পুলিশের সাপ্তাহিক ছুটি নেই, প্রণোদনাও নেই

দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সময়ের কোনও বাঁধাধরা নিয়ম নেই। ১২ ঘণ্টা, ১৬ ঘণ্টা এমনকি ১৮ ঘণ্টাও ডিউটি করতে হয় প্রতিদিন। সাপ্তাহিক ছুটি বলতেও কিছু নেই। বছরে দুই-একবার ছুটির আবেদন করলে কখনও মেলে, আবার কখনও মেলে না। দীর্ঘদিন এভাবে ডিউটি করতে গিয়ে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। ফলে পুলিশের কাছে ভালো আচরণ আশা করেন কীভাবে? অর্জিত ছুটি যতই জমা থাকুক, সেক্ষেত্রেও ১২ মাসের বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে না, নাম প্রকাশ না করে নিজের ভেতরে জমে থাকা কষ্টের এই কথাগুলো বললেন শাহবাগ থানার একজন সাব ইন্সপেক্টর (এসআই)। কষ্ট আর হতাশা কেবল তার একারই নয়—কনস্টেবল, ইন্সপেক্টর, এএসপি ও এসপি পদমর্যাদার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে একই চিত্র পাওয়া যায়।

জানা গেছে, শৃঙ্খলা বাহিনী বা ইমার্জেন্সি সার্ভিস হিসেবে ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনেই সাপ্তাহিক ছুটির কোনও বিধান রাখা হয়নি। আইনে বলা হয়েছে—‘পুলিশ সদস্যরা সর্বদা দায়িত্বরত (অন ডিউটি) হিসেবে বিবেচিত হবেন।’ সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, জনবল ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে পুলিশের এই কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করা সম্ভব, যেন কোনোভাবেই একজন পুলিশ সদস্যের প্রতিদিনের ডিউটি ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার বেশি না হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশে কর্মরত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘‘কনস্টেবল কিংবা পুলিশ সুপার বলে কোনও কথা নেই। পুলিশ আইন ও সংবিধান অনুযায়ী ইমার্জেন্সি সার্ভিস হিসেবে যখন যার প্রয়োজন, তার ডিউটিতে থাকা বাধ্যতামূলক। এখানে মানবিকতা কিংবা অমানবিকতা বলে কোনও শব্দ নেই। পুলিশের আইন অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা অন ডিউটিতে থাকবেন। আইনেই পুলিশ বাহিনীকে ‘ইমার্জেন্সি সার্ভিস’ হিসেবে ঘোষণা করা আছে।’’

তিনি বলেন, ‘পুলিশের ইউনিট ভেদে ডিউটির ধরনও ভিন্ন হয়। যেমন, যেসব পুলিশ সদস্য অফিসিয়াল দায়িত্বে থাকেন, তারা সবসময় না পারলেও প্রায়ই সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করার সুযোগ পান। কিন্তু থানায় কিংবা অন্য ইউনিটগুলোতে এই সুযোগ নেই। ডিউটি অফিসার নামে থানায় সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার একজন দায়িত্ব পালন করে থাকেন। দুই শিফটে দু’জনকে ১২ ঘণ্টা করে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। তিন জন হলে আট ঘণ্টা করে ডিউটি হতো। কিন্তু সেই জনবল আমাদের নেই। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা হচ্ছে দুই লাখ ১২ হাজার।’

সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী অন্যান্য সরকারি কর্মচারীর মতো পুলিশেরও বছরে ৩৩ দিন করে অর্জিত ছুটি জমা হয়। পিআরএল বা অবসরে যাওয়ার সময় অন্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম এক বছরের ছুটি জমা থাকতে হয়। কিন্তু পুলিশের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অবসর নেওয়ার আগে প্রায় সবারই অর্জিত ছুটি এক বছরের চেয়ে অনেক বেশি জমা থাকে। কিন্তু পিআরএল সুবিধা পেয়ে থাকেন ওই এক বছরই।

পুলিশ সদস্যরা মনে করেন, জমা থাকা অতিরিক্ত ছুটির বিনিময়ে যদি আর্থিক সুবিধা দেওয়া হতো, তাহলে ছুটি নিয়ে এত কথা উঠতো না। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্যেও পুলিশ সদস্যদের বাড়তি কোনও সুবিধা দেওয়া হয় না। সেজন্যেও ওভারটাইমসহ সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো উচিত।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনের জন্যে আর্মড পুলিশের আলাদা একটি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। এই ব্যাটালিয়নের ৮০০ সদস্যসহ প্রায় এক হাজার ২০০ পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। কনস্টেবল থেকে এএসআই পদমর্যাদার সদস্যরা বিভিন্ন পোস্ট বা স্থানে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

এপিবিএন সূত্র জানায়, ছয় ঘণ্টা ডিউটি শেষে ১২ ঘণ্টা পর পুনরায় তাদের ডিউটিতে যেতে হয়। ফলে দিনে দু’বার ডিউটি করতে হচ্ছে এপিবিএন সদস্যদের। তাদের সাপ্তাহিক কোনও ছুটি নেই। তবে আবেদন করলে দু’তিন মাস পর ৮ থেকে ১০ দিনের ছুটি পেয়ে থাকেন কনস্টেবলরা। অন্যদিকে এসআই, ইন্সপেক্টর, এএসপি ও এডিশনাল এসপি পদের কর্মকর্তারা প্রতিদিন ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা ডিউটি করে থাকেন।

অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কথা বলতে চাননি। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এক কনস্টেবল বলেন, আমাদের কোনও সাপ্তাহিক ছুটি নেই। ফলে নিজের প্রয়োজনীয় কাজ থাকলেও সেগুলো করা কঠিন হয়ে পড়ে। সব সময় ছুটি চেয়েও পাওয়া যায় না। এসব কারণে পরিবার থেকে অনেকটা বিছিন্ন থাকতে হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেন, কনস্টেবল, এস আই পর্যায়ের সদস্যদের মাঠ পর্যায়ে কাজ বেশি থাকে। তার ওপরের পদগুলো সুপারভাইজরি পদ। ফলে যিনি সুপারভাইজ করবেন তার কাজের ধরন হবে ভিন্ন। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পুলিশে মাঠ পর্যায়ে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় অতিরিক্ত কাজের চাপ নিতে হয়। এতে শারীরিক ও মানসিক শক্তি কমে আসে। তখন কেউ কেউ শর্ট-ট্যাম্পার্ড হয়ে যান। ফলে মাঝে মধ্যে মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে থাকেন।

পুলিশের ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ শাখার উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ‘‘সরকারি চাকরি বিধিতে ছুটির যে বিধান রয়েছে, সেটা পুলিশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ২২ ধারায় বলা আছে—‘পুলিশ সদস্যরা সর্বদা দায়িত্বরত (অন ডিউটি) বলে বