নিলামে ১৭ লাখ টাকায় মুশফিকের ব্যাট কিনলেন আফ্রিদি

অবশেষে বিক্রি হলো মুশফিকুর রহিমের নিলামে তোলা ব্যাটটি। ক্রেতা কোনো সাধারণ ব্যক্তি কিংবা ভক্ত নন। ব্যাটটি কিনেছেন কিংবদন্তী পাকিস্তানি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদির ফাউন্ডেশন।

নিলামে ২০ হাজার ইউএস ডলারে (প্রায় ১৭ লাখ টাকায়) ব্যাটটি কিনে নেয় তারা। প্রাপ্ত পুরো অর্থ ব্যয় করা হবে করোনা যুদ্ধে।

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের ব্যাটটি নিলামে তোলে নিবকো স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্পোর্টস ফর লাইভ। তারা ই-কমার্সভিত্তিক সাইট পিকাবো ডটকমের সঙ্গে চুক্তি করে। যেখানে গত ৯ মে রাতে ব্যাটটি নিলামে তোলা হয়।

গত বুধবার নিবকো এবং পিকাবো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যাটটির নিলাম প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ৫৩টি বিড হয়েছে যেখানে ব্যাটটির মূল্য সর্বোচ্চ ৪১ লাখ পর্যন্ত উঠেছে। 

নিবকোর এক কর্মকর্তা বলেছিলেন, এই দাম অস্বাভাবিক। আমরা দেখেছি, কিছু বিডার কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে নিলামকে নষ্ট করার চেষ্টা করেছে। আমরা প্রতিবারে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো যাবে বলে নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু কেউ কেউ একবারেই ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম তুলেছে। আমরা আশঙ্কা করছি, এটা প্রকৃত বিডারদের নিরুৎসাহিত করবে।

তবে শেষ পর্যন্ত প্রকৃত আগ্রহী পাওয়া গেল। প্রায় ১৭ লাখ টাকা আসছে ব্যাটটি বিক্রি থেকে। যার পুরোটাই খবর করা হবে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য।

পিকাবোর প্রধান নির্বাহী মনির তালুকদার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিকভাবে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হলেও শেষ পর্যন্ত তারা সঠিক বায়ার পেয়ে গেছেন। আর এটি হলো- শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন।

(সময়, ঘাটাইল ডট কম)/-

নিজের স্বাস্থ্য বিষয়ে গণমাধ্যমে জানাতে বারণ খালেদা জিয়ার

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ৬ মাসের শর্তসাপেক্ষ মুক্তি পেয়ে গত প্রায় ২ মাসের কাছাকাছি সময় ধরে ঢাকা গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় অবস্থান করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ সময়টাতে নিজের ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অধীনে চিকিৎসা নিলেও তার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য কোনও পরিবর্তন হয়নি। এখনও আগের মতো হুইল চেয়ারেই চলাফেরা করতে হচ্ছে তাকে। তবে মানসিকভাবে তিনি আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক। কিন্তু মহামারি অবস্থায় নিজের স্বাস্থ্যের কথা জানিয়ে দেশবাসী ও নেতাকর্মীদের উদ্বেগ বাড়াতে চান না খালেদা জিয়া। তাই নিজের স্বাস্থ্য বিষয়ে পরিবারের সদস্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলীয় নেতাদের মিডিয়াতে কোনও কথা বলতে বারণ করে দিয়েছেন তিনি। তার পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

পরিবারের সদস্য ও ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা বলছেন, প্রায় ২ মাস আগে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে করোনাভাইরাসের মধ্যেও নেতাকর্মীরা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে ফিরোজায় পৌঁছে দেন। এই সময়ের মধ্যে তার সঙ্গে পরিবারের সদস্য ও ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের বাইরে শুধু দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির নেতারা দেখা করতে পেরেছেন। এর বাইরে দলের আর কারও পক্ষে তার সাক্ষাৎ পাওয়ার সুযোগ হয়নি। ফলে শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ছাড়া এমনিতে দলের সব স্তরের নেতাকর্মীরা তার ভালো-মন্দ বিষয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

এরমধ্যে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও বিভিন্ন কষ্টের মধ্যে আছেন নেতাকর্মীরা। এসবের মধ্যে সারা দেশে দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও দলীয় রাজনীতি সঠিক পথে রয়েছে মনে করেন খালেদা জিয়া। বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে আতঙ্কিত অবস্থায় ফেলতে চান না তিনি। এই কারণে গত ১১ মে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম মিডিয়ায় কোনও কথা বলেননি।

খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, ‘খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থা আগের মতো রয়েছে। ডাক্তাররা তার নিয়মিত চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।’

তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে মিডিয়ায় কথা না বলার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সেলিমা ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বলেন, গত ৯ মে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি আমাকে বলেন, দেশের মানুষ এখন কত কষ্টে আছেন। করোনা আতঙ্কে রয়েছেন। এই সময় আমার স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলে নেতাকর্মীদের আরও আতঙ্কিত করার প্রয়োজন নেই। তোমরা এখন এ বিষয়ে আর কথা বলো না। বোনকেও বলে দেবে আমার স্বাস্থ্য নিয়ে মিডিয়ায় যেন কথা না বলে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।

ওই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘এখন তো তিনি বাসায় টেলিভিশন ও খবরের কাগজ দেখতে পারেন। ফলে গত ২ মাসে টেলিভিশন ও পত্রিকায় বিভিন্ন সময় তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে যে নিউজ হয়েছে সেগুলো তিনি দেখছেন। এই কারণে হয়তো তিনি আমাদের এ বিষয়ে কথা বলতে নিষেধ করেছেন। তবে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের মতো থাকলেও মানসিকভাবে তিনি এখন বেশ ভালো আছেন। নিয়মিত ছেলে, ছেলেদের স্ত্রী, নাতনিদের সঙ্গে কথা বলছেন। দলের নেতাকর্মীদেরও খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়া মুক্তি পাওয়ার দিন রাতেই তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। এরপর আর এখনও দেখা হয়নি। তার ডাক্তারদের সঙ্গে কথা হলে যতটুকু পারা যায় খবর জানতে চেষ্টা করি। গত ১১ মে ম্যাডামের সঙ্গে মহাসচিব মির্জা ফখরুলের দেখা করার পরে এখনও তার সঙ্গে কোনও কথা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর আমরা যখন তার মুক্তির জন্য কার্যকর কোনও আন্দোলন গড়ে তুলতে পারিনি, তখন কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে যায়। এখন যেভাবেই হোক তার মুক্তিতে সেই হারানো মনোবল ফিরে এসেছে। তাই নেতাকর্মীদের মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়েই হয়তো তার অসুস্থতার বিষয়টি বেশি বেশি বাইরে আসুক এটা তিনি চান না। এই কারণে হয়তো তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতে নিষেধ করেছেন।’

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চ শর্ত সাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে দুই শর্তে খালেদা জিয়ার মুক্তি দেয় সরকার। শর্ত দুটি হলো তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে এবং এই সময়ে দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

(বাংলা ট্রিবিউন, ঘাটাইল ডট কম)/-

নাগরপুরে স্কুলের ভবন নির্মানে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৩৪ নং তেবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মান কাজে বাধা দেওয়ার পায়তারা করছে একটি মহল। এর প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (১৫ মে) সকালে চৌহালী- আরিচা সড়কের তেবাড়িয়ায় এলাকাবাসী সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মানববন্ধন করেছে।

জানা যায়, ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ২৪ নং তেবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন সংকট কাটাতে সরকার ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪ তলা ভিত্তির উপর ২ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মানের কার্যাদেশ দেয়। কার্যাদেশ পেয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মান কাজ শুরু করলে একটি মহল ভবন নির্মান কাজে বাধা দেওয়ার পায়তারা করছে বলে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সেলিমা বেগম জানান, বিদ্যালয়ের দক্ষিনপাশে জায়গা রেখে ভবন নির্মানের জন্য সুমন মিয়া নামে একজন ফোনে আমাকে বলেন। কিন্তু দক্ষিন পাশে যেখানে ভবন নির্মিত হচ্ছে তার পরেও বিদ্যালয়ের জায়গা রয়েছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আওলাদ হোসেন বলেন, মূলত বিদ্যালয়ের দক্ষিন পাশে স্কুলের জায়গা দখল করে গড়ে উঠা মার্কেট রক্ষার্থে মার্কেট কর্তৃপক্ষ গোপনে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মান কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যখন ফোনে ঠিকাদার, প্রধান শিক্ষক ও আমাকে ফোন করেও নির্মান কাজ বন্ধ করতে পারেনি তখন একটি অনলাইন পত্রিকায় রাস্তা আটকিয়ে ভবন নির্মাণ শিরোনামে সংবাদ পরিবেশন করে। অথচ স্কুলের উত্তর পাশ দিয়ে তেবাড়িয়া-নাগরপুর সড়ক, পশ্চিম পাশ দিয়ে চৌহালী-আরিচা সড়ক, পিছন দিয়ে বাজারে যাওয়ার পায়ে হাটার রাস্তা রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা এর প্রতিবাদে শুক্রবার বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মান তথা সরকারি কাজে বাধাদানকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

