মধুপুরে ধর্ষনের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বৃহৎ পাহাড়িয়া অঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রামে এক কলেজ ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগে বিচার দাবিতে আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) ধরাটি বাজারে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

ঘটনার বিবরণে মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ জানান, উপজেলার ধরাটি আঙ্গারিয়া গ্রামের হীরন মিয়ার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে পার্শ্ববর্তী ধনবাড়ী উপজেলার ধরাটির নিকটবর্তী বন্দ হাওড়া গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে নাইম ইসলাম (একাদ্বশ শ্রেণীর ছাত্র) গত ১ অক্টোবর বেলা ১১ঘটিকার সময় রাস্তা হতে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে পাশের কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষন করে।

সে সময় পাশের লোকজন তা দেখে ফেলে হাতেনাতে নাইমকে ধরে ফেলে। পরে এলাকার মাতাব্বরগন উভয়পক্ষের মধ্যে আপোষের মাধ্যমে বিবাহের উদ্যোগ নেন।

কিন্তু ছেলে পক্ষ কালক্ষেপন করে বাল্যবিবাহ বলে মধুপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে ধর্ষক নাইমকে তুলে নিয়ে যায় বলে মানববন্ধনে ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক, ধর্ষিতার পরিবার ও এলাকার নেতৃবৃন্দ জানান।

মানব বন্ধনে বক্তারা ধর্ষনের উপযুক্ত বিচার দাবিতে বক্তব্য রাখেন।

ধর্ষকের ফাঁসির দাবির শ্লোগান সম্বলিত ফেস্টুন নিয়ে এলাকার শিক্ষার্থি ও শত শত পুরুষ মহিলার অংশগ্রহনে মানববন্ধনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য অর্চনা নকরেক, প্রবীন ইউপি সদস্য আবুল হোসেন, কুঁড়াগাছা ইউনিয়নের ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বক্তাগন অপরাধীর উপযুক্ত বিচার ও এলাকার মেয়েদের নিরাপত্তার দাবি করেন।

ধর্ষিতার পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, সর্বস্ব হারিয়ে মেয়েটি এখন আত্মহত্যার চেষ্টা করছে। বিবাহের উদ্যোগের কারনে এখনো কোন মামলা হয়নি বলে জানা যায়।

(এম এ রউফ, ঘাটাইল ডট কম)/-

সালাউদ্দিনের হাতেই বাংলাদেশের ফুটবল

এক পক্ষের আশা নীরব ভোট বিপ্লবের, দেশের ফুটবল নেতৃত্বে পরিবর্তনের; অন্যদিকে কাজী সালাউদ্দিনের প্রত্যাশা টানা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি হওয়ার। নির্বাচনে সভাপতি পদে কাজী সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাফুফের প্রাক্তন সহসভাপতি ও সাবেক ফুটবলার বাদল রায়। অসুস্থতার কথা বলে প্রথমে সরে দাঁড়ালেও গতকাল রাতে আবার নিজের প্রার্থিতার দাবি জানিয়েছেন বাদল রায়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে আরও দাঁড়িয়েছিলেন সাবেক ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম (মানিক)। শেষ পর্যন্ত টানা চতুর্থবারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন।

আজ বাফুফে নির্বাচনে ৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়ে আরও চার বছরের জন্য দেশের ফুটবলের অভিভাবক বনেছেন কাজী সালাউদ্দিন।

চতুর্থ মেয়াদে সভাপতি হওয়ার পথে সালাউদ্দিন ভোট পেয়েছেন ৯৪টি। তাঁর অন্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বাদল ৪০ ও শফিকুল পেয়েছেন একটি। নির্বাচনে মোট ভোট ছিল ১৩৯টি। এর মধ্যে জেলা ও বিভাগের ভোট ছিল ৭২টি।
মোট ১৩৯ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৩৫টি। সালাউদ্দিনের সম্মিলিত পরিষদ থেকেই জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন সালাম মুর্শেদী। একই প্যানেল থেকে এসেছে তিনজন সহসভাপতিও।

