কালিহাতীর বিলে যুবকের অর্ধগলিত লাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অজ্ঞাত (৩২) এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার রামপুর সাত বিল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার ওসি হাসান আল মামুন বলেন, শুক্রবার বিকালে উপজেলার রামপুর সাত বিলে একটি লাশ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি জানান, নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। লাশটি অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে।

আগামীকাল শনিবার লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে বলে ওসি জানান।

(কালিহাতী সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

৫০ হাজার টাকার অভাবে চিকিৎসা পাচ্ছে না ঘাটাইলের আরমান

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের উওরপাড়া এলাকার আরশেদ আলীর ছেলে আরমানের গত ২৮ জুন অটো বাইক দুর্ঘটনায় একটি পা ভেঙে যায়। টাকার অভাবে বর্তমানে থেমে আছে তার চিকিৎসা, অপারেশন করানো যাচ্ছে না।

আরমানের বাবা আরশেদ আলী জানান, তিনি একজন হতদরিদ্র, দেখার মত কেউ নাই। তাদের ঘরে ৫ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। তাদের অভাবের সংসার। ছেলেটির চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার গরিব বাবা-মা এখন সর্বস্বান্ত।

এদিকে আরমানের চিকিৎসার কোনো উন্নতি না হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে তিনি জানান।

আরমানের বাবা আরও বলেন, দ্রুত অপারেশন না করানো হলে ছেলেকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। দেখা দিতে পারে স্থায়ী পঙ্গুত্ব। অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ হাজার টাকা, যা তার গরিব বাবা-মার পক্ষে যোগার করা সম্ভব না। ফলে ছেলেটির অপারেশন করা সম্ভব হয়নি। এদিকে দিন দিন পা ফুলে যাচ্ছে এবং পা ব্যাথায় দুঃসহ যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। তারা দ্রুত অপারেশন করতে চান।

তাই আরমানের বাবা সমাজের বিত্তবান ও দয়াবান ব্যক্তিদের সহায়তা কামনা করছেন।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে বিদ্যুৎ অফিসের কার ভুলে প্রাণ গেল হায়দারের?

বাড়ি থেকে ভেসে আসছে কান্নার আওয়াজ। বাবার নিথর দেহের পাশে বসে কাঁদছে অবুঝ তিন সন্তান। চলছে লাশ দাফনের প্রস্তুতি। ওরা হায়দারের (৪৫) তিন ছেলে মেয়ে। ওদের বাবা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বিদ্যুৎ (পিডিবি) অফিসে মাস্টাররোলে চাকুরী করতেন।

ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের ভুল সাটডাউনের কারণে মাস্টাররোলে চাকুরী করা শ্রমিক খন্দকার হায়দার আলী (৪৫) ১২ দিন মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে ঢাকা উত্তরা ১১নং সেক্টরে আল-আশরাফ প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।

নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অফিসের অন্যান্যরা জানান, হায়দার অত্যন্ত দরিদ্র ঘরের সন্তান ছিলেন। সৎ ও কাজ পাগল ছিলেন সে। কি দিন কি রাত, কোথাও বিদ্যুতের লাইনে সমস্যা থাকলে ওপরের আদেশ পেলেই ছুটে যেতেন সেখানে।

সে উপজেলার পোড়াবাড়ী গ্রামের খন্দকার সোহরাব আলীর ছেলে। সে বর্তমানে টেপিকুশারিয়া শ্বশুর বাড়ীতে বসবাস করতেন।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় তার লাশ সন্ধানপুর ই্উনিয়নের টেপিকুশারিয়া গ্রামে দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে গত ২৮ জুন ঘাটাইল ডট কমে ‘ঘাটাইল বিদ্যুৎ অফিসের খামখেয়ালীতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এক শ্রমিক’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

জানা যায়, গত জুন মাসের ২০ তারিখ রাত ১০ টার দিকে উপজেলার লেংড়াবাজার এলাকার ১১ হাজার ভোল্টের লাইনে সমস্যা দেখা দেয়। কর্তৃপক্ষের আদেশে লাইন মেরামত করতে সেখানে যান তিনি। বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করেই উচ্চ ভোল্টের ওই লাইনে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া হয়।

সাথে সাথে বৈদ্যাতিক সটে তার গায়ে আগুন ধরে যায়। পড়ে যান হায়দার খুঁটির ২৫ ফুট উপর থেকে।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ সেখান থেকে আবার তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু তার সাথে থাকা লোকজন পঙ্গুতে না নিয়ে ঢাকার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করান।

গত ২৪ জুন তারিখে তাকে ঢাকা উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে আল-আশরাফ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরেরদিন ২১ জুন তার মাথা ও মুখ অপারেশন করে আইসিসিতে রাখা হয়। দিন দিন তার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। দীর্ঘ ১২ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে মৃত্যুর কাছে তিনি হার মানেন তিনি।

এদিকে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা তার পরিবার। এক মেয়ে ও দুই ছেলেকে জরিয়ে ধরে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন তার স্ত্রী।

তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৈদ্যাতিক ওই সটে হায়দারের শরীরের ৮০ ভাগই পুড়ে গিয়েছিল।

ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আঃ বাছেদ, গৌরিশ্বর গ্রামের জিন্নত আলী, আঃ হালিম, বাদশা মিয়া, আক্তার হোসেন ও প্রত্যক্ষদর্শী হায়দর আলী ও আবু সাইদ জানায় ঘটনার দিন রাত ৯ টা পর্যন্ত শ্রমিক হায়দর আলী তার ঘরেই শোয়া ছিল। ঐদিন এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকার ফলে অফিস থেকে মোবাইলে ডেকে হায়দার আলীকে লাইন মেরামতের দায়িত্ব দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় এ নিয়ে তাদের মধ্যে অফিসের সাথে একাধিকবার কথাও হয়। পরে আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় হায়দার আলী ১১ হাজার লাইনে কাজ করতে যায়। কিছুক্ষন পর কোন প্রকার যোগাযোগ ছাড়াই অফিস থেকে লাইনে সংযোগ দেয় যার ফলে প্রায় ২৫ ফুট উপর থেকে মাটিতে ফেলে দেয়। তার গায়ে আগুন লেগে প্রায় ৮০ ভাগ পুড়ে যায়।

কিন্তু কার ভুলে এ মৃত্যু?

এ বিষয়ে ঘাটাইল বিদ্যুৎ অফিসের কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি।

কিন্তু অফিসের গোপন সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিনসহ আগে পরের প্রায় পাঁচ দিনের শার্ট ডাউনের কাগজ রেজিস্টার বই থেকে ইউসুফ নামে একজন লাইন সাহায্যকারী ছিড়ে ফেলেন। কিন্তু ইউসুফের দাবি ওই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

ঘটনার দিনই সংবাদকর্মীরা ওই রেজিস্টার দেখতে চাইলে তাদের দেখানো হয়নি। সেখানে সৃষ্টি হয় এক ধুম্রজালের।

ওইদিন কন্ট্রোল রুমে কর্তব্যরত অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী আ: হালিম জানান, ওই সময় লাইন মেরামতের জন্য কোন শার্টডাউন দেওয়া হয়নি।

তাহলে হায়দার কিভাবে শার্টডাউন ছাড়া ১১ হাজার ভোল্ট লাইনে কাজ করতে গেল?

এমন প্রশ্ন করলে শার্টডাউনের খাতা দেখতে চাইলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করে বলেন আমাদের অফিসে শার্টডাউন এন্ট্রি করা হয় না।

ঘটনার দিন ডিউটিরত লাইনম্যানের অপর সাহায্যকারী জরিপ তালুকদার বলেন, আমি কিছু বলবো না। এক্সচেঞ্জ স্যার সব বলবেন।

হায়দার যে লাইন মেরামত করতে ছিলেন সেই লাইনটি গিয়েছে উপজেলার ছামানের বাজার ফিডার থেকে। ওই ফিডারের দায়িত্বে থাকা রাসেল অবশ্য বলেন তিনি কিছুই জানেন না। সব জানেন দপ্তর প্রধান।

ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম খান ঘাটাইল ডট কমকে বলেন, ওই দিন প্রায় তিন চার ঘণ্টা আমাদের এখানে বিদ্যুৎ ছিলনা। ওই লাইনের ওপর দিয়ে আড়াআড়িভাবে পল্লী বিদ্যুতের তার চলে গেছে, সেখান থেকে সংযোগের কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

রেজিস্টার থেকে পাতা ছিড়ে ফেলার বিষয়ে তিনি বলেন, ওই বিষয়গুলো আমরা খুব একটা দেখিনা। তবে সব ঠিক আছে।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঘাটাইলে আরও একজন করোনা পজিটিভ, আক্রান্ত বেড়ে ২৮

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নতুন করে আরও একজন করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। তার বাড়ী উপজেলার দিগর ইউনিয়নের কদমতলি আঠারদানা এলাকায়। বিষয়টি ঘাটাইল ডট কমকে আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুর রহমান খান।