এ বিষয়ে সুমন খানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোন কেটে দেন।

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলামের কাছে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(নাগরপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

বাইরে কর্মরতদের ঈদে এলাকায় না আসার জন্য ঘাটাইলে মাইকিং

মহামারী করোনাভাইরাস গ্রাস করেছে বাংলাদেশ সহ বিশ্ব। আজ ১৫ মে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মতে টাঙ্গাইল জেলায় করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৭৫ জন এবং ঘাটাইল উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন চারজন, যাদের দুইজন ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঘাটাইলের দেউলাবাড়ী ইউনিয়নে ঢাকা বা দেশের অন্য কোন যায়গা থেকে ঈদে এলাকায় না আসার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করছে ঘাটাইলের জনগণের মধ্যে। ফলশ্রুতিতে করোনা সংক্রমণ রোধে ব্যাতিক্রম উদাহরণ তৈরি করে এলাকার জনগণকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এসেছেন উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। তিনি নিজ উদ্যোগে তার নির্বাচনী এলাকায় ঈদের ছুটিতে ঢাকা বা অন্যান্য এলাকা থেকে লোকজনকে এলাকায় না আসার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে আজ শুক্রবার দিনব্যাপী মাইকিং করেছেন।

স্থানীয় জহুরুল ইসলাম জানান, আমি আজকে এমন ধরনের মাইকিং শুনেছি। নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো উদ্যোগ। সামনের ঈদে এলাকার বাইরে কর্মরত লোকজনের ঢল নামতে পারে। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি ঘটার বহুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমাদের সকলের উচিৎ হবে আমাদের স্বজনরা যেন এবারের ঈদে বাড়ীতে না আসেন। মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের সাথে আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে দেউলাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ঘাটাইল ডট কমকে জানান, আমাদের এলাকায় অনেক লোকজন দেশের নানা জায়গায় কর্মরত রয়েছেন। তাদের অনেকের অবস্থান করোনাভাইরাসের বহুল সংক্রমণ ঘটেছে এমন এলাকায়। তাই আমাদের ইউনিয়নে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধের ব্যবস্থাপনা হিসেবে এবং এলাকায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বর্তমানে বাড়ির বাইরে অবস্থানরত আপনজনদের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়িতে না আসার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ জন্য আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আজ এলাকায় মাইকিং করে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কোন নির্দেশনা বা চাপিয়ে দেয়া কোন আইন নয়। আমি জনগণের সেবক হিসেবে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অন্য এলাকায় কর্মরত লোকজনকে ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে না আসার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি, যেন এই এলাকার জনসাধারণ তাদেরকে ঈদে বাড়ীতে না আসার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। এছাড়াও আমাদের এলাকার লোকজনও যেন অযথা অন্য এলাকায় বেড়াতে না যান, সে বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি চাই আমাদের ইউনিয়ন সম্পূর্ণভাবে করোনাভাইরাস মুক্ত থাকুক। সে জন্য আমাদের উচিৎ সরকারের নির্দেশনা সম্পূর্ণভাবে মেনে চলা। একবার সংক্রমণ ঘটে গেলে সেটি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আমাদের উচিৎ করোনা সংক্রমণ যেন না ঘটে এবং এর প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে মেনে চলা।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঢাকা থেকে ভুঞাপুরের বাড়ীতে আসার ১২ দিন পর জানা গেল পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে টাঙ্গাইলে নতুন করে আরও দুইজন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের বাড়ি জেলার ভূঞাপুর ও মধুপুর উপজেলায়। আজ শুক্রবার (১৫ মে) টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে এই তথ্য পাওয়া যায়।