২০১৬ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছিলেন সালাম মুর্শেদী। জাতীয় দলের সাবেক তারকা এই স্ট্রাইকারকে এবার ভোটের লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন সমন্বয় পরিষদের আরেক সাবেক তারকা স্ট্রাইকার শেখ মোহাম্মদ আসলাম। মাঠের খেলায় আসলাম সালামের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন সালাম মুর্শেদী। ৯১ ভোট পেয়ে টানা চতুর্থবারের মতো জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন তিনি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ আসলাম পেয়েছেন ৪৪ ভোট।

সহসভাপতি পদে আটজনের মধ্যে জোর লড়াইয়ের আভাস ছিল। হয়েছেও তাই। চার সহসভাপতির তিনজন এসেছে সালাউদ্দিনের সম্মিলিত পরিষদ থেকে। ৮১ ভোট পেয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সহসভাপতি হয়েছেন কাজী নাবিল আহমেদ। নতুনে সহসভাপতি হয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান ও আতাউর রহমান। সহসভাপতি পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন ইমরুল, ৮৯টি। ৭৫ ভোট পেয়েছেন আতাউর। তবে চার নম্বর সহসভাপতি কে? ৬৫ ভোট পেয়ে সমতায় বর্তমান দুই সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ ও তাবিথ আওয়ালের লড়াই। ৩১ অক্টোবর এই দুইজনের মধ্যে আবার অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

টাঙ্গাইল হাসপাতালে প্রতি সিটিস্ক্যানে চিকিৎসক কমিশন দেড় হাজার টাকা

সিটিস্ক্যান ছাড়া খুব কম রোগীই টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি সিটিস্ক্যান থেকে চিকিৎসক পান এক থেকে দেড় হাজার টাকা কমিশন।

এতে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়তই। আর সিটিস্ক্যান না করালে ওই রোগীকে ভর্তি হতে হিমশিম খেতে হয়। তাই বাধ্য হয়েই ভর্তিচ্ছু রোগীরা সিটিস্ক্যান করেন।

সরেজমিন হাসপাতালে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা যায়। রাতের ডিউটি বাদে প্রতি ছয় ঘণ্টা পরপর (সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা, দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা এবং রাত ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত) জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেন চিকিৎসকরা। আর এখান থেকেই চলে সিটিস্ক্যান বাণিজ্য।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল জেলায় পাঁচটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিটিস্ক্যান করানো হয়। এগুলো হলো জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন সোনিয়া নার্সিক হোম, নিউ ঢাকা ক্লিনিক, পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে সেবা ক্লিনিক, শান্তিকুঞ্জ মোড়ের মেডিনোভা ক্লিনিক ও আয়শা মেমোরিয়া হসপিটাল।

জেনারেল হাসপাতলে সিটিস্ক্যান মেশিন না থাকায় এসব ক্লিনিক থেকেই রোগীরা সিটিস্ক্যান করান।

জাহানারা বেগম (৫০) নামের এক রোগী জানান, তিনি এসেছেন মাথা ব্যথার চিকিৎসা নিতে। কিন্তু এসেই জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রিফাত বলেন, আপনি সিটিস্ক্যান করিয়ে নিয়ে আসুন, এরপর আপানাকে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

এসময় তিনি ওই চিকিৎসকের কাছে জানতে চান, সিটিস্ক্যান করতে কতো টাকা লাগে।

উত্তরে চিকিৎসক বলেন, সাড়ে চার হাজার টাকা হলে সিটিস্ক্যান করাতে পারবেন। আমি আপনার জন্য এক হাজার টাকা ডিসকাউন্ড করে দিলাম।

পরে তিনি হাসপাতাল সংলগ্ন সোনিয়া ক্লিনিকে গিয়ে সাড়ে তিন হাজার টাকায় সিটিস্ক্যান করে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি হন।