তিনি বলেন,ঘাটাইলে আরও একজন করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। তিনি বেসরকারি একটি কোম্পানিতে চাকুরি করেন। এ নিয়ে ঘাটাইল উপজেলায় মোট ২৮ জন করোনা পজিটিভ হলেন। এছাড়া করোনা সংক্রমণে ইতোপূর্বে ঘাটাইলে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তিনি গত ৩০ জুন ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে তার নমুনা দিয়েছিলেন। আজ শুক্রবার প্রাপ্ত ফলাফলে জানা যায় তিনি করোনা পজিটিভ।

জানা যায়, নতুন করে করোনা পজিটিভ হওয়া ওই ব্যক্তির নাম হৃদয় হোসাইন (২৭)।

ডাঃ সাইফুর রহমান খান আরও জানান, নতুন করে করোনা পজিটিভ হওয়া ওই ব্যক্তির বাড়ী আশেপাশে লকডাউন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঘাটাইল থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

করোনা পজিটিভ হওয়া হৃদয় হোসাইনের সাথে ঘাটাইল ডট কম যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সম্প্রতি আমি একটি চাকুরির জন্য নির্বাচিত হয়েছি। সেখানে যোগদানের জন্য গেলে তারা আমাকে করোনা পরীক্ষা করার জন্য পরামর্শ দেন। পরে আমি গত ৩০ জুন ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নমুনা দেই। আজ শুক্রবার আমাকে জানানো হয় আমি করোনা পজিটিভ।

তিনি আরও জানান, করোনা পজিটিভ হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর আমি নিজ বাড়ীতে আইসোলেশনে রয়েছি। আমার বর্তমানে করোনার কোন উপসর্গ নাই, শারীরিকভাবে ভালো আছি ইনশাআল্লাহ।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

মির্জাপুরে শিশু ধর্ষণে ধর্ষক দুলাভাই ও সহযোগী শ্যালক গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আট বছরের এক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক ও সহযোগী শ্যালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মির্জাপুর পৌর এলাকার আন্ধরা গ্রামের অমৃত সরকারের মেয়ের জামাই ধর্ষক পলাশ সূত্রধর ও ধর্ষকের সহযোগী শ্যালক সঞ্জয় সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শিশুটি বাবা-মার সঙ্গে পৌর এলাকার আন্ধরা গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। বাবা অজয় সরকার সজিব একজন ট্রাকচালক। মা কুমুদিনী হাসপাতালে কাজ করেন।

গত সোমবার (২৯ জুন) দুপুরের দিকে শিশুটির বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পলাশ সূত্রধর শ্যালক সঞ্জয় সূত্রধরের সহযোগিতায় শিশুটিকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে।

এ সময় শিশুটির আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে তাঁরা পালিয়ে যায়।

পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে জামুর্কীস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

ঘটনাটি স্থানীয় কয়েকজন মাতবর সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী পরিচয় দিয়ে কয়েকজন যুবককে পলাশের শ্বশুরের কাছে পাঠান। সেখানে উপস্থিত মাতবররা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে পলাশের শ্বশুর অমৃতর কাছে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের খরচের জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।

পরে অমৃত আশপাশের বাড়ির লোকজনের কাছ থেকে ধার দেনা করে স্থানীয় এক মাতবরের হাতে ৪০ হাজার টাকা দিলে তাঁরা সকলেই চলে আসেন।

গত মঙ্গলবার মির্জাপুর থানা পুলিশ ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে পলাশ ও সঞ্জয়কে গ্রেপ্তার করেন।

বুধবার শিশুটির বাবা মির্জাপুর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শিশুটিকে বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে জবানবন্দি নেওয়া হয়। এছাড়া টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষাও করানো হয়েছে বলে মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসলাম জানিয়েছেন।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গিয়াস উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা জেলহাজতে রয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

(মির্জাপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী করোনা আক্রান্ত

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদ প্রতিমন্ত্রীর করোনা পজিটিভের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসিফ আহমেদ বলেন, ‘যতদূর শুনেছি, স্যার পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন। কয়েকদিন আগে জাতীয় সংসদের পরীক্ষায় তার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। বর্তমানে স্যার সিএমএইচে ভর্তি আছেন। তিনি সেখানে কোয়ারেন্টিন করছেন।’

বুধবার (১ জুলাই) পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক হাসপাতালে ভর্তি হন বলে জানান জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদ।

(বাংলা নিউজ, ঘাটাইল ডট কম)/-