বাংলাদেশ অংশ দেখতে বাংলাদেশি নিয়োগ দিয়েছে ফেসবুক

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বাংলাদেশ বিষয়ক একজন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছেন। নবনিযুক্ত এই কর্মকর্তার নামে সাবহানাজ রশীদ দিয়া। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আজ সোমবার ফেসবুকের আঞ্চলিক সদর দপ্তর সিঙ্গাপুরের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সাবনাজ রশিদ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সাবনাজ রশিদ দিয়াকে বাংলাদেশ বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, দিয়া বাংলাভাষী। বাংলাদেশ বিষয়ক যেকোনো বিষয়ে সে দ্রুত সাড়া দেবে এবং সমস্যার সমাধান করবে বলে ফেসবুকের সিঙ্গাপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছেন।

মন্ত্রীর সঙ্গে ওই বৈঠকে ফেসবুকের হেড অব সেফটি বিক্রম সেনগ, ফেসবুক পাবলিক পলিসি বিষয়ক পরিচালক অশ্বিনী রানা, ফেসবুকের নব নিযুক্ত বাংলাদেশ বিষয়ক কর্মকর্তা সাবহানাজ রশীদ দিয়া এবং ফেসবুক মোবাইল পার্টনার বিভাগের ইরাম ইকবাল আলোচনায় অংশ নেন।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফেসবুককে বাংলাদেশের আইন ও বিধিবিধান মনে চলা ছাড়াও দেশ ও দেশের বাহির থেকে রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সম্মান বিঘ্নিতকর মিথ্যা ও গুজব বা অপপ্রচারমূলক উপাত্ত প্রচার ছাড়াও সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা, পর্নোগ্রাফি ও বাংলাদেশের সামাজিক- সাংস্কৃতিক মূল্যবোধবিরোধী উপাত্ত প্রচার না করতে আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সকল প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে চলা ফেসবুকের দায়িত্ব। রিসেলার নিয়োগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে কর প্রদানে প্রতিনিধি নিয়োগ এবং বাংলা ভাষার সঠিক অনুবাদ ও প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশ, আমাদের সমাজ আমাদের নাগরিকদের ফেসবুকের নিরাপদ ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। মন্ত্রী বাংলাদেশের আইন, আবহমান বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং নিয়মনীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে আইন আছে, সেই আইন মোতাবেক ফেসবুককে কনটেন্ট এবং অন্যান্য বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখার বিষয়ে মন্ত্রীকে আশ্বাস প্রদান করেন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮, কর ও ভ্যাট বিষয়ক আইন মেনে চলার আশ্বাসও প্রদান করেন।

প্রায় ৩ ঘণ্টা ব্যাপী এই বৈঠকে নানা বিষয়ে আলোচনার মধ্যে নাগরিক সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যয়ের বিষয়টি প্রাধান্য পায়। কনটেন্ট বিষয়ে বিদ্যমান যে কোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানসহ বাংলাদেশের অংশ দেখাশোনার জন্য একজন বাংলাদেশি বাংলাভাষীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। মন্ত্রী এই পদক্ষেপ গ্রহণ কে একটি ফলপ্রসূ উদ্যোগ বলে ফেসবুককে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশে নৈরাজ্য পর্নোগ্রাফি, সন্ত্রাস, গুজব রটানো,পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, অপপ্রচার ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ, বিদ্যমান বিভিন্ন বিষয়ে ফেসবুককে বাংলাদেশের নিয়ম-নীতি মেনে নিরাপদ ফেসবুক ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। বৈঠকে জানানো হয়, ফেসবুক বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রতি মাসে অন্তত একটি করে বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের স্বচ্ছ কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করবে।

বিটিআরসি‘র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফা কামাল, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (ট্যাক্স পলিসি) আলমগীর হোসেন, ফার্স্ট সেক্রেটারি কাজী ফরিদ উদ্দিন এবং বিটিআরসি‘র জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক তৌসিফ শাহরিয়ার ও আমজাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

সখীপুরে মসজিদের পাশে মুনমুনের নাচে সমালোচনা

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মসজিদের পাশে চিত্রনায়িকা মুনমুনের নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উপজেলার পলাশতলী বাজার মসজিদের সামনে কুরুচিপূর্ণ এ নাচের আসর বসানো হয়। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনার কোনো কমতি নেই।

ধর্মীয় উপাসনালয়ের সামনে মুনমুনের এমন নাচ নিয়ে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ লিখেছেন, অর্থ উপার্জন করতে হলেই কী মানুষ ধর্মের কথা ভুলে যায়?