জানা গেছে, ভূঞাপুরে নতুন করোনা শনাক্ত হওয়া ব্যক্তি একজন পুলিশ সদস্য (২৮)। তিনি উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের মাইজবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। ওই ব্যক্তি গত ৩ মে ঢাকার কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়িতে আসেন।

বাড়িতে অসুস্থ বাবা থাকায় কয়েকদিন স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও শরীরে করোনা ভাইরাসের কোন উপসর্গ না থাকায় সম্প্রতি তিনি বের হয়ে ভূঞাপুর গিয়ে কেনাকাটা করেন। এছাড়া গত বুধবার (১৩ মে) স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আনা হয়।

এদিকে ঢাকা থেকে পুলিশ সদস্য বাড়িতে আসার খবর পেয়ে করোনা সন্দেহে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা একইদিন (১৩ মে) তার নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে আজ শুক্রবার সকালে হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, তিনি করোনা পজিটিভ।

এ ঘটনায় সকাল ১০টার দিকে আকান্ত ওই পুলিশ সদস্যের বাড়িসহ ৩টি বাড়ি ও পাশের একটি মনোহারি দোকান লকডাউন করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা ডা. মহীউদ্দিন আহমেদ বলেন, বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ৩০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে মাইজবাড়ী গ্রামের ওই ব্যক্তির করোনা পজেটিভ এসেছে। তিনি একজন পুলিশ সদস্য। এ নিয়ে ভূঞাপুর উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৮ জনে। এর মধ্যে ৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. নাসরীন পারভীন জানান, ঢাকা ফেরত ওই ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ফলাফল পজিটিভ আসায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সুপারিশে আক্রান্তের বাড়ি ও আশেপাশের দুইটি বাড়ি এবং একটি মনোহারি দোকান কলডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এসব বাড়ি থেকে ১৪ দিন কেউ বাহিরে যাবে না ও বাহির হতে কেউ প্রবেশ করবে না।

এদিকে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, গেল বুধবার ১২৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে আজ শুক্রবার সকালে নমুনার ফলাফল আসে। এতে নতুন করে ওই দুইজন আক্রান্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

(ভুঞাপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

টাঙ্গাইলে শর্ত সাপেক্ষে আবারো দোকানপাট খোলার প্রস্তুতি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ শর্ত সাপেক্ষে আবারো টাঙ্গাইলের দোকান ও শপিংমলগুলো খুলতে চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। তবে মার্কেটে আসা ক্রেতাদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বলছেন মার্কেট খোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বেচা-কেনা।

শুক্রবার (১৫ মে) থেকেই শহরের ব্যস্ততম ও অধিক মানুষের সমাগম ঘটে সকল মার্কেটের দিকে। এদিকে মালিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীদের দেখা গেছে ব্যস্ত সময় কাটাতে।

শহরের মার্কেট গুলো ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে প্রতিটি মার্কেটে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে বেশ কিছু কর্মযজ্ঞ চলছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম অধিকাংশ দোকান গুলোর সামনে বাশ দিয়ে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের চেষ্টা। এছাড়া জীবানুনাশক স্পে টানেল বা ডোর স্থাপনেরও উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে এর আগেই অধিকাংশ মার্কেটের সামনেই করা হয়েছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। এবার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে জনসমাগম কমানো, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও দোকান গুলোতে ভিড় কমানোর।

তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যে ঈদের আগে যেন সবাই কেনাকাটা করতে পারে সে বিষয়টি বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খুলে দেওয়া হয়েছে দোকান ও শপিংমল। তবে জুড়ে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যবিধিসহ ১৬টি শর্ত। যার অধিকাংশই তারা মানার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ক্রেতাদের অসাবধানতা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে তাদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। তাই তারা ক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে মার্কেটে কেনা কাটা করতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার বিকেলে এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে খুলে দেওয়ার চারদিন পর টাঙ্গাইলের মার্কেট-শপিংমল বন্ধের নির্দেশনা জারি করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম। তবে ঔষুধ, কাঁচা বাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান বন্ধের আওতামুক্ত ছিল।

বন্ধ ঘোঘনার পরদিনই ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে শর্ত সাপেক্ষে আবারো দোকান খুলে দিতে জেলা প্রশাসনের সম্মতি প্রকাশের বিষয়টি জানায় টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্টি। তবে তার আগে সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক।

