করোনা আক্রান্ত তাহসান

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। গত ছয় দিন ধরে জ্বর ঠাণ্ডায় ভুগছিলেন তিনি।

জানা গেছে, নির্মাতা ইমরুল রাফাতের শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহসান। অবস্থা আরও গুরুতর হলে তিন দিন আগে করোনা টেস্ট করান। পরে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। টেস্টের রেজাল্ট পাওয়ার পর থেকেই আইসোলেশনে আছেন তাহসান।

পরিচালক মাবরুর রশিদ বান্নার একটি নাটকে টানা পাঁচ দিনের শুটিং সিলিউল দেওয়া ছিল। বর্তমানে শুটিং ও সব কাজ বাতিল করেছেন এ তারকা।

গান দিয়ে লাখো শ্রোতার হৃদয় জয় করেছেন তাহসান খান। কেবল সংগীতশিল্পী হিসেবে নয়, অভিনেতা হিসেবেও যথেষ্ট সুনাম ও জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তাহসান শেষ করেছেন ‘হ্যালো বেবী’ শিরোনামের একটি নাটকের শুটিং। এটি ভালোবাসা দিবসে প্রচার হবে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড হচ্ছে

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন যে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করতে এ সংক্রান্ত আইন সংশোধন করা হচ্ছে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বলেন, সোমবারই মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে আইনটির সংশোধনী প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয়ার পরে আইনের সংশোধনী মন্ত্রিসভায় তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত বাংলাদেশের নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের পর থেকে গত কয়েকদিন ধরে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি উঠেছে প্রতিবাদ সমাবেশগুলো থেকে। কয়েকদিন ধরে ঢাকাসহ দেশটির বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ থেকে এ দাবি উঠলেও এ নিয়ে নানা বিতর্কও আছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বরাবরই মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে নয়। তারা বরং বলছে, আইনে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবনের যে সাজা এখন আছে, সেটারই প্রয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বলেই এ ধরণের অপরাধ বাড়ছে।

বুধবারই আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করার দাবি সরকার বিবেচনা করছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর সেটিই চূড়ান্ত ভাবে ঘোষণা করলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের কাছে জানতে চাওয়া হয়, দেশে ধর্ষণের মতো অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে কিনা?

জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘বিবেচনা না। আমরা শাস্তি বৃদ্ধি করবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল (৭ অক্টোবর) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, ধর্ষণ অপরাধের সাজা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া (আইন সংশোধন) শুরু করার জন্য। তাই সাজা বাড়াতে আইন সংশোধন করার যে প্রক্রিয়া তা আমরা শুরু করে দিয়েছি।’

বাংলাদেশ সংবিধানে ধর্ষণের সংজ্ঞা

যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতি ছাড়া বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করে, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলে গণ্য হবেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, এর ৯ ধারা মতে সাজাসমুহঃ

৯(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষিতা নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তা হলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অন্যুন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তা হলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অন্যুন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-

(ক) ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন;

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষিতা হন, তা হলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষিতা নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়ী ছিলেন, তিনি বা তারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।

বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। পৃথিবীর অন্য কয়েকটি দেশে এই অপরাধের সাজা কী তা জেনে নেওয়া যাক।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

নাগরপুরে স্কুলছাত্রীর গলায় ছুরিকাঘাত, আদালত ও থানায় ২ মামলা

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে এক স্কুলছাত্রীর গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করার ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মাদরাসা ছাত্র মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে মামলা দুটি দায়ের করেছেন।

৬ অক্টোবর থানায় ও ৭ অক্টোবর আদালতে মামলা দুটি করা হয়। তবে পুলিশ এখনও মতিউরকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

ছাত্রীর বাবার অভিযোগ, গেল ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মতিউর তার মেয়ের ঘরে ঢুকে কুপ্রস্তাব দেয় ও ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে মতিউর তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে গলায় ও ঘাড়ে আঘাত করে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর সেলাই দেয়া হয় ২৫টি।

তিনি বলেন, ঘটনার পরেরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দেই। ২২ দিন পাড় হলেও পুলিশ মামলা না নেয়ায় সুবিচারের জন্য গেল ৭ অক্টোবর আদালতে মামলা দায়ের করেছি।

