ঘাটাইলের সাবেক এমপি মতিউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মতিউর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঘাটাইল থানা মসজিদ প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ঘাটাইলে ডাঃ মতিউর রহমান স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ঘাটাইল আসন থেকে নির্বাচন করে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া আওয়ামী লীগের এই নেতা। ডা. মতিউর রহমানের দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মতিউর রহমানের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

১৬ সেপ্টেম্বর ঘাটাইল উপজেলার নিজ গ্রামের খিলগাতি পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ডাঃ মতিউর রহমান ময়মনসিংহ ও সিলেট মেডিক্যাল কলেজে পড়ালেখা করেছেন। উচ্চতর শিক্ষার জন্য তিনি লন্ডনের একটি নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসা সাস্ত্রে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।

তিনি ছিলেন বিশ্ব বিখ্যাত একজন কার্ডিওলজিস্ট। তিনি সৌদি আরবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। সৌদি আরব আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশে শিকদার মেডিকেলেও তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হসপিটালের তিনি মালিকানায় শেয়ার ছিলেন এবং উক্ত হাসপাতালে তিনি কার্ডিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দেশ বরেণ্য ব্যাক্তিবর্গ সহ অসংখ্য রোগীর সেবা দিয়ে গিয়েছেন মরহুম ডা: মতিউর রহমান।

এছাড়া ঘাটাইল উপজেলার ঘাটাইল ইউনিয়ন, পাকুটিয়া, সন্ধানপুর, দিগড়, ব্রাহ্মণশাসন, হামিদপুর, সাগরদীঘি, লক্ষ্মীন্দর, দেওপাড়া, লোকেরপাড়া, পেচারআটা, রসুলপুর, আনেহলা এবং দেউলাবাড়ী এলাকায় ডাঃ মতিউর রহমান স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আজ যোহর নামাজের পর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

সেখানে উপস্থিত থাকবেন মরহুমের স্বজনরা।

ঘাটাইলের সাবেক সংসদ সদস্য ডাঃ মতিউর রহমান মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইলডটকম)/-

টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধে ভাঙন

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার শিবপুর পাছবেথর এলাকায় পুংলী নদীর পাশে শহর রক্ষা বাঁধে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন রোধে সেখানে নেয়া হয়নি তেমন কোনও কার্যক্রম নেই। তবে কিছু বালুর বস্তুা নদীর ওপার থেকে এপাড়ে এনে ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

জানা যায়, গেল ২৩ জুলাই সদর উপজেলার শিবপুর পাছবেথর এলাকায় পুংলী নদীর পাশে শহর রক্ষা এ বাঁধের ২৫০ মিটার ভেঙে যায়। এতে হুমকির মুখে পড়ে স্থানীয় এলাকাবাসী। ভাঙন ঠেকাতে আপদকালীন ব্যবস্থা নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
তাদের দাবি ২৫০ মিটার ভাঙন এলাকায় সাড়ে ১৩ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ লাখ টাকা। বর্তমানেও সেখানে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহর রক্ষার এ বাঁধটির ভাঙন রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড তিন থেকে চার হাজার বালুর বস্তা ফেলেছে। এতে বাঁধ রক্ষায় কোনও লাভ হবে না। আর নদীর ওই পাড় কেটে বালুর বস্তা এ পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এতে করে নদীর ওই পাড়ে ভাঙনের সম্ভবনা দেখা দিচ্ছে।

আব্দুল মালেক নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, এপাড়ে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে, কিন্তু বালু যেখান থেকে আনা হচ্ছে পরে ওই পাড়ে ভাঙন দেখা দেবে। পরবর্তীকালে ওই পাড়ের মানুষও ভাঙন কবলিত হয়ে পড়বে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইতিপূর্বে নদীর গতিপথ ঠিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছিলো নদীর যেখানে চর পরেছে সেখান থেকে মাটি কাটার। কিন্তু বরাদ্ধ না থাকায় সেখান থেকে মাটি কাটা হয়নি। বর্তমানে শহর রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় জরুরি ভিত্তিতে ঐ চর থেকে মাটি কেটে আপাতত ভাঙ্গন রোধ করা হচ্ছে।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

