ঘাটাইলে গজারি বনে সিসা তৈরীর অবৈধ কারখানা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিন আশারিয়া চালা গজারির বাগানে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ক্ষতিকারক সিসা তৈরী কারাখানা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ধলাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিন আশারিয়াচালা গ্রামে মনসুরের গজারি বাগানে পুরোনো ব্যাটারি থেকে তৈরী করা হয় সিসা।

গাইবান্ধ্যা থেকে ১৫জন শ্রমিক তারা সারাদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে পুরাতন ব্যাটারী সংগ্রহ করে রাতের আধারে বের করে। এমনকি ভোর হওয়ার আগেই গাড়িতে করে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘাটাইলে গজারির বাগানে কারখানা গড়ে উঠার ফলে মানব দেহ, গবাদী পশু, গাছপালা ক্ষতিসাধন হতে পারে, পরিবেশের উপরে প্রভাব পরতে পারে। দেখা দিতে রোগ বালাই। চিকিৎসকেরা বলছেন, এ ধরনের পদার্থ মানুষের শ্বাসকষ্ট, হৃদ্রোগ ও ক্যানসারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

এক শ্রমিক বললেন, সিসা চকচক করে। দিনের বেলা সিসা ও বর্জ্য চেনা যায় না। এ জন্য রাতে সিসা গলানো হয়। সিসা ফ্যাক্টরিগুলো সারা দিন বন্ধ থাকে। মধ্যরাতে গাড়িতে করে মালামাল এনে কাজ শুরু হয়। আবার ভোর হওয়ার আগেই কাজ শেষ হয়ে যায়। রাতে কাজ করার সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

সিসা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানান, পরিত্যক্ত ব্যাটারির কোষগুলো সিমেন্টের মতো জমাট বেঁধে যায়। চুল্লির মধ্যে কাঠ ও কয়লা দিয়ে পরতে পরতে অ্যাসিডমিশ্রিত জমাট বাঁধা বর্জ্য সাজানো হয়। এরপর আগুন ধরিয়ে দিয়ে একটি পাম্পের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখা দিয়ে প্রচণ্ড বেগে বাতাস দেওয়া হয়। কাঠ ও কয়লা পুড়ে একটি আগুনের কুণ্ডলী সৃষ্টি হয়। সিসা পুড়ে তরল হয়। এরপর একটি লম্বা চামচ দিয়ে বর্জ্য সরিয়ে সিসা লোহার তৈরি কড়াইতে রাখা হয়। ঘন ধূসর ধোঁয়া চিমনি দিয়ে বের হয়ে যায়।

গজারি বনের ভিতর কাপড় দিয়ে প্রাচীরবেষ্টিত একটি জায়গায় গর্ত করে মাটির চুলার মতো চুল্লি বানানো হয়েছে। সেখানে কাজ করছেন কয়েকজন শ্রমিক।

ঐ গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা কাজী জানান, আমাদের না জানিয়ে তারা এসব করছে। প্রতিবাদ করলে বলে আমাদের অনুমতি আছে।

মোস্তফা কাজী আরও জানান, সিসা ফ্যাক্টরীর কারণে গাছপালা পাতা বিবর্ণ হয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যায়। ফসলের ক্ষতি, গবাদি পশু প্রানহানি ঘটতে পারে। সিসা উচ্চ তাপমাত্রায় গলানোর সময় সহযোগি হিসেবে কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই অক্সাইড, সালফা ডাইড অক্সাইড, সহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক যৌগ উৎপাদিত হয় এবং তা দ্রত বাতাসে সঙ্গে চারিদিকে ছড়ায়।

এতে পরিবেশ দুষিত হয় শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও মরনব্যধি ক্যানসারের মতো রোগ মানব শরিরে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে ধলাপড়া বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে জানান, আমি শুনেছি এদের বিরুদ্ধে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে মত বিনিময় সভা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক মত বিনিময় সভা আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিস এ সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু।

করোনা জনিত কারনে শিক্ষার্থীদেও শিখন ঘাটতি পূরণ ও শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার।

সভায় সকল সহকারি শিক্ষা অফিসার ও উপজেলার ১৭২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গণ উপস্থিত ছিলেন।

এতে করোনা কালীন ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে আলোচনা হয়।

ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এমরান হোসেন , প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর, শাহনাজ পাভীন, অর্চনা পাল, মনিরুজ্জামান, নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের প্রমূখ।

অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের হুইল চেয়ার, ডিভাইস ও চশমা প্রদান করা হয়।

(নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল ডট কম)/-

ভুঞাপুরে লোহার সিন্দুক, জনমনে কৌতুহল!