তবে নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলম চাঁদ স্কুলছাত্রীর বাবার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর গেল ছয় অক্টোবর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামীকে গ্রেপ্তারে তিনটি টিম কাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি আসামীকে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে গেল ১৪ সেপ্টেম্বর এক স্কুলছাত্রীর গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করে মতিউর রহমান নামে এক মাদরাসাছাত্র। এসময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে গেলে মতিউর পালিয়ে যায়। পরে তাকে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। জেনারেল হাসপাতালে তিন দিন ভর্তি রেখে চিকিৎসা নেয় ওই ছাত্রী। আর এ আঘাতের কারণে ২৫ টি সেলাই দেয়া হয় গলা ও ঘাড়ে। ক্ষত নিয়ে যন্ত্রণায় দিন কাটছে ওই ছাত্রীর।

(কামাল হোসেন, ঘাটাইল ডট কম)/-

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল বিএনপি’র বিক্ষোভ

নোয়াখালী বেগমগঞ্জ ও সিলেট এমসি কলেজসহ দেশব্যাপী নারী ও শিশুদের অব্যাহত ধর্ষণ এবং অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির উদ্যোগে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালের নেতৃত্বে মানববন্ধনে অংশ নেয় যুবদল, মহিলাদল, শ্রমিকদল, তাঁতীদল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, মাহমুদুল হক সানু, জিয়াউল হক শাহীন, যুগ্ম-সম্পাদক আবুল কাশেম, আনিসুর রহমান আনিস, খন্দকার রাশেদুর আলম, মেহেদী হাসান আলীম, সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদ তালুকদার, আশরাফ পাহেলী, শফিকুর রহমান শফিক, প্রচার সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকন্দ, মহিলা দলের সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালেহ মোহাম্মদ শাফী ইথেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় জেলা কৃষক দলের সভাপতি দিপু হায়দার খান, তাঁতীদলের সভাপতি শাহ্ আলম, জাসদের সভাপতি বজলুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক বাবু, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এড.জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফাসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, এ ধরনের পৈচাশিক ঘটনা বন্ধে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহবান জানাই। সবাইকে রাস্তায় নেমে আসতে হবে। সরকারকে জানান দিতে হবে এভাবে আর চলতে পারে না। এই সরকারের কাছে মা-বোন সুরক্ষা পাচ্ছেন না। কেন আমার মা-বোনরা একে একে ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, শ্লীলতাহানির শিকার হচ্ছেন।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

ভেঙে ফেলা হয়েছে আবরারের স্মরণে ঢাকায় নির্মিত আগ্রাসন বিরোধী স্মৃতিস্তম্ভ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েটে ছাত্রলীগের সদস্যদের নির্যাতনে মারা যাওয়া আবরার ফাহাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকার পলাশী মোড়ে তৈরি করা স্মৃতিস্তম্ভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙ্গে দেয়া নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যুর প্রথম বার্ষিকীতে ‘আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদ’-এর ব্যানারে মঙ্গলবার রাতে পলাশী মোড়ে ঐ স্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ‘আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ’ নামের এই স্থাপনাটি বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে ফেলার পর, কারা এটি ভেঙ্গেছে তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নিশ্চিত করেছে, তাদের উদ্যোগেই স্থাপনাটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

যে কারণে ভেঙ্গে ফেলা হল স্থাপনা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের নিশ্চিত করেন যে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষই ঐ স্থাপনাটি ভেঙ্গে ফেলেছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নেয়ার কারণেই স্থাপনাটি সিটি কর্পোরেশন ভেঙ্গে ফেলেছে বলে জানান মি. নাসের।

তিনি বলেন, “ফুটপাতে, রাস্তায়, পাবলিক প্লেসে এরকম স্থাপনা নির্মাণ করতে চাইলে সিটি কর্পোরেশনের কাছে শুরুতে অনুমতি পত্র দিতে হয়। এরপর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদসহ কয়েকজন কর্মকর্তাকে নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করে সিটি কর্পোরেশন।”

“এরপর যারা স্থাপনা নির্মাণ করতে চায় তাদের ঐ কমিটির সামনে একটি প্রেজেন্টেশন দিতে হয়। এসবের ভিত্তিতে কমিটি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে ঐ স্থাপনাটি তৈরি করার অনুমতি দেয়া হবে, কি না।”

তবে পলাশীর মোড়ে মঙ্গলবার রাতে স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপন করার ক্ষেত্রে এরকম কোনো পদক্ষেপই মানা হয়নি বলে জানান জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের।

এছাড়া পলাশীর মোড়ের ঐ ‘রাউন্ডঅ্যাবাউট’ বা গোলচত্বরের ওপর কোনো ধরণের স্থাপনা তৈরি করলে যান বাহন চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে বলে জানান মি. নাসের।