চিত্রনায়ক শ্রাবণ শাহ লিখেছেন, এত অসংখ্য সুপার ডুপার হিট ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের নায়িকা, অথচ আজকের এই ভিডিওটা দেখার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলাম না, আপনার টাকার কি এতই প্রয়োজন ছিল? শেষ পর্যন্ত এই ভাবে ছিঃ ছিঃ ছিঃ!

ইমরান আহমেদ নামে একজন লিখেছেন, ঘুরতে গিয়ে মসজিদের গা ঘেঁষে বসলো নাচের আসর। নাচলেন দেশের এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা। জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড়।

এ প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা মুনমুনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সখীপুর পৌরশহরের স্থানীয় লোকেদের আমন্ত্রণে নৌকা ভ্রমণে যান চিত্রনায়িকা মুনমুন। ভ্রমণ শেষে বাজার মসজিদের সামনে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে নায়িকা মুনমুনকে নিয়ে নাচের আসর বসানো হয়। পরে নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ভিডিওতে দেখা যায়, মসজিদের পাশে গানের তালে তালে চিত্রনায়িকা মুনমুন মসজিদের পাশে কুরুচিপূর্ণ নাচ পরিবেশন করছেন। আর কিছু উৎসুক জনতা চেয়ারে বসে সেই নাচ দেখছেন ও মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, এটি পবিত্র একটি স্থাপনার অবমাননা। মসজিদের সামনে এমন নাচ মোটেও কাম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান তারা।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

মির্জাপুর পৌরর উপ-নির্বাচন ১০ অক্টোবর, ভোট হবে ইভিএমে

আগামী ১০ অক্টোবর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার মেয়রের শূণ্য পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ ভোট গ্রহণ করা হবে।

রোববার (৬ আগষ্ট) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র সাহাদৎ হোসেন সুমনের মৃত্যুতে পদটি শুন্য হওয়ায় এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

মির্জাপুর উপজেলার নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দান, ১৪ সেপ্টেম্বর মনোয়নপত্র বাছাই ২১ সেপ্টেম্বর প্রত্যাহার এবং ১০ অক্টোবর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ ভোট নেয়া হবে। গত ১১ ফেব্রুয়ারী মেয়র সাহাদৎ হোসেন সুমন অসুস্থ্যতাজনিত কাণে মৃত্যু বরণ করলে পদটি শুন্য ঘোষণা করা হয়। তখন থেকেই পরবর্তী মেয়র কে হবেন এনিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা কল্পনা। করোনা পরিস্থিতির কারনে তা কিছুদিনের জন্য নিরব থাকলেও এখন আবার নির্বচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

আগামী ডিসেম্বরে দেশের ২৩৪ টি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষনা দেন নির্বাচন কমিশন। এতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তোরজোর শুরু হয়ে যায়।

রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মির্জাপুর পৌরসভার মেয়রের শূন্য পদে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করায় সম্ভাব্য প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলসমুহের মধ্যে হিসেব নিকেশ শুরু হয়ে গেছে। তফসিল ঘোষনার খবর রাতে প্রচার হতে থাকলে সম্ভাব্য প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারনা শুরু করেছে।

মির্জাপুরে এই প্রথম ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহন হওয়ার খবরে ভোটারদের মধ্যেও এ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক বলেন, মির্জাপুর পৌরসভার উপনির্বাচনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের সকল প্রকার প্রস্তুতি রয়েছে। রিটার্নিং ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার এ ব্যাপারে যে ধরনে সহযোগিতা চাইবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা করা হবে।

(মির্জাপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

টাঙ্গাইলে মরণ নেশা ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেমসে আসক্ত শিক্ষার্থীরা

টাঙ্গাইলে দিন দিন ইন্টারনেট ফাইটিং ফ্রি ফায়ার গেমসে ঝুঁকছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। করোনায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অলস সময়ে এ গেমসে জড়িয়ে পড়ছে তারা।

জানা গেছে, টাঙ্গাইলের উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীরা ও পুরো যুব সমাজ দিন দিন ফ্রি ফায়ার নামক গেমের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। যে সময় তাদের ব্যস্ত থাকার কথা নিয়মিত পড়ালেখাসহ শিক্ষা পাঠ গ্রহন নিয়ে ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে, সেখানে তারা ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে জড়িয়ে পড়ে নেশায় পরিণত করছেন। ৭