(মোল্লা তোফাজ্জল, ঘাটাইল ডট কম)/-

সখীপুরে করোনা আক্রান্ত ছয়জনের সবাই এখন সুস্থ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে করোনা আক্রান্ত ছয় জনের সবাই এখন সুস্থ হয়েছেন। ফলে এই উপজেলায় আপাতত কোনো করোনা রোগী নেই।

সুস্থ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- উপজেলার লাংগুলিয়া গ্রামের রিপনের পরিবারের পাঁচজন এবং সখীপুর পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্স চালক সোনা মিয়া। তাঁরা বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

গত মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দফা নমুনা পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ছয় জনের সবাইকে নেগেটিভ ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবদুস সোবহান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘সখীপুর উপজেলায় ছয় জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। পরে চিকিৎসা ও দুই দফা পরীক্ষা শেষে স্বাস্থ্য বিভাগ ওই ছয় জনের সবাইকে নেগেটিভ ঘোষণা করেছে। বর্তমানে সখীপুরে কোনো করোনা রোগী নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবদুস সোবহান বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শে ওই ছয় করোনা রোগী বাড়িতে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়েছেন।

এ উপজেলাতে মোট ২৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৪৬ জনের ফলাফলে নেগেটিভ এসেছে।

(সখীপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-

ভূঞাপুরে করোনা আক্রান্তর সাথে মেলামেশা নিয়ে সংঘর্ষে আ.লীগ নেতা আহত

টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে করোনা আক্রান্ত রোগীর সাথে মেলামেশাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা আহত হয়েছেন।

আজ শুক্রবার (১৫ মে) উপজেলার মাইজবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ফলদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ভুঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎস দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, উপজেলার মাইজবাড়ী গ্রামের এক পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার সাথে শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও অবাধ মেলামেশার জের ধরে একই গ্রামের কাদের মেম্বার ফলদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলমকে বেধরক মারধর করে।

এতে খোরশেদ আলম গুরুতর আহত হন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহত অবস্থায় খোরশেদ আলমকে ভুঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এ ঘটনার জেরে ভুঞাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ভুঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাশিদুল ইসলাম।

(আল আমিন শোভন, ঘাটাইল ডট কম)/-

সাংবাদিকের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি, ধনবাড়ী থানায় জিডি

`টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের নামে ভূয়া
ফেইসবুক আইডি থানায় জিডি
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি::

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বেসরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশন মাইটিভি’র প্রতিনিধি সাংবাদিক
হাফিজুর রহমানের নামে মাইটিভি’র লগো ও তার ছবি ব্যাবহার করিয়া কে বা কাহারা ভূয়া ফেইসবুক আইডি খুলেছে। এব্যাপারে ধনবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে।

এর প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার(১৪ মে ২০) ইং রাতে ধনবাড়ী থানায় তিনি ভূয়া ফেসবুক ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়রী করেন। জিডি নং-৪৩২,তারিখ:-১৪ মে ২০ইং।

সাংবাদিক হাফিজুর রহমান জানান, কে বা কাহারা মাইটিভি’র লগো ও আমার ছবি ব্যাবহার করিয়া আমার নামে ভূয়া ফেইসবুক আইডি খুলে ব্যবহার করছে। আমাকে এবং
আমার পরিবারের মানহানি সহ ক্ষতি ও আমাকে হেয়প্রতিভাপন্ন কারাসহ মান সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য কোন সড়যন্ত্রকারী মহল এ কাজটি করে যাচ্ছে। যে কোন মূহুর্তে আমাকে ফাঁসাইয়া দিয়ে বিপদে ফালানোর জন্য ভূয়া ফেক আইডি খুলেছে। তাই আমি ধনবাড়ী থানায় গিয়ে বহস্পতিবার রাতে একটি সাধারণ ডায়েরী করেছি।

