া লাল শাক ৬০ টাকা কেজি, পুঁইশাক প্রতি কেজি ৪০ টাকা, কলমি শাক (চাষকৃত) ৪০-৩৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারবেধে এসব সবজি ২-৪ টাকা কমবেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

বিভিন্ন বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা আবু হানিফ, মো. আসিফ মিয়া, শাহাদত হোসেন, মোহাম্মদ আলী, নিতাই চন্দ্র দাস, আব্দুল্লাহ মিয়া, মো. আনিছুর রহমান, ফজলুর রহমান সহ অনেকেই জানান, তারা শহরের পাইকারী বাজার পার্কবাজার থেকে কাঁচমাল কিনে এনে বাজারে বিক্রি করে থাকেন।

পাইকারী বাজারে দাম বেশি থাকায় তারাও সে ধারাবাহিকতায় বিক্রি করছেন। পাইকারী কেনা দামের চেয়ে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে তারা সবজি বিক্রি করেন।

শহরের পার্কবাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেন, আবু সাইদ, আব্দুল কদ্দুছ, আব্দুর রশিদ, রেজ্জাক মিয়া সহ অনেকেই জানান, তারা রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, মানিকগঞ্জের ঝিটকা, পাবনা সহ দেশের বিভিন্ন মোকাম থেকে মালামাল কিনে এনে টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজারে পাইকারী বিক্রি করেন। মোকামে দাম বেশি থাকায় তারা ইচ্ছে করলেও কম দামে বিক্রি করতে পারেন না।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম জানান, বাজারে নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক তৎপর রয়েছে। দ্রুত বাজার মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

মির্জাপুরে অবৈধপথে আনা দুই কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবৈধপথে ভারত থেকে আনা দুই কাভার্ডভ্যান ভর্তি দুই কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা নামক স্থান থেকে কাভার্ডভ্যান দুটি আটক করা হয়।

অবৈধপথে ভারত থেকে আনা শাড়ি ভর্তি কাভার্ডভ্যানের দুই চালক ও দুই হেলপারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সাতক্ষীরার কলরোয়া উপজেলার দক্ষিণ দিঘনা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক নাজমুল হোসেন (৩০), সাতক্ষীরা সদরের আবুল মোহসীনের ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক আকতারুল ইসলাম (৩৫), সাতক্ষীরা সদরের এরফান আলী গাজির ছেলে হেলপার মশিউর (৪০) এবং সাতক্ষীরা সদরের দিদার উদ্দিনের ছেলে হেলপার নাসির উদ্দিন (৩০)।

এ সময় কাভার্ডভ্যানের দুই চালক ও দুই হেলপারকে গ্রেফতার করে। কাভার্ডভ্যানের ভেতরে গমের বস্তা দিয়ে ঢাকা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মির্জাপুর থানায় জব্দকৃত শাড়ির সিজার লিষ্টের কাজ চলছিল। তবে শাড়ির আনুমানিক মূল্য দুই কোটি টাকার বেশি হবে বলে পুলিশ ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

মির্জাপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান বলেন, জব্দকৃত ভারতীয় শাড়ির সিজার লিষ্টের কাজ চলছে। সিজার লিষ্ট শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া শাড়ির মূল মালিককে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা বাবরের মামলা ৩০ দিনে নিষ্পত্তির নির্দেশ

হাইকোর্ট একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবরের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বিচারিক আদালত পরিবর্তনের আবেদন খারিজ করে বিচারিক আদালতকে আদেশ পাওয়ার সময় থেকে ৩০ দিনের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) এই আদেশ দেন।

ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক আদালতের এ আদেশের কথা জানান।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী এটর্নি জেনারেল মাহজাবিন রাব্বানী দীপা।

আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পারভেজ হোসেন।

এর আগে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের হিসাব বিরণীতে তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি দুদক রমনা থানায় মামলা করে।