গোপালপুরে প্রথম স্ত্রীর মামলায় কারাগারে স্বামী

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দুই সন্তানসহ প্রথম স্ত্রীকে রেখে পরকীয়া প্রেমিকাকে বিয়ে ও প্রথম স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য মারধর করে কারাগারে গেলেন স্বামী মো. জুয়েল রানা (৩২) নামে এক গ্রামীণ ব্যাংককর্মী।

প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় জামিনে থাকলেও গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) তার জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আকরামুল ইসলাম।

কারাগারে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামীমুল আক্তার।

অভিযুক্ত গ্রামীণ ব্যাংককর্মী জুয়েল রানা টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বড়খালী গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে। সে বর্তমানে বগুড়ার নন্দীগ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখায় মাঠকর্মী হিসাবে কর্মরত।

জানা যায়, ২০০৮ সালে ভূঞাপুর উপজেলার রাউৎ বাড়ী গ্রামের তারা মো. মিয়ার মেয়ে তাসলিমার সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় জুয়েল রানার। তাদের সংসারে দু’জন সন্তানও রয়েছে। কিন্তু ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম স্ত্রী তাসলিমাকে না জানিয়ে উপজেলার নলুয়া গ্রামের প্রেমিকা হাসিকে বিয়ে করেন।

এরআগে প্রথম পক্ষের স্ত্রী তাসলিমা ও তার সন্তানদেরকে বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের কারণে মারধর করত। ধাপে ধাপে তাসলিমার বাবার কাছে বিভিন্নভাবে টাকা নিয়েও তা ফেরত দেয়নি। বরং আরও টাকা পাওয়ার লোভে মারধর করতো। পরে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগি তাসলিমা আদালতে মামলা দায়ের করেন। সে মামলায় অন্তবর্তীকালীন জামিন নেন অভিযুক্ত জুয়েল রানা।

ভুক্তভোগী তাসলিমা জানান, দীর্ঘদিনের সংসারে আমার দুই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সকল অন্যায় নীরবে সহ্য করেছি। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তাই বাধ্য হয়ে আইনের দারস্থ হয়েছি। এখন আদালতই এর উপযুক্ত বিচার করবেন। আমার এই চরিত্রহীন স্বামীর বিচার আইনগতভাবেই হবে। তবে এই রকম লোক গ্রামীণ ব্যাংকের মতন সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে প্রতিষ্ঠানের বদনাম বাড়বে।

এদিকে, অভিযুক্ত জুয়েল রানার নাম্বারে ফোন দিলে তার দ্বিতীয় স্ত্রী নিজেকে জুয়েলের স্ত্রী হিসাবে পরিচয় দেন। তবে মামলার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

(ফরমান শেখ, ঘাটাইল ডট কম)/-

চলতি বছরে আগস্ট পর্যন্ত সীমান্তে ৩৩ বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে ভারত

চলতি বছর আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ৩৩ বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে ভারত। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ প্রধানের মধ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ছয় দিনব্যাপী বৈঠকে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি প্রাধান্য পাবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ বছর আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ৩৩ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।’

বিজিবি’র অপারেশন ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান বলেন, ‘সীমান্তে হত্যার যেকোনো ঘটনার পরে “আমরা সর্বস্তরে আলোচনা শুরু করি”, এর পরে বাংলাদেশ বরাবরই সীমান্তে সহিংসতায় বেশি গুরুত্ব দেয়।’

তিনি বলেন, ‘সীমান্তে শিবির পর্যায়ে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সেস (বিএসএফ) সঙ্গে পতাকা বৈঠকে প্রতিবাদ করা হয় এবং হত্যা বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগের জন্য বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে উত্থাপন করা হয়।’

আইন ও সালিশ কেন্দ্রসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। গত বছর এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩। এ বছরের প্রথম সাত মাসে ২৯ জন নিহত হয়েছেন।

বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এম শাফিনুল ইসলাম এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে (বিএসএফ) সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান রকেশ আস্থানা বিজিবির পিলখানা সদর দপ্তরে দুই পক্ষের আলোচনার নেতৃত্ব দেবেন।