এব্যাপারে ধনবাড়ী পৌর মেয়র খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন জানান, ফেইসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। বৃহস্পতিবার রাতে আমি নিজে দেখেছি মাইটিভি’র সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের নাম ছবি ও তিনি যে মাইটিভি’তে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে সেই টিভি’র লোগো ব্যবহার করে ভূয়া ফেক আইডি খুলে অপব্যাবহার করছে। এধরনের যে বিভান্তিমূলক ভূয়া ফেইসবুক আইডি খুলে ব্যবহার করছে সেই অপরাধীকে পুলিশ খুজে বের করে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠানো হোক। এ জন্য বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতেও ধনবাড়ী থানার ওসিকে বলা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আনছার আলী জানান, আমার জানা মতে মাইটিভি’র প্রতিনিধি সাংবাদিক হাফিজুর ভাল বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করেন। কোন শত্রু পক্ষ এধরনের অপরাধ করে সাংবাদিক হাফিজুর রহমানকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করে যাচ্ছে বলে ধারনা হয়। আমাদের দাবী, এই অপরাধীকে খুজে বের করে কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক, যেন আর কোন লোক এ ধরনের অন্যজনের নামে ভূয়া ফেইসবুক আইডি না খুলে ব্যবহার করতে না পারে।

ধনবাড়ী ইলেকট্রনিক্স এন্ড প্রিন্ট মিডিয়া এসোসিয়েশন(ই.পা.ধ) এর সভাপতি রবিউল ইসলাম শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান সুমন জানান, মাইটিভি’র প্রতিনিধি সাংবাদিক হাফিজুর রহমান তিনি আমাদের ইলেকট্রনিক্স এন্ড প্রিন্ট মিডিয়া এসোসিয়েশন (ই.পা.ধ) এর উপ প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন যাবত সাংবাদিকতা পেশায় আছেন। তার নামে যে ভূয়া ফেইসবুক আইডি খুলে কে বা কাহারা ব্যবহার করছে তার মানহানি ও ক্ষতি করার জন্য। আমরা চাই পুলিশ এই অপরাধীকে খুজে বের করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।

এব্যাপারে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ জানান, যে অপরাধী সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের নাম ও তার কর্মরত টেলিভিশন মাইটিভি’র লোগো ব্যবহার করিয়া যে ফেসইসবুকের ফেইক আইডি খুলেছে তার ক্ষতি করার জন্য। এব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার দাবী জানান।

ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) মো. চাঁন মিয়া জানান, মাইটিভি’র সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের নাম ও তার ছবি সহ তার চাকুরীরত প্রতিষ্ঠান টেলিভিশন মাইটিভি’র লগো ব্যাবহার করে যে ফেইক আইডিটা কে বা কাহারা ব্যবহার করছে। এব্যাপারে সাংবাদিক হাফিজুর বৃহস্পতিবার রাতে থানায় সাধারণ ডায়রী করেছেন। ফেক আইডি ব্যবহারকারী কে পুলিশ খোঁজে বের করতে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধী কে দ্রুত গ্রেপ্তারের জোর তৎতপরতা চলছে।

(হাফিজুর রহমান, ঘাটাইল ডট কম)/-

ঢাকা থেকে বাসাইলের বাসাইলে বাড়িতে এলেন করোনা রোগী

ঢাকায় করোনা শনাক্ত হওয়ার পর টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা দক্ষিণ পাড়ায় চলে এসেছেন শাকিল খান (২৫) নামের এক ব্যক্তি। করোনা শনাক্ত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে তিনি বাসাইলে আসেন।

শাকিল খানের বাড়ি উপজেলার হাবলা দক্ষিণ পাড়ায় হলেও তিনি ঢাকায় একটি ক্লিনিকে কাজ করতেন। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর তিনি হাবলা চলে আসেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম তাদের বাড়িটি লকডাউন করেন।

জানা যায়, শাকিল খান (২৫) ঢাকার মগবাজারে এসপিআরসি হাসপাতালে ওয়ার্ডবয় হিসেবে কর্মরত। হাসপাতালের ম্যানেজার শাহিন কোভিড-১৯ পজিটিভ জেনেও তাকে অরক্ষিত অবস্থায় জোর করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

শাকিল ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী একটি পিকআপে নাটিয়াপাড়া আসেন ভোর রাতে। নাটিয়াপাড়া থেকে অটোরিকশায় নিজবাড়িতে আসেন।

বাসাইল উপজেলা প্রশাসন তার বাড়িটি লকডাউন করেছে। সেইসঙ্গে অটোরিকশার চালককে খুঁজে বের করে তার বাড়িও লকডাউন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না জানান, বিষয়টি তিনি শুনে রাতেই স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বাড়ি লকডাউন করতে বলেন।

আজ শুক্রবার (১৫ মে) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান।

(বাসাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-