কালিহাতী উপজেলার সল্লা এলাকা থেকে আসা জয়তন বেগম নামের আরেক রোগী জানান, তিনি এসেছেন চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে। এর আগে তিনি এ হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছিলেন। ওই সময় তিনি এসেছিলেন পেটের ব্যথার চিকিৎসা করাতে।

কিন্তু ওই সময় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান তাকে সিটিস্ক্যান ছাড়া ভর্তি করবেন না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেন। পরে তিনি বাধ্য হয়েই সেবা ক্লিনিক থেকে সিটিস্ক্যান করে হাসপাতালে ভর্তি হন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি ক্লিনিকের মালিক জানান, টাঙ্গাইলে পাঁচটি ক্লিনিকে সিটিস্ক্যান করানো হয়। আর প্রতিটি সিটিস্ক্যান করতে রোগীদের কাছ থেকে নেওয়া হয় সাড়ে চার হাজার টাকা। যে চিকিৎসক যে রোগী পাঠাবেন, ওই চিকিৎসককে দেড় হাজার টাকা কমিশন দিতে হয় বাধ্যতামূলকভাবে। আর যদি কোনো চিকিৎসক রোগীদের চিকিৎসাপত্রে লিখে দেন, তাহলে এক হাজার টাকা ডিসকাউন্ড। সে ক্ষেত্রে ওই চিকিৎসককে এক হাজার টাকা কমিশন দিতে হয়।

এমনকি মাঝে মধ্যে চিকিৎসক ফোন করে বলেন, রোগী পাঠালাম, কমিশনের টাকাটা বিকাশে পাঠিয়ে দিয়েন।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শরিফুল ইসলাম সজিব জানান, ক্লিনিক মালিকরা প্রতিটি সিটিস্ক্যানে সাড়ে চার হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন। এজন্য তিনি প্রতি চিকিৎসককে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে ব্যবস্থাপত্রে সিটিস্ক্যান করানোর জন্য এক হাজার টাকা ডিসকাউন্ড লিখে দেন। এজন্য চিকিৎসকরা ডিসকাউন্ড লিখে দেন।

তবে চিকিৎসকরা ডিসকাউন্ড দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন কিনা- তিনি এ প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

(সুমন কুমার রায়, ঘাটাইল ডট কম)/-

এলেঙ্গায় পল্লীবিদ্যুৎ এর জোনাল অফিস উদ্বোধন

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) এলেঙ্গা জোনাল অফিসের উদ্বোধন করা হয়েছে।

এলেঙ্গা পল্লীবিদ্যুতের জোনাল অফিস প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বি.কম,ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জলিল, টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের সভাপতি আরজু জমাদার, জেনারেল ম্যানেজার রাম শংকর রায়, এলেঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ খান, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মোল্লা, কালিহাতী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মোল্লা, টাঙ্গাইল পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের পরিচালক নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

(তারেক আহমেদ, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে মাকড়াই সুখী নীড় ডায়াবেটিস সেন্টারের উদ্বোধন

 

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দেওপাড়া ইউনিয়নে মাকড়াই কুমারপাড়া এলাকায় উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে সুখী নীড় কর্তৃক আয়োজিত উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক খান হুমায়নের সভাপতিত্বে অদুদ খান বাদলের খামার বাড়িতে, উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল ল কলেজের অধ্যক্ষ খান মোহাম্মদ খালেদ।

সে সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাসসের সাংবাদিক জেড আই খান, জিবিজি সরকারী কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আঃ ছাত্তার প্রমুখ।

(আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে এমপি আতাউর রহমানের নিকট খোলা চিঠি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি রাস্তা সংস্কারের দাবী জানিয়ে স্থানীয় এমপি আতাউর রহমান খানের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের হরিপুর এলাকার গ্রামবাসী।