বিজিবির অপারেশন ডিরেক্টর জানান, বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত বিশেষত মাদক চোরাচালান, কাঁটাতারের বেড়া ও অন্যান্য স্থাপনার মতো বিভিন্ন কাঠামো নির্মাণ ও অন্যান্য আলোচনার বিষয় রয়েছে।

তবে তিনি এই বৈঠক একটি রুটিন হিসেবে বর্ণনা করেন, যেখানে উভয়পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থের পাশাপাশি দুই সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের উপায় নিয়ে আলোচনা করবে।

নয়াদিল্লি থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিএসএফের পক্ষ হতে আলোচনায় গবাদি পশু পাচার, মুদ্রা ও মানবপাচার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিএসএফ সেক্টর কমান্ডার, ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর কর্মকর্তা এবং তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিরা ঢাকায় যাবেন।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে রাতে উধাও অবৈধ সিসা কারখানা, জমির মালিককে জরিমানা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রশাসন অভিযান চালাবে খবর পেয়ে রাতের আধারে পালিয়ে গিয়েছে সিসা কারখানার মালিক এবং শ্রমিক। তাদের বাড়ি গাইবান্ধা গোবিন্ধগঞ্জ গ্রামে।

এ সময় জমির মালিককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার।

ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিন আশারিয়া চালা গ্রামে।

জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে ঘাটাইলের আশারিয়া চালা এলাকায় হাজী মুনসুর আহমেদের জায়গা ভাড়া নিয়ে পুরনো ব্যাটারী থেকে সিসা তৈরী কারখানা তৈরী করেন।

বিষয়টি নিয়ে অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ঘাটাইল ডট কমে গত ৯ সেপ্টেম্বর ‘ঘাটাইলে গজারি বনে সিসা তৈরীর অবৈধ কারখানা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

আজ শনিবার সকাল ৮.৩০ মিনিট উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার ধলাপাড়া বনবিভাগ রেঞ্জ কর্মকর্তা ঘাটাইল থানা পুলিশ বাহিনী নিয়ে সিসা তৈরী কারখানায় অভিযান পরিচালনা করতে গেলে তাদেরকে না পেয়ে জমির মালিক মুনসুর আহমেদকে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ সময় সিসা তৈরীর সমস্ত সরঞ্জাম জব্দ করে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার ঘাটাইল ডট কমকে জানান, আমরা সিসা তৈরী সমস্ত সরঞ্জাম জব্দ করেছি। সেগুলো ধলাপাড়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে রাখা হয়েছে। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর নিকট রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি।

(রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে করোনায় যুবলীগ নেতার পিতৃবিয়োগ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে করোনাভাইরাস সংক্রমণে এক বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকের মৃত্যু ঘটেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি গতরাত সাড়ে দশটার সময় (১১ সেপ্টেম্বর) নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান শহীদ ঘাটাইল ডট কমকে নিশ্চিত করেছেন।

করোনা সংক্রমণে মৃত্যুবরণ করা এই বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকের নাম শাহজাহান তালুকদার। তিনি ঘাটাইল পৌরসভার থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঘাটাইল উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সরোয়ার আলম রুবেলের পিতা।

আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে দশটায় ঘাটাইল সদর গোরস্থান মাঠে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত শেষে ঘাটাইল সদর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল জানান, গতকাল রাতে ঘাটাইলে কোভিড ১৯ পজিটিভ রোগী শাহজাহান তালুকদার মারা গিয়েছেন। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। এ নিয়ে করোনা সংক্রমণে ঘাটাইলে ছয়জন মারা গেলেন।

তিনি আরও বলেন, আগের থেকেই তিনি বয়স্কজনিত নানা রোগ সহ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ছিলেন। গত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দিলে সোমবার প্রাপ্ত ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ আসে।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, চার মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন। তিনি পোষ্ট মাষ্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে এখন অবসর জীবনযাপন করছিলেন।

জানাজা নামাজে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান শহীদ সহ স্থানীয় রাজনিতিক, এলাকাবাসী সহ বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান শহীদ বলেন, ইসলাম ও সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক সকল নির্দেশনা মেনে তার দাফন কার্য সমাপ্ত হয়।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইল ডট কম)/-