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্বপাড় গোলচত্বর এলাকা থেকে একটি তালাবদ্ধ পুরনো লোহার সিন্দুক উদ্ধার করেছে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানা পুলিশ। সিন্দুকটি নিয়ে জনমনে নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার সকালে সেতুপূর্ব গোলচত্বরের দক্ষিণে একটি পেয়ারা বাগানের পাশ থেকে সিন্দুকটি পাওয়া যায়। সিন্দুকটি সীমান্তবর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা উপজেলার সমরেশ নামে এক ব্যক্তির বলে পুলিশ জানায়।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কাজী আয়ুবুর রহমান জানান, গত মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময়ে চোরচক্র সিন্দুকটি ফেলে রেখে যায়। বুধবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যেমে খবর পেয়ে সিন্দুকটি উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তালাবদ্ধ সিন্দুকটি খোলার জন্য দর্শনা থেকে লোক আসছে বলেও জানান তিনি।

দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান কাজল ইতোমধ্যে পুলিশসহ সিন্দুকের মালিক সমরেশকে ভূঞাপুরে পাঠিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

(ফরমান শেখ, ঘাটাইল ডট কম)/-

রাণীনগরে কাজী বেলাল জন্মের এক বছর আগে দাখিল ও এক বছর পরে আলিম পাশ!

নওগাঁর রাণীনগরে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের সার্টিফিকেট টেম্পারিং (মিশ্রিতকরণ) করে জন্মের একবছর আগে দাখিল পাশ ও জন্মের এক বছর পরে আলিম পাশের সার্টিফিকেট বানানোর অভিযোগ উঠেছে পাওয়া গেছে। জালিয়াতি করে বানানো সার্টিফিকেট দাখিল করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স বাগিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ ভাবে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে কাজী বেলাল হোসাইন।

অর্থের বিনিময়ে জালিয়াতি করা সার্টিফিকেট দাখিল করে আইন মন্ত্রনালয় থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজীর) লাইসেন্স বাগিয়ে নেন তিনি। তখন থেকে অদ্যবদী আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এ নিয়ে রাণীনগর থানায় একটি মামলা হওয়ার পর (মামলা নং-০৬, তাং ২২-০২-২০০৫, ধারা-৪৬৬/৪৬৭/৪৭১/৪২০/৩৪ দঃবিঃ) চার্জসিট দাখিল হয়।

অর্থের বিনিময়ে সবই এখন কাজী বেলালের হাতের মুঠোয়। জাল জালিয়াতির মধ্যে দিয়ে জীবনের উত্থান শুরু হয় নামধারী কাজী বেলাল হোসেনের।

বিভিন্ন অভিযোগ থেকে জানা যায়, জেলার রাণীনগর উপজেলার ৫নং বড়গাছা ইউনিয়নের গহেলাপুর গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে মোঃ বেলাল হোসেন। রাণীনগর আল-আমিন দাখিল মাদ্রাসা থেকে পাশের সনদ অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১লা জানুয়ারী ১৯৮৪ সাল। কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরেও ২০০৩ সালে কিভাবে কাজীর লাইসেন্স পায় বেলাল হোসেন তা নিয়ে সচেতন মহলে রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যায়।

তথ্যনুসন্ধানে দেখা যায়, আল-আমিন মাদ্রাসার রেকর্ডপত্র অনুসারে বেলাল হোসেনের জন্ম তারিখ ১লা জানুয়ারি ১৯৮৪। কিন্তু জন্মের আগেই ১৯৮৩ সালে দাখিল ও জন্মের এক বছর পর ১৯৮৫ সালে আলিম পাশ করার সদনপত্র দাখিল করে কাজীর লাইসেন্স বাগিয়ে নেয়।

উপজেলার মালঞ্চি গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দীনের ছেলে রাণীনগর আল-আমিন দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক বেলাল উদ্দীন বগুড়ার কাহালু উপজেলার মাগুড়া এম.ইউ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৯৮৩ সালে দাখিল ও ১৯৮৫ সালে আলিম পাশ (ক্রমিক নম্বর- ১৪৬৬৪, রেজি নম্বর-১২৩২৬, শিক্ষাবর্ষ-১৯৮৩-১৯৮৪) করে রাণীনগর আল-আমিন দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন।