ঘাটাইল ডট কম প্রাপ্ত খোলা চিঠিতে লেখা রয়েছে, টাঙ্গাইল-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান। প্রথমেই সালাম ও বুকভরা ভালোবাসা নিবেন। আপনি আমাদের খুব পছন্দের ও ভালবাসার একজন মানুষ। আপনার কাছে আমাদের একটি বিনীত অনুরোধ ছিলো। আমাদের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত হরিপুর গ্রামে।

চিঠিতে বলা হয়, আপনি উন্নয়ন ও জনকল্যানে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে ইতোমধ্যে দৃষ্টি কেড়েছেন। এটা দেখে আমরা খুব আনন্দিত হই। এতদিনে আমাদের আশার বাতিঘর আলোকিত ঘাটাইল গড়ার এক স্বপ্নসারথী পেয়েছি। আমার গ্রামে অনেক আগে থেকেই অবহেলিত, উন্নয়ন নাই বললেই চলে। আপনি আমাদের অভিভাবক নির্বাচিত হওয়ার পর আমাদের আশা জাগিয়েছে স্থানীয় অনেক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আমাদের গ্রামের (ছবিতে দৃশ্যমান) এই কাঁচা রাস্তার অবস্থা ও এখন খুবই জরাকীর্ণ। গ্রামের বয়স্ক মুরুব্বি, মা-বোনেরা রাস্তার কাঁদা এবং রাস্তার ভাঙ্গন এর কারণে চলাফেরা করতে পারেন না। অনেকের কাছে অভিযোগ জানিয়েও আমাদের রাস্তাটা পাকাকরণের কোনো উপায়ান্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাস্তার জন্য সরাসরি আপনার কাছে যাব এই সাহসও করে উঠতে পারেনি এলাকার জনগণ।

তাই এই খোলা চিঠির অবতারণা।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রিয় এমপি মহোদয়, খুব আশা নিয়ে আপনার কাছে আবদার ও অনুরোধ, প্রায় কয়েক হাজার মানুষের এই ছোট অবহেলিত হরিপুর গ্রামের মানুষের প্রাণের দাবি হরিপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে চানতারা পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এই রাস্তাটা পাকাকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আপনি আমাদের অবহেলিত গ্রামের মানুষের একটু চলাচলের সুযোগ করে দিবেন। এতে করে আমরা গ্রামবাসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আপনি এবং আপনার পরিবার সদস্যদের জন্য প্রাণ ভরে দোয়া করবো, যেন আল্লাহপাক আপনাদের মঙ্গল করেন।

পরিশেষে চিঠিতে বলা হয়েছে, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা, এই লেখায় কোন প্রকার ভুল বা বেয়াদবি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের গ্রামবাসীকে বাধিত করবেন।

(হরিপুর গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ঘাটাইল ডট কম)/-

টাঙ্গাইলে ‘লৌহজং বিডি’ অনলাইন নিউজ পোর্টালের যাত্রা শুরু

টাঙ্গাইলে লৌহজং বিডি নামে অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টালের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজকাল ও আগামীর শ্লোগান নিয়ে পথচলা শুরু এই পোর্টালের।

সাংবাদিক মহব্বত হোসেনের সম্পাদনায় লৌহজং বিডি নিউজের পৃষ্টপোষকতায় রয়েছেন জাতীয় হকি তারকা আরিফুল হক প্রিন্স।

গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধায় শহরের একটি অভিজাত রেস্তোরায় লৌহজং বিডির মোড়ক উন্মোচন করেন দৈনিক প্রথম আলোর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সাংবাদিক কামনাশীষ শেখর।

এ সময় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাঃ মোঃ সফিকুল ইসলাম সজীব, টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক টাঙ্গাইল প্রতিদিনের সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, জিটিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মহিউদ্দিন সুমন, অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবর বাংলা টুয়েন্টি ফোর ডট কমের সম্পাদক অলক কুমার দাস, টাঙ্গাইল জেলা মাইক্রোবাস কার মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম রিপন, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শাহ আজিজ তালুকদার, রাসেল খান ও লৌহজং বিডির সহ-সম্পাদক সোহেল রানাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