এরপর দুদকের উপ-পরিচালক রুপক কুমার সাহা তদন্ত শেষ করে ওই বছরের ১৬ জুলাই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত নং ৭-এ সাক্ষ্য গ্রহন শেষে চলতি বছরের ১ মার্চ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হয়।

আসামিপক্ষের আরজি সাফাই সাক্ষী দেবেন না, তবে লিখিত বক্তব্য দেবেন বলে সময় নেন। লিখিত বক্তব্য না দিয়ে এভাবে পরপর তিনবার সময় নেন তারা।

লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে আদালত পরিবর্তনের আবেদন করা হয়।

হাইকোর্ট বুধবার আবেদনটি সরাসরি খারিজ করেন এবং আদেশ হাতে পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন।

(বাসস, ঘাটাইল ডট কম)/-

রামপালে সঞ্চালন লাইন নির্মাণ অসমাপ্ত রেখে দেশ ছেড়েছে ভারতীয় কোম্পানি

দেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণে প্রথম মেগা প্রকল্প রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানি কেন্দ্রটি নির্মাণ করছে। বহু আলোচিত-সমালোচিত এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সরবরাহের সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজ শেষ না করেই বাংলাদেশ ছেড়েছে ভারতীয় কোম্পানি ইএমসি। ব্যাংকে জমা থাকা পারফরমেন্স গ্যারান্টির টাকাও তুলে নিয়েছে তারা। এ কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ দুই বছরেরও বেশি সময় পিছিয়ে গেছে।

১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রামপাল বিদ্যুেকন্দ্র থেকে বিদ্যুত্ সরবরাহে সরকার যে কয়টি লাইন নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে, তার মধ্যে একটি মোংলা-খুলনা ২৩০ কেভি ডাবল সার্কিট ট্রান্সমিশন লাইন। ভারতীয় কোম্পানি ইএমসির নেতৃত্বাধীন ইএমসি-টিবিইএ যৌথ উদ্যোগকে (জেভি) এ কাজের জন্য নির্বাচিত করে সরকারি সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি।

এ জন্য ইএমসি-বিইএর সঙ্গে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং মার্কিন মুদ্রায় ৮৫ লাখ ১৬ হাজার মার্কিন ডলার দেওয়ার চুক্তি করে পিজিসিবি। চুক্তির আওতায় সঞ্চালন লাইনটির মালপত্র সরবরাহ, প্রয়োজনীয় খনন ও পরীক্ষণ এবং বাস্তবায়নের কাজ করার কথা ভারতীয় কোম্পানি ইএমসি ও চীনা কোম্পানি টিবিইএর।

পিজিসিবি ও প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে পিজিসিবি ও ইএমসি-বিইএর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী পরবর্তী ১৮ মাস, অর্থাত্ ২০১৭ সালের জুনে সঞ্চালন লাইনটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা।

কেন্দ্র থেকে খুলনার হরিনটানা সাবস্টেশন পর্যন্ত লাইনটির দৈর্ঘ্য ২৪ কিলোমিটার। দুই দফা সময়সীমা বাড়িয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু কাজ শেষ না করে ঐ বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যায় নির্মাণকাজের নেতৃত্বে থাকা ইএমসি।

পিজিসিবিকে না জানিয়ে ইএমসি তাদের ঢাকা ও খুলনা অফিস বন্ধ করে দেয় এবং তাদের সব কর্মকর্তা প্রতিনিধি বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির কাজ।

বিদ্যুত্ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ১৮ মাসের কাজ দুই দফা সময়সীমা বাড়িয়ে ৩৬ মাস পর্যন্ত সময় নেয় ইএমসি-টিবিইএ। এই যৌথ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেয় ইএমসি। কাজ এগোচ্ছিল না বলে কয়েক দফা তাদের তাগাদা দেয় পিজিসিবি। কিন্তু কাজ কাঙ্ক্ষিত গতিতে সম্পন্ন হয়নি। নিজেদের পাওনা পিজিসিবির কাছ থেকে বুঝে নিলেও স্থানীয় সরবরাহকারী-ঠিকাদারদের পুরো পাওনা বুঝিয়ে দেয়নি।