বছর থেকে ২২ বছরের উড়তি বয়সের যুবকরা প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে এসব গেইমে আসক্ত হচ্ছেন। এসব বিদেশী গেম থেকে শিক্ষার্থী বা তরুণ প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে বড় ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফায়ার গেমসে অনুরাগী নিশাদ জানায়, ‘ প্রথমে তার কাছে ফ্রি ফায়ার গেমস ভাল লাগত না। কিছু দিন বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন সে আসক্ত হয়ে গেছে। এখন গেমস না খেলে তার অস্বত্বিকর মনে হয়।

সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রবিন জানায়, ‘সে পূর্বে গেমস সম্পর্কে কিছু জানতো না। এখন নিয়মিত ফ্রি ফায়ার গেমস খেলা তার নেশা হয়ে গেছে।  মাঝে মধ্যে নেট সমস্যায়  এ গেমস খেলতে না পারলে মুঠোফোন ভেঙে ফেলার ইচ্ছাও হয় তার।  ফ্রি ফায়ার গেমস যে একবার খেলবে সে আর ছাড়তে পারবে না বলে দাবি করে সে।

ফ্রি ফায়ার নামক গেমসকে মাদকদ্রব্যর নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করে স্থানীয় সমাজসেবক এহতেশামুল হক শেখ শাহিন নিউজ টাঙ্গাইলকে জানান, ‘এই সমস্যা থেকে আমাদের সন্তান, ভাই-বোনদের বাঁচাতে হলে অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মহল, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।’

এ ব্যাপারে একাধিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, ‘তাদের সময়  অবসর সময়টি বিভিন্ন খেলা ধুলার মধ্য দিয়ে কাটতো, কিন্তু এখনকার যুগে  সন্তানদেরকে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। জেলার গ্রাম-গঞ্জে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রুপ গেম মহামারী আকার ধারন করেছে। অনেকে শিক্ষার্থীই পড়ার টেবিল ছেড়ে খেলছে মোবাইল গেমস, কখনো ইন্টারনেটের খারাপ সাইটে বিভিন্ন ছবি দেখছে। এতে  তাদের ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধ প্রবণতাও বাড়ছে। তাই কিশোর-কিশোরীদের মা-বাবাসহ সমাজের সবারই খেয়াল রাখতে হবে, যেন তারা মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার না করে।

(নিজস্ব সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে বিএনপি নেতা বুলবুল ভূঁইয়ার মৃত্যু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি নেতা, সাবেক এমপি শওকত আলী ভুইয়ার মেঝ ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম বুলবুল ভুঁইয়া মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার এপোলো হাসপাতালে বেলা দুইটার সময় মৃত্যুবরণ করেন।

মরহুমের ছোট ভাই ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এজাহারুল ইসলাম ভূঁইয়া মিঠু ঘাটাইল ডট কমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মোঃ রফিকুল ইসলাম বুলবুল ভুঁইয়া ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ধলাপাড়া এসইউপি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি সহ সামাজিক ও রাজনৈতিক অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

মরহুমের পারিবার সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে তিনি করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছিলেন। সে সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গত ১৯ আগস্ট তাকে ঢাকার এপোলো হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজকে তার মৃত্যু ঘটে।

আরও জানা যায়, করোনা পজিটিভ হওয়ায় তার ফুসফুসের ব্যপক ক্ষতি সাধিত হয়। এছাড়াও তিনি বয়স্কজনিত নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত মাসের শেষের দিকে তার করোনা নমুনা পরিক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ আসলেও করোনায় সংগঠিত নানা ক্ষতি তিনি কাটিয়ে উঠতে না পেরে অবশেষে আজকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরলেন।

ঘাটাইলের শহর গোপিনপুর আলিয়া মাদরাসা মাঠে আজ সোমবার রাত ১০ টার সময় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে তার পরিবার সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মোঃ রফিকুল ইসলাম বুলবুল ভুঁইয়া স্ত্রী ও ২ ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন।

তার মৃত্যুতে টাঙ্গাইল জেলা ও উপজেলা বিএনপি শোক প্রকাশ করেছে। এক শোক বার্তায় তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছে জেলা বিএনপি।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে করোনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমানের মৃত্যু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে করোনা ভাইরাসের কাছে পরাজিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মজিবুর রহমান (ইন্না নিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি গতকাল রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১ টা ৫০ মিনিটের সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