ইতালির সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেন সখীপুরের দিপু

৭০ হাজার ছেলেমেয়েকে পেছনে ফেলে ইতালির সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশি মেয়ে টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান মাহাজাবিন দিলরুবা দিপু।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামের মেয়ে দিপু। তার বাবার নাম জাহিদুল ইসলাম দুলাল ও মায়ের নাম রোজিনা আক্তার।

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী দিপু সাত বছর বয়সে বাবা প্রবাসী হওয়ার সুবাদে মায়ের সঙ্গে চলে যান ইতালিতে। সেখানেই তার পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠা।

ছোটবেলা থেকেই দিপু খুবই মেধাবী, প্রতিটা ক্লাসেই তিনি তার মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন ও বৃত্তি পেয়েছেন। এর ধারাবাহিকতায় এবার প্রায় ৭০ হাজার ইতালীয় ছেলেমেয়েকে পেছনে ফেলে ইতালির সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে নিয়েছেন।

দিপু জানান, তার ইচ্ছা বড় ডাক্তার হয়ে প্রবাস ও দেশের মানুষের সেবা করা। ভবিষ্যতে দেশে ফিরে দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের কল্যাণে কাজ করা। তিনি সবার দোয়া প্রার্থী।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল সখীপুরবাসীদের নিয়ে গঠিত সখীপুর প্রবাসী ইউনাইটেড ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এবং রোজিনা আক্তার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় মহিলা সম্পাদিকা।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

মধুপুরে ৭ মাসের শিশু পুত্র রেখে উধাও গৃহবধূ

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে ৭ মাসের শিশু পুত্র সন্তান রেখে পালিয়েছেন এক গৃহবধু।

জানা যায়, পিরোজপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবু জাফরের মেয়ে জাহানারা বেগমের (২৫) গোপালপুর উপজেলার মিশ্রপট্রি গ্রামের সেকান্দর আলীর ছেলে খলিলুর রহমানের সাথে বিগত ৫ বৎসর পূর্বে তাদের বিবাহ হয়। বিবাহিত জীবনে তাদের ঘরে জোনায়েত নামে ৭ মাস বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

গৃহবধু জাহানারা তার শিশু সন্তানকে নিয়ে তার পিতার বাড়ীতে বেড়াতে আসেন।

স্বামী খলিলুর রহমান জানান, আমার স্ত্রী পিরোজপুর তার বাবার বাড়ীতে বেড়াতে গেলে একই এলাকার ইদ্রিছ আলীর ছেলে সোলাইমান (সোলাই) তাকে নানাভাবে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিতে থাকে। এক পর্যায়ে সুপরিকল্পিতভাবে আমার স্ত্রী জাহানারাকে নিয়ে রাতের আধারে আমার শিশু সন্তানকে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে সোলাইমানের সাথে পালিয়ে যায়।

পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার স্ত্রীকে দেওয়া চার ভরি ওজনের স্বর্ণ অলংকার নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য দুই লক্ষ টাকা বলে তিনি জানান।

আর এদিকে মেয়ের পিতা আবু জাফর জানান, আমার মেয়ে রাতের আধারে পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার আনারস বিক্রি করে ঘরে রাখা তিন লক্ষ টাকা সু-কৌশলে নিয়ে গেছে। আর এ ব্যাপারে এলাকার মাতাব্বরদেরকে ঘটনাটি জানালে সোলাইমান এলাকায় প্রভাবশালী থাকার দরুন আমার পক্ষে কেউ কোন কথা বলতে নারাজ।

তিনি আরও বলেন, আর এ ব্যাপারে আমার জামাতা খলিলুর রহমান টাঙ্গাইল কোর্টে একটি মামলা করেছেন।

খলিলুর রহমান জানান, আমি এলাকায় কোন বিচার না পেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। মোকদ্দমা নং সি,আর-১৯৭/২০২০।

(মধুপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-