স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপনের সাথে যুক্ত, বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা আখতার হোসেন নিশ্চিত করেন যে স্তম্ভ নির্মাণের আগে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে এই স্তম্ভ ভেঙ্গে দেয়া হলেও ঢাকার বাইরে আরো কয়েকটি জেলায় আবরারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে স্তম্ভ নির্মাণ করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

লতিফ সিদ্দিকীর স্ত্রী-পুত্র ও কন্যার বিরুদ্ধে এবি ব্যাংকের মামলা

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর স্ত্রী লায়লা সিদ্দিকী, পুত্র অনিক সিদ্দিকী ও কন্যা রায়না সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বেসরকারি এবি ব্যাংক।

এদের মধ্যে লতিফ সিদ্দিকীর স্ত্রী লায়লা সিদ্দিকী ব্যাংকটির কারওয়ান বাজার শাখার ঋণখেলাপি ধলেশ্বরী লিমিটেড এবং ম্যাজেস্টিকা হোল্ডিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান পুত্র অনিক সিদ্দিকী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং কন্যা রায়না সিদ্দিকী পরিচালক। তাদের বিরুদ্ধে চেক ডিসঅনারের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো এবি ব্যাংক লিমিটেডের ঢাকা কারওয়ান বাজার শাখা থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করায় এ মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে, গত রোববার (৪ অক্টোবর) ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

জানা যায়, এরপর ঢাকা গুলশান থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে আসামিদের ঠিকানায় যান। কিন্তু আসামিদের না পেয়ে লতিফ সিদ্দিকীর সঙ্গে গুলশান থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কথা হয়। সে সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার স্ত্রী, ছেলে এবং মেয়ের মামলাটি দ্রুত মিটিয়ে ফেলার তাগিদ দেন। অন্যথায় আবারও আসামিদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে তাকে জানানো হয়।

এবি ব্যাংকের দাবি, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে তাদের কারওয়ান বাজার শাখার ৬০ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে। উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট এবি ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখা পাওনা ৬০ কোটি টাকা খেলাপী ঋণ রয়েছে। এছাড়াও সরকার খাত জনতা ব্যাংক এবং বেসরকারি খাত পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড (সাবেক ফারমার্স ব্যাংকের নিকট) বিপুল অংকের খেলাপী ঋণ রয়েছে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

করোনা সংক্রমণের ৭ মাসে মৃত্যু ৫৪৬০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ১ হাজার ৪৪১ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময় করোনায় আক্রান্ত আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত মানুষের মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫৯২। করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৬০। মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৮৮ হাজার ৩১৬ জন।

দেশের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। ওই ২৪ ঘণ্টায় মোট ১২ হাজার ৬০৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। আজ দেশে সংক্রমণের সপ্তম মাস পূর্ণ হয়েছে।

আজ দেওয়া তথ্যে গতকালের চেয়ে নতুন রোগীর সংখ্যা, মৃত্যু ও শনাক্তের হার কমেছে। গতকাল ১ হাজার ৫২০ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত নতুন রোগী শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ছিল ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ।  মৃত্যু হয়েছিল ৩৫ জনের।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম শনাক্তের খবর জানানো হয়। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ করোনায় দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে সরকার।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশ কিছুদিন ধরে সংক্রমণের হার নিম্নমুখী হলেও এখনো তা স্বস্তিকর মাত্রায় আসেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা নির্দেশক অনুযায়ী, কোনো দেশে শনাক্তের হার টানা তিন সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে ধরা যায়। সে হিসাবে দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা না আসা পর্যন্ত নতুন এই ভাইরাস প্রতিরোধের অন্যতম উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। স্বাস্থ্যবিধির মধ্যে আছে বাইরে বের হলে মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবানপানি দিয়ে হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এবং লোকসমাগম এড়িয়ে চলা। এই সব কটি একসঙ্গে মেনে চলতে হবে। কিন্তু এখন স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে শিথিলতা দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার যেকোনো সময় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

কালিহাতীর বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান পাকিরকে হয়রানির অভিযোগ

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান হাজী চান মাহমুদ পাকিরকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। স্থানীয় একটি পত্রিকায় মনগড়া ও কাল্পনিক বিষয় উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান চান মাহমুদ পাকির দাবি করেন।

কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী চান মাহমুদ পাকির জানান, স্থানীয় একটি পত্রিকা ও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে তাকে জড়িয়ে তাঁতি সমিতির টাকা, বল্লা করোনেশন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরাতন ভবন বিক্রি, তার উপর অজ্ঞাত ব্যক্তিদের গুলি বর্ষণের ঘটনা ইত্যাকার বিষয় নিয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া, কাল্পনিক ও হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, তাঁতি সমিতির কর্মকান্ডের সাথে বর্তমানে তিনি জড়িত নন। বল্লা করোনেশন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরাতন ভবন ও মরে যাওয়া গাছ যথাযথ সরকারি বিধি অনুসরণ করে বিক্রি করা হয় এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজের দোকান ভাড়া সহ আয়-ব্যয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে এবং অডিট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে থাকে। সভাপতি হিসেবে তিনি দেখভাল করেন মাত্র। তাঁর উপর গুলি বর্ষনের ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। তিনি মামলায় তদবির করেন না।

বল্লা ১নং প্রাথমিক তাঁতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন জানান, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী চান মাহমুদ পাকির একজন সজ্জ্বন ব্যক্তি। প্রাথমিক তাঁতি সমিতির নীতিগত কোন সিদ্ধান্তে তিনি হস্তক্ষেপ করেন না।

তিনি জানান, তাঁকে নিয়ে স্থানীয় একটি পত্রিকা ও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করছে।

বল্লা করোনেশন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন জানান, সরকারি বিধি মোতাবেক স্কুলের পুরাতন ভবন ও বেশ কয়েকটি মরে যাওয়া গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে। স্কুল অ্যান্ড কলেজের দোকান ঘরের ভাড়া উত্তোলন সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন।

করটিয়া সা’দত কলেজের তুখোর ছাত্রনেতা হাজী চান মাহমুদ পাকির জানান, একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচণায় এহেন অপপ্রচার চালিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

কালিহাতীতে যুবলীগ নেতার হাতে সাংবাদিক লাঞ্চিত!

 

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পাইকরা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক সেলিম রেজার হাতে সাংবাদিক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে হাওড়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

লাঞ্চিত সাংবাদিক আঃ ছাত্তার দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকায় টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ও বল্লা গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে।

জানা গেছে, হাওড়াপাড়া গ্রামে জনৈক প্রবাসীর স্ত্রী’র সাথে ও প্রতিবেশীর পরকিয়া চলছিল। সম্প্রতি এলাকাবাসী আপত্তিকর অবস্থায় তাদের আটক করে। ওই ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক আব্দুস ছাত্তার মিয়া পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ছবি তুলতে গেলে স্থানীয় যুবলীগ নেতা সেলিম রেজা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর পারভেজ, সোহাগ, সোহান ও ফরমান সাংবাদিকের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এ সময় তার মোবাইল ফোন ভাংচুর এবং মারধর করে। এক পর্যায়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন সাংবাদিককে উদ্ধার করে শালিস ত্যাগ করার পরামর্শ দেন।

পরে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খন্দকার আব্দুল মাতিনের উপস্থিতিতে উপজেলার বালিয়াটা বাজারে বসে সাংবাদিককে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে বিষয়টি সমঝোতা করেন।

কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার আব্দুল মাতিন বলেন, যেহেতু সবাই এলাকার সন্তান তাই ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টি সুরাহা করে দিয়েছি।

কালিহাতী প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানি। লাঞ্চিত সাংবাদিক আব্দুস সাত্তারকে মামলা করার জন্য থানায় যাওয়ার জন্য বলি। পরবর্তীতে আমার সাথে আর যোগাযোগ করেনি।

পাইকরা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক সেলিম রেজা বলেন, ঘটনাটি আমরা সামাজিক ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নিয়েছি। এসময় হঠাৎ ছবি তোলায় উত্তেজিত স্থানীয় কয়েকজন মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেওয়ার সময় তাদের মধ্যে টানা হেচড়ার ঘটনা ঘটে। পরে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে স্থানীয় মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে ওই ঘটনার সমাপ্তি হয়।

এব্যাপারে পাইকরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন জানান, আমরা ঘটনার বিষয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস করাকালীন সাংবাদিক ছবি তোলার সময় সেলিম বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও ন্যাক্কারজনক। আমি ওইখানে না থাকলে আরও বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ছিল।

(ইমরুল হাসান বাবু, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে শিক্ষার্থীদের হুইল চেয়ার ও বাইসাইকেল বিতরণ

এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবির) অর্থায়নে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দরিদ্র মেধাবী এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে বাই সাইকেল ও হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকারের সভাপতিতে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোঃ আতাউল গনি।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা সুলতানা শিল্পি প্রমুখ।

এ সময় অন্যান্য দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তা বৃন্দ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ৯২ জন ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল ও ১০ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।

(রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল ডট কম)/-