এদিকে প্রকল্প শুরুর দিকে পারফরমেন্স গ্যারান্টি এবং ইএআর ইনসিওরেন্স হিসেবে ব্যাংকে জমা দেওয়া চুক্তিমূল্যের ১০ শতাংশ (৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং ৮ লাখ ৫১ হাজার মার্কিন ডলার) অর্থও তারা তুলে নিয়ে গেছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ইএমসির সাড়া না পেয়ে ২০১৮ সালের ২০ ডিসেম্বর চীনা কোম্পানি টিবিইএকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ সরকারের কোম্পানি পিজিসিবি।

চিঠিতে পিজিসিবি বলে, প্রকল্পের পারফরমেন্স গ্যারান্টি (পিজি) এবং ইএআর (ইরেকশন অল রিস্কস) ইনসিওরেন্সের মেয়াদ যথাক্রমে গত ২৬ আগস্ট ও ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হয়ে গেছে। এই পিজি ও ইএআর ইনসিওরেন্সের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য ইএমসিকে দুবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ইএমসি তাতে সাড়া দেয়নি। প্রকল্প এলাকায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না। পুরো কাজের ৭৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। ২৫ শতাংশ বাকি। ঐ সময় পর্যন্ত ৯০ শতাংশ যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে এবং এসংক্রান্ত সব পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, এটি পরিষ্কার যে ইএমসি লিমিটেড ইন্ডিয়া প্রকল্প কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি হিসেবে বাকি কাজ সম্পন্ন করে কাজটি সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়া টিবিইএর দায়িত্ব।

এই চিঠি এবং যোগাযোগের পর কেটে যায় প্রায় এক বছর। এর মধ্যে বিদ্যুত্ খাতের আরো দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পায় টিবিইএ। অন্যদিকে ভারতে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয় ইএমসিকে।

পিজিসিবির এক কর্মকর্তা জানান, মোংলা-খুলনা ২৩০ কেভি ডাবল সার্কিট ট্রান্সমিশন লাইনের বাকি কাজ শেষ না করলে টিবিইএকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে এবং দেশের অন্য কাজগুলোও বাতিল করা হবে এমন বার্তা দেওয়ার পর টিবিইএ বাকি কাজ করে দিতে রাজি হয়। পরে গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে তারা প্রকল্পের অসম্পন্ন কাজ শেষ করতে কাজ শুরু করে। এ জন্য নতুন করে ঠিকাদারদের সঙ্গে চুক্তিও করে। কিন্তু আগের দেশীয় ঠিকাদারদের পাওনা এখনো মেটায়নি। এর ফলে দেশীয় উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাত্, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে যে প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা, তা দুই বছর দুই মাস পর শেষ হচ্ছে। যে কোম্পানি ইএমসির কারণে এই দেরি হলো তার বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিদ্যুত্ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ইএমসি কাজ অসম্পন্ন রেখে যেভাবে বাংলাদেশ ছেড়েছে, তা অশোভনীয় ও অন্যায়। একই সঙ্গে ব্যাবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকেও অনৈতিক।

তাদের সঙ্গে পিজিসিবির করা পিজি এবং ইএআর ইনসিওরেন্সের মেয়াদ যখন শেষ হয়ে যায়, পিজিসিবির কর্মকর্তাদের তখনই উচিত ছিল ব্যাংককে জানানো। প্রকল্প শেষ হয়নি তাই ব্যাংকে রাখা টাকা যেন ইএমসি ওঠাতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক করতে পারত পিজিসিবি। কিন্তু তারা সেটি করেনি। এ জন্য কারা দায়ী তা খুঁজে বের করা দরকার।