মরহুমের জামাতা ও ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মিয়া ঘাটাইল ডট কমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি ঘাটাইল ডট কমকে বলেন, তার আগের থেকেই হার্ডে সমস্যা সহ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল। গত ৮/১০ দিন আগে তিনি করোনা পজিটিভ হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান ঘাটাইল উপজেলার ২ নং ঘাটাইল ইউনিয়নের কুলিয়া এলাকার অধিবাসী এবং স্থায়ীভাবে ঘাটাইল পৌরসভার উত্তরপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি বন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল জানান, গতকাল ঘাটাইলে কোভিড ১৯ পজিটিভ রোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান মারা গিয়েছে। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। এ নিয়ে করোনা সংক্রমণে ঘাটাইলে পাঁচজন মারা গেলেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাদ যোহর ঘাটাইলের বটতলা, জামালপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা মাঠে সাবেক বীট কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা মুজিবর রহমানের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি স্ত্রী, চার মেয়ে, এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন।

একাত্তুরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশকে হানাদারদের থেকে স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। জাতি করোনা ভাইরাসে আজ একজন সূর্যসন্তানকে হারালো।

জানাজা নামাজে ২ নং ঘাটাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হায়দর আলী, মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন সহ স্থানীয় রাজনিতিক, এলাকাবাসী সহ বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে আরও ৯ জন করোনা পজিটিভ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রাপ্ত ফলাফলে আরও সাতজন এবং গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রাপ্ত ফলাফলে আরও দুইজন মোট নয়জন নতুন করে করোনাভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। এ নিয়ে ঘাটাইলে মোট ১৭৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল ঘাটাইল ডট কমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য মতে গত জুলাই মাসে ঘাটাইলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ জন। আগস্ট মাসে আগের রেকর্ড ভেঙ্গে ৯৪ জন করোনাভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। চলতি মাস সেপ্টেম্বরে ১৯ জন করোনা ভাইরাস পজিটিভ হলেন।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল জানান, ঘাটাইলে নতুন করে আরও নয়জন করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। তাদের মধ্যে আজকে প্রাপ্ত ফলাফলে সাতজন ও গত শনিবার প্রাপ্ত ফলাফলে দুইজন করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, ঘাটাইলে নতুন করে করোনা পজিটিভ হয়েছেন ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চান মাহমুদ (৬০), উপজেলার দুলাল এলাকার দুলাল মিয়া (৩৮), চৈথট্র এলাকার দুই বোন শাকিলা (১২) ও নাহিদা (২৩), মানিকপুর এলাকার মানিক মিয়া (২৪), ফাইটাবাড়ী এলাকার আসাদ আলী, ভানিকাত্রা এলাকার রাসেল মিয়া (৩৬) নতুন করে করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন।

এছাড়া গত শনিবার প্রাপ্ত ফলাফলে দুইজন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। তারা হলেন, ঘাটাইল মেইন রোড এলাকার একজন পুরুষ যার বয়স ৭৫ বছর এবং ঘাটাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার।

ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল জানান, গত শনিবার ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১ জন নমুনা দিলে তাদের মধ্যে ৭ জনের ফলাফল করোনা পজিটিভ এসেছে। এছাড়া গত বুধবার পাঠানো নমুনার মধ্যে তিনজন পজিটিভ হওয়ার ফলাফল শুক্রবার ও দুইজনের পজিটিভ হওয়ার সংবাদ শনিবার পাওয়া যায়।

এদিকে ঘাটাইলে করোনায় নতুন করে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম মজিবুর রহমান। এ নিয়ে করোনা সংক্রমণে ঘাটাইলে পাঁচজন মারা গেলেন।

ডা. মো মমিনুল হাসান হিমেল বলেন, করোনা হয়তো লম্বা সময় আমাদের মাঝে থাকবে। করোনার সাথে আমাদের বসবাস করতে হবে। এজন্য কিছু অভ্যাস তৈরী করুন। মাস্ক ব্যবহার করুন, নিয়মিত হাত ধৌত করুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইল ডট কম)/-

সোনারগাঁওয়ে টাঙ্গাইলের এনজিও কর্মী খুন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ঋণের কিস্তির টাকা আদায় করতে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মো. সাজিদুর রহমান নামের এনজিও কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিস্ত্রীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সাজিদুর রহমান টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার মীরপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্রাইম সিনের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে মরদেহ প্রেরণ করেছেন। ঘটনার পর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বারদী ইউনিয়নের মিস্ত্রীপাড়া এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে হান্নানের স্ত্রী শারমিন আক্তার ব্যুরো বাংলাদেশ নামের একটি এনজিও বারদী শাখা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। এ থেকে প্রতি সপ্তাহে ১২৫০ টাকা করে ঋণ পরিশোধ করে শারমিন আক্তার। এছাড়াও ওই বাড়িতে আরো কয়েকজন গ্রাহক রয়েছে।