আর এই শিক্ষকেরই দাখিল ও আলিম পাশের সার্টিফিকেট সুকৌশলে সংগ্রহ করে টেম্পারিং (ঘষামাজা বা মিশ্রিতকরণ) করে প্রকৃত নামের উপর মোঃ বেলাল হোসাইন, পিতা মোঃ নাজিম উদ্দিন নাম বসিয়ে সে সময় রাণীনগর উপজেলার ৫নং বড়াগাছা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) নিয়োগ লাভ করে।

তখন থেকেই একাধিক সুবিধাভোগী মহলের ছত্র-ছায়ায় নিজের খেয়াল-খুশি মতো নিয়ম বর্হিভ’ত ও অবৈধ ভাবে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

অপরদিকে, অন্যের সার্টিফিকেট টেম্পারিং নিজের ও পিতার নাম বসিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স নেওয়ার ঘটনায় রাণীনগর থানায় একটি মামলাও হয়। রাণীনগর থানার তৎকালিন ওসি সৈয়দ মোহসিনুল হক স্বাক্ষরিত ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালে প্রতিবেদন চেয়ে আইন মন্ত্রনালয়ের সচিবের নিকট বেলালের দাখিলকৃত (দাখিল ও আলিম পরীক্ষার) সনদসহ প্রতিবেদন চেয়ে পত্র দেন। পরবর্তীতে সেই মামলায় চার্জসিট প্রদান করা হয়।

আবার একই ঘটনায় আইন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জিয়া উদ্দিন মাহমুদ স্বাক্ষরিত (স্মারক নং-বিচার-৭/২এন-৬৯/২০০২-৫৭২, তাং ১৪-১১-২০০৭ইং) পত্রে তৎকালিন নওগাঁ জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ জহির উদ্দীনকেকে তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সে মোতাবেক মোঃ বেলাল হোসাইনকে ২ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল সার্টিফিকেটসহ স্ব-শরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়। কিন্তু একই ঘটনায় নিয়মিত ফৌজদারী মামলা ও অন্যদিকে আইন মন্ত্রনালয়ের তদন্তের তোপে টিকতে না পেরে ও নিজে বাঁচতে মূল সার্টিফিকেট নিয়ে হাজির না হয়ে কৌশলে একইদিন পদত্যাগপত্র দিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রারের (কাজী) পদ থেকে অব্যাহতি নেয়।

কিন্তু ঘটনার সত্যতা পাওয়ার এসব ঘটনা গোপন করে পরবর্তীতে আবার নিয়োগ নিলেও উচ্চ আদালতের আদেশে সেই নিয়োগ স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু সে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে প্রভাবশালীদের ছত্র-ছাঁয়ায় কাজী বেলাল হোসাইন অবৈধ ভাবে কাজীগিরি করে আসছে পুরো নওগাঁ জেলাজুড়ে।

আল আমিন দাখিল মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক ও প্রকৃত সার্টিফিকেটধারী বেলাল উদ্দিন ঘাটাইল ডট কমকে বলেন, বেলাল পড়াশোনায় খুবই দুর্বল ছিলো। সে দাখিল পরীক্ষায় ফেল করে। এরপর সে কোথায় পড়ালেখা করেছে তা আমার জানা নেই। পরবর্তি সময়ে জানতে পারি যে সে কোন মাধ্যম দিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে আমার সনদপত্রগুলো সংগ্রহ করে। এই বিষয়টি আমি সেই সময়ের মাদ্রাসা সুপারসহ একাধিক ব্যক্তিকে বিষয়টি জানালে তারা সেই বিষয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন তা আমার জানা নেই। কারণ ২০০৫সালে আমি স্বেচ্ছায় চাকরী ছেড়ে দিয়ে চলে আসি। তাই পরবর্তি বিষয়গুলো আমার জানা নেই।

আল আমিন দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার হারুনুর রশিদ বলেন ২০০০ সালের দিকে আমি এই মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলাম। বেলাল হোসেন ২০০০ সালে আমার মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিয়ে ফেল করে। এরপর সে কোথায় লেখাপড়া করেছে তা আমার জানা নেই। তবে সে কোন এক মাধ্যম দিয়ে বেলাল উদ্দিনের সার্টিফিকেটগুলো নিয়েছিলো তা আমি লোকমুখে শুনেছিলাম।

কাজী বেলাল হোসেন বলেন,আমার সকল সনদপত্র সঠিক আছে। সকল সনদপত্রসহ কাগজপত্রাদি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দেওয়া আছে।

(রাজেকুল ইসলাম, রাণীনগর, নওগাঁ/ ঘাটাইল ডট কম)/-

মির্জাপুর পৌর’র উপনির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থী প্রয়াত সুমনের স্ত্রী শিমু