এ প্রসঙ্গে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘এ নিয়ে তদন্ত হয়েছে। এ নিয়ে হওয়া অনিয়ম ও গাফিলতি সম্পর্কে পিজিসিবির পরিচালকদের বোর্ড অবহিত আছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী এখন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আর ইএমসি এখন দেউলিয়া হয়ে গেছে। তার পার্টনার টিবিইএর মাধ্যমে কাজ শেষ করানোর ব্যাপারেই আমরা মনোযোগী।’

তিনি বলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি নাগাদ এ সঞ্চালন লাইনের নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাবে। ইএমসির বাকি কাজ অংশীদার হিসেবে টিবিইএ এখন সম্পন্ন করছে। পিজি এবং ইএআর ইনসিওরেন্সের অর্থ টিবিইএ এখন জমা দিয়েছে এবং সেগুলো হালনাগাদ আছে।

২০১৯ সালের মধ্যে রামপাল বিদ্যুেকন্দ্র উত্পাদনে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে কয়েক দফা বেড়েছে এর বাস্তবায়নের সময়। সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ এটি উত্পাদন শুরু করবে।

(ইত্তেফাক, ঘাটাইল ডট কম)/-

দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেলো টাঙ্গাইলের ৩৫৪ পরিবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেলো টাঙ্গাইলের ৩৫৪টি পরিবার।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপকারভোগীদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন টাঙ্গাইলের ডিসি মো. আতাউল গণি।

‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে সুশাসন, নিশ্চিত করবে টেকসই উন্নয়ন’ প্রতিপাদ্যে টাঙ্গাইলের এডিসি আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আনছারী, সদরের ইউএনও মো. সাইদুল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা কাজী গোলাম আহাদ, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

২০১৯-২০ অর্থবছরের কাবিটা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩০, মধুপুরে ২৪, ধনবাড়ীতে ৩০, গোপালপুরে ৩৬, ভূঞাপুরে ৪২, কালিহাতীতে ২৪, ঘাটাইলে ২৪, দেলদুয়ারে ২৪, নাগরপুরে ৪৮, মির্জাপুরে ২৪, বাসাইলে ২৪ ও সখীপুরে ২৪টি পরিবারের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় ঘর দেয়া হয়।

সরকারী বিধিনিষেধ মেনে পূজা উদযাপনে ঘাটাইলে প্রস্তুতি সভা

মহামারী করোনায় সরকারী নিয়মনীতি বেঁধে দেয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে হিন্দু ধর্মালম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব।

এ উপলক্ষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)অঞ্জন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র শহিদুজ্জামমান খান, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাবেক অধ্যক্ষ অধির চন্দ্র সাহা, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা সুলতানা শিল্পি, ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মাকছুদুল আলম প্রমুখ।

প্রস্তুতি বিষয়ে পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাবেক অধ্যক্ষ অধীর চন্দ্র সাহা বলেন আমরা সরকারী নিয়ম নীতির মধ্যদিয়ে পুজা উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছি।

এ সময় ঘাটাইলের বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, পূজা উদযাপন কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

(রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল ডট কম)/-

মির্জাপুরে নির্মিত হলো স্বাধীনতার স্মৃতি ফলক বঙ্গবন্ধু গোল চত্বর

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর পুরাতন বাস স্টেশনে ৫২ বছর পর অবশেষে নির্মিত হলো স্বাধীনতার স্মৃতি ফলক বঙ্গবন্ধু গোল চত্ত্বর।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. একাব্বর হোসেন এমপির নিজস্ব উদ্যোগ, সহযোগিতা ও পরামর্শে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (মির্জাপুর উপ-বিভাগীয় অফিস) প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্বাধীনতার স্মৃতি ফলক বঙ্গবন্ধু গোল চত্ত্বর নির্মাণ করেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকার হিতেশ চন্দ্র পুলক জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৮ সালে মির্জাপুর পুরাতন বাস স্টেশনে বিশাল জনসভায় ভাষণ দিয়ে ছিলেন। ঐ জনসভায় জাতির জনকের ভাষণ শোনার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার নারী পুরুষ এসেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত মির্জাপুরে পুরাতন বাস স্টেশনে স্মৃতি ফলক নির্মিত হয়নি। দীর্ঘ দিন পর স্থানীয় সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও উপজেলা প্রশাসন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি জড়িত মির্জাপুর পুরাতন বাস স্টেশনে চার রাস্তা মোড়ে ফলক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. শামীম আল মামুন বলেন, মির্জাপুর পুরাতন বাস স্টেশনকে ঘিরে জাতির জনকের বহু স্মৃতি জড়িত। জাতির জনকের স্মৃতিকে স্মরণ করে রাখতে দীর্ঘদিন পর হলেও মাননীয় এমপি মহোদয় উদ্যোগ নিয়ে স্বাধীনতার স্মৃতি ফলক একটি গোল চত্ত্বর নির্মিত করে দিয়েছেন। এটা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য মাইল ফলক হয়ে থাকবে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় সহকারী প্রকৌশলী মো. আমিনুল কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মির্জাপুর উপজেলার সদরের কুমুদিনী কমপ্লেক্সের প্রবেশ চত্ত্বরের চার রাস্তা মোড়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টি নন্দন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফলক (গোল চত্ত্বর) নির্মাণ করা হয়েছে। মুক্তি যুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানটিকে আরও আকর্ষণীয় ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সড়কের চারপাশে বিভিন্ন কাজ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক মোস্তাকিম বলেন, স্থানীয় এমপি, মুক্তিযোদ্ধা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহযোগিতায় পুরাতন বাস স্টেশনে স্বাধীনতার প্রতীক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফলক নির্মাণ করা হয়েছে। মাননীয় এমপি মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করা হবে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

জমজমাট টাঙ্গাইলে ঘারিন্দা ইউনিয়নের ভোটযুদ্ধ

আসন্ন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ উপনির্বাচনের ভোটযুদ্ধে নেমেছেন প্রয়াত দুই চেয়ারম্যানের ছেলে। আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন। ভোট দিলেও নৌকা, না দিলেও নৌকার জয়, এমন নানা অপপ্রচার, ভীতি-শঙ্কা আর দলীয় প্রতীকের নির্বাচন হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চার প্রার্থী।

অবাধ, সুষ্ঠু আর নিরপেক্ষ নির্বাচনই নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী প্রার্থী ও ভোটারদের।

জেলা নির্বাচন অফিস জানায়, আগামী ২০ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। এ ইউনিয়নেভোটার সংখ্যা রয়েছে ২৮ হাজার।কেন্দ্রসংখ্যা ১০টি।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমীন খান খোকন। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যানশূন্য এ পরিষদের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে জেলা নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন ইউনিয়নের সদ্যপ্রয়াত তিনবারের চেয়ারম্যান রুহুল আমীন খান খোকনের ছেলে তোফায়েল আহাম্মেদ।

ঘোড়া প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়নের আরেক প্রয়াত ও দুবারের চেয়ারম্যান এসএম আবুল কাশেমের ছেলে এসএম মারুফ হাসান সুমন, আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবুল হোসেন সরকার আবু।

এ ছাড়া বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হয়েছেন সৈয়দ শাহীন।

সরেজমিন নির্বাচনী এলাকা ঘুরে ও স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক তৎপর চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। কাকডাকা ভোর থেকে মধ্যরাত অবধি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের দাবি অবাধ, সুষ্ঠু আর নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচনী এলাকাজুড়ে প্রতিটি প্রার্থীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দেখা গেলেও শুধু বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর কিছু পোস্টার ঝোলানো ছাড়া নেতাকর্মীদের মাঠে তেমন কোন প্রচারণায় দেখা যায়নি।