রোববার দুপুরে ওই কিস্তির টাকা আদায় করতে ব্যুরো বাংলাদেশ এনজিওর প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. সাজিদুর রহমান হান্নানের বাড়ি যান। পরে হান্নানের ঘরে তার গলাকাটা মরদেহ দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম ও পরিদর্শক তদন্ত শরীফ আহমেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্রাইমসিনের সদস্যদের খবর দিলে বিকেলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তেরর জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ব্যুরো বাংলাদেশের বারদী শাখার হিসাব রক্ষক মামুন অর রশিদ বলেন, সাজিদুর রহমান বেলা ১২ টার দিকে একটি কেন্দ্রের টাকা উত্তোলন করে অফিসে জমা দিয়ে এ কেন্দ্রের টাকা তুলতে যান। এখানে এসে তিনি হত্যাকান্ডের শিকার হন। তবে গ্রাহকরা নিয়মিতভাবেই কিন্তি পরিশোধ করছেন। কি কারনে এমন হত্যাকান্ড ঘটলো বিষয়টি তদন্তের দাবি করছি।

সোনারগাঁ থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কি কারনে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বিষয়টি তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

(সোনারগাঁও সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

এক বছরে ১৫৭ একর বনভূমি উদ্ধার করেছে মধুপুর বন বিভাগ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে বন বিভাগের জাতীয় উদ্যান দোখলা রেঞ্জের আওতাধীন বেদখলে থাকা ১৫৭ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। গত বছরের জুন থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব ভূমি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জমিতে শালবনের পরিবেশসম্মত টেকসই বাগান ও পশুখাদ্যের জন্য সুফল প্রজেক্টের বনায়ন করছে বন বিভাগ।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া জমিতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সামাজিক বনায়ন ও পশুখাদ্যের চারা গাছ সৃজন করা হয়েছে। সেই প্রজেক্ট দেখতে গতকাল বন পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান, বন সংরক্ষক আরএসএম মনিরুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জহিরুল হক সেখানে যান।

বন বিভাগ সূত্রটি জানায়, মধুপুরের দোখলা রেঞ্জের ছেগামারা, জয়নাগাছা, আমলীতলা ও অরণখোলা এলাকায় বন বিভাগের জমি দখল করে  প্রভাবশালীরা ২০-২৫ বছর ধরে আনারস, কলা, আদা, হলুদসহ নানা কৃষি ফসল চাষ করে আসছিলেন। বন বিভাগ এসব জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১৫৭ একর জমির আনারস ও কলা বাগান কেটে দখলমুক্ত করে।

মধুপুর শালবনের ঐতিহ্য ফেরাতে ও সুফল প্রজেক্টের আওতায় দেশীয় প্রজাতির বাগান ও পশুখাদ্যের পরিবেশসম্মত বাগান এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করার জন্য এ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ উদ্ধার অভিযানে কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিএমসি সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

এ ব্যাপারে দোখলা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, দোখলা রেঞ্জের শালবনের ভেতরে ছেগামারা, জয়নাগাছা, আমলীতলা ও অরণখোলা এলাকায় বন বিভাগের জমি দখল করে ২০-২৫ বছর ধরে আনারস, কলা, পেঁপে, আদা, হলুদ চাষ করে আসছিল একটি চক্র। এসব জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মধুপুরের দোখলা রেঞ্জে যত দিন কর্মরত আছি, তত দিন পর্যন্ত অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রাষ্ট্রের এ বন বিভাগের জমি উদ্ধার করে মধুপুরের গড়কে তার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে দিতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মধুপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক বলেন, আমাদের মধুপুর-ধনবাড়ী আসনের সংসদ সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক এমপি মহোদয় সব সময় খবর রাখেন। মধুপুরের শাল গজারির গড়কে প্রাকৃতিক রূপ ফিরিয়ে দিতে কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় কর্মকাণ্ড দেখভাল করার নির্দেশ দেন। তবে মধুপুরে বন বিভাগের দোখলা রেঞ্জের কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বনের সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। পাশাপাশি আমরাও চেষ্টা করব যাতে বন বিভাগের এক ইঞ্চি জমিও কেউ দখল করতে না পারে।

(মধুপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-