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার উপ-নির্বাচনে প্রয়াত মেয়র সুমনের স্ত্রী সালমা আক্তার শিমুকে দলীয় প্রার্থী করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মীর এনায়েত হোসেন মন্টুর কার্যালয়ে দলীয় প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত হয়।

উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ জানান, উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় নেতারা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রয়াত মেয়রের প্রতি শ্রদ্ধার পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তিনি জানান, মির্জাপুর পৌরসভার আ’লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রয়াত মেয়র শাহাদৎ হোসেন সুমনের স্ত্রী সালমা আক্তার শিমুকে মনোনীত করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, পৌর আ’লীগের সভাপতি ফরহাদ উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. আবুল হোসেন ও যুবলীগের আহ্বায়ক শামীম আল মামুন প্রমুখ।

সালমা আক্তার শিমু বলেন, আমি দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি প্রয়াত মেয়রের অসমাপ্ত কাজ যেন শেষ করতে পারি সেজন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।

উল্লেখ্য গত ১১ ফেব্রুয়ারি মেয়র সুমন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর ১ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে। আগামী ১০ অক্টোবর শনিবার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

(মির্জাপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

রাণীনগরে রেলওয়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

অবশেষে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের ঘুম ভাঙ্গতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অবৈধ ভাবে রেলের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা স্থায়ী-অস্থায়ী ও পাকা-আধাপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল পাকশির বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নূরুজ্জামানের নেতৃত্বে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়।

এসময় নওগাঁ জেলা প্রশাসকের পক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম, সান্তাহার রেলওয়ের ফিল্ড কানুনগো মহসিন আলীসহ বিভিন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দিকে দোকান ঘর মালিকরা জোট বদ্ধ হয়ে বাধা ও প্রতিবাদের চেষ্টা করলেও পুলিশের তোপের মুখে তারা টিকতে পারেনি। এক পর্যায়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্কেবেটার মেশিন দিয়ে নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহা সড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া শুরু করে।

এক পর্যায়ে দোকান মালিকরা নিরব দর্শকের মতো হতাশা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। দোকান মালিকদের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের সময় বাধা না দিয়ে হঠাৎ করে স্থাপনাগুলো গুড়িয়ে দেওয়ায় কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হবে। রেলওয়ের তালিকায় প্রায় আড়াই শ’ অবৈধ স্থাপনার ও দোকান ঘরের তালিকা রয়েছে যা পর্যায়ক্রমে ভাঙ্গা হবে। ।

দোকান মালিক মন্টু জানান, পাঁচ মাস আগে বিশেষ এক নেতাকে ৫০হাজার টাকা দিয়ে একটি দোকান ঘর নির্মান করি। লাইসেন্স পেতে রাজশাহী এবং পাকশীতে করার জন্য যোগাযোগ করলে কাগজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও আজ ঘর ভেঙ্গে ফেলায় আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছি।

রাণীনগর সদর ইউনিয়নের চেয়াম্যান আসাদুজ্জামান পিন্টু জানান, জনগণের পক্ষ থেকে দাবী করবো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ শর্ত স্বাপেক্ষে কাগজপত্র করে দিলে অন্ততপক্ষে তাদের জীবন জীবিকার হবে।

রাজশাহী বিভাগীয় ভূ-স্পত্তি কর্মকর্তা ও এক্্িরকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নূরুজ্জামান বলেন, রেলের সম্পত্তির উপর স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নির্মাণ করা স্থাপনা সড়িয়ে নেওযার জন্য নোটিশ দিলেও অবৈধ স্থাপনা সরে না নেওয়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

(রাজেকুল ইসলাম, রাণীনগর, নওগাঁ/ ঘাটাইল ডট কম)/-

প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে প্রস্তুতির নির্দেশ সরকারের

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এজন্য করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আরা নাজনীন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যালয় পুনরায় চালুর আগে অনুমোদিত নির্দেশিকার আলোকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা স্কুল পর্যায়ে প্রেরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের সব পদক্ষেপ পােস্টার, লিফলেট তৈরি করে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করতে বলা হয়েছে। এর একটি খসড়াসহ উপস্থাপন করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে বিদ্যালয় খোলার আগে স্বাস্থ্য নিরাপত্তামূলক এমন ৫০টির বেশি নির্দেশনা জারি করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এসব নির্দেশনা মেনে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রেখে বিদ্যালয়ে পাঠদান পরিচালনায় করণীয়বিষয়ক নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যালয় খোলার আগে ও চলাকালীন করণীয়বিষয়ক বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া প্রতিদিন কীভাবে ক্লাস পরিচালনা হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করে আলাদাভাবে তিনটি ক্যাটাগরিতে ৫০টির বেশি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

করোনাকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এসব নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে আরও ২ জন করোনা পজিটিভ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রাপ্ত ফলাফলে আরও দুইজন নতুন করে করোনাভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। এ নিয়ে ঘাটাইলে মোট ১৮০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। বুধবার ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল ঘাটাইল ডট কমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য মতে গত জুলাই মাসে ঘাটাইলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ জন। আগস্ট মাসে আগের রেকর্ড ভেঙ্গে ৯৪ জন করোনাভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। চলতি মাস সেপ্টেম্বরে ২১ জন করোনা ভাইরাস পজিটিভ হলেন।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল জানান, ঘাটাইলে নতুন করে আরও দুইজন করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, ঘাটাইলে নতুন করে করোনা পজিটিভ হয়েছেন ঘাটাইল পৌরসভার কাজী রোড এলাকার ৫৫ বছর বয়সী একজন নারী এবং শান্তিনগর এলাকার ৬৫ বছর বয়সের একজন পুরুষ।

ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল জানান, গত সোমবার ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তারা নমুনা দিলে দুইজনের ফলাফল করোনা পজিটিভ আসে। এ নিয়ে ঘাটাইলে মোট ১৮০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন।

এদিকে ঘাটাইলে করোনায় মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি ঘাটাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবর রহমান এবং ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বুলবুল ভূঁইয়া করোনা ভাইরাস সংক্রমনে মারা গেছেন।

ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল বলেন, করোনা হয়তো লম্বা সময় আমাদের মাঝে থাকবে। করোনার সাথে আমাদের বসবাস করতে হবে। এজন্য কিছু অভ্যাস তৈরী করুন। মাস্ক ব্যবহার করুন, নিয়মিত হাত ধৌত করুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

(নিজস্ব সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

মির্জাপুরের এমপি ও তাঁর স্ত্রী করোনামুক্ত

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের এমপি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. একাব্বর হোসেন ও তাঁর স্ত্রী ঝর্ণা হোসেন করোনামুক্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে সাতটায় তার ছেলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক তাহরীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৯ আগস্ট সাংসদ একাব্বর হোসেনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এর দুই দিন আগে সাংসদের স্ত্রী ঝর্ণা হোসেনের শরীরেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়। করোনা শনাক্ত হওয়ার পর তাঁদের দুজনকেই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়। আর তাঁর স্ত্রীকে বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা করানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংসদের দুবার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসে। সর্বশেষ আজ সকালে এমপি ও তাঁর স্ত্রীর করোনা পরীক্ষা করলে ফলাফল নেগেটিভ আসে। তাঁরা দুজনই বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডির বাসায় রয়েছেন।

তাহরীম হোসেন তাঁর মা–বাবা করোনামুক্ত হওয়ায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলীয় নেতা-কর্মী এবং মির্জাপুরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ ও দোয়া কামনা করেন।

(মির্জাপুর সংবাদদাতা, ঘাতাইউল ডট কম)/-

কালিহাতীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে মুখে হেক্সিসল ঢেলে দিলেন স্বামী

যৌতুকের জন্য রাজিয়া সুলতানা নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে মুখে হেক্সিসল ঢেলে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নির্যাতিতা গৃহবধূ ও তার পরিবার। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হাওড়া পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

রাফিজা টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার দড়িবিয়াড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাক সরকারের মেয়ে। পরে নির্যাতিতা গৃহবধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল থেকে রেফার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ৫ মে পারিপারিকভাবে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার হাওড়া পাড়ার মো. ইসমাইল হোসেনের ছেলে ফয়সাল ও রাফিজার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় আব্দুর রাজ্জাক মেয়ের সুখের কথা ভেবে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও একটি মোটরসাইকেল দেন। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই ফয়সাল যৌতুকের জন্য রাফিজাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে শুরু করেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এরই ধারাবাহিকতায় ফয়সাল রাজিয়াকে তার বাবার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে বলেন। এতে রাজি না হওয়ায় ফয়সাল ও তার পরিবারের লোকজন রাফিজাকে পিটিয়ে তার মুখে হেক্সিসল ঢেলে হত্যাচেষ্টা করেন। তারাই রাফিজাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে যান।

পরে অন্য রোগীর স্বজনদের মোবাইল দিয়ে রাফিজা তার বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানান। পরিবারের লোকজন আসলে চিকিৎসক রাজিয়াকে ঢাকায় রেফার করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রাফিজার বাবা।

(কালিহাতী সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-