এ নিয়ে পল্লী চিকিৎসক রমজান আলী, মজনু, খোদেজা বেগমসহ কয়েকজন ভোটার বলেন, উন্নয়ন আর গ্রামবাসীর বিপদে-আপদে যাকে সব সময় পাওয়া যাবে এমন প্রার্থীকেই নির্বাচিত করবেন তারা।

অভিযোগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম মারুফ হাসান সুমন বলেন, গত নির্বাচনে আমার বাবা প্রয়াত চেয়ারম্যান এসএম আবুল কাশেম বিজয়ী হওয়া সত্ত্বেও তাকে ফেল করানো হয়েছিল। বিজয়ী হলে তার বাবা ও ইউনিয়নের প্রয়াত চেয়ারম্যানের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করবেন।

আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হোসেন সরকার (আবু) বলেন, গত নির্বাচনেও আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলাম। ওই নির্বাচনে আমাকে ১৮৬ ভোটে ফেল দেখানো হয়েছে। এবার আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি সুদ, ঘুষ, ধর্ষণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি ইউনিয়ন উপহার দেব।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ শাহীন নির্বাচনী মাঠে প্রচারণা না থাকায় তার বক্তব্য গ্রহণ করা যায়নি।

আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তোফায়েল আহাম্মেদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই। যারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন সেটি ভিত্তিহীন।

টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন, ভোটকেন্দ্রের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দুই প্লাটুন বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য থাকবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম ভেঙে সহকারী প্রক্টর পদে প্রভাষককে নিয়োগ

মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভা‌বিপ্রবি) প্রক্টরীয় নীতিমালা ভেঙে সহকারী প্রক্টর পদে এক প্রভাষককে এক বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য সহকারী অধ্যাপক থাক‌লেও প্রভাষককে প্রক্টর পদে নিয়োগ শিক্ষক‌দের ম‌ধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

গত ১১ অ‌ক্টোবর মাভাপ্রবির রে‌জিস্ট্রার ড. মো: তৌ‌হিদুল ইসলা‌মের স্বাক্ষ‌রিত বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক শাহীন মাহমুদকে সহকা‌রী প্রক্টর প‌দে নি‌য়োগ দেওয়া হয়।

মাভাবিপ্রবির প্রক্টরীয় নীতিমালা উল্লেখ করা আছে, ‘মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ অনুযায়ী এই নীতিমালা প্রক্টরীয় নীতিমালা বলে গণ্য হবে। ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের নূন্যতম সহযোগী অধ্যাপকবৃন্দের মধ্য হতে প্রক্টর নিয়োগ ও সহকারী অধ্যাপকবৃন্দের মধ্য হতে সহকারী প্রক্টর নিয়োগ করবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন বলেন, নিয়মব‌হির্ভূতভা‌বে একজন প্রভাষক‌কে সহকা‌রী প্রক্টর প‌দে নি‌য়োগ দেয়া হ‌য়ে‌ছে। যা বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের নী‌তিমালায় প‌ড়ে না। অ‌নেক‌ক্ষে‌ত্রে এ ধর‌নের অ‌নিয়‌মের বিষয়‌টি শিক্ষক স‌মি‌তি থে‌কে লিখিভা‌বে অ‌ভি‌যোগ ক‌রলেও কর্তৃপক্ষ আম‌লে নেয় না।

মাভাপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নি‌বে সেটাই কার্যকর হ‌বে। এছাড়া যি‌নি ক‌্যাম্পা‌সে সার্বক্ষণিক থা‌কেন তা‌কেই দা‌য়িত্ব দেয়া হ‌য়ে‌ছে।

ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন ব‌লেন, সহকা‌রী প্রক্টর নি‌য়ো‌গে তেমন কোন নিয়ম নেই। বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের যে‌কোন শিক্ষক‌কে প্রক্টর নি‌য়ো‌গ দেয়া যে‌তে পা‌রে। এ‌ক্ষে‌ত্রে অধ‌্যাপক বা সহ‌যো‌গী অধ‌্যাপক লা‌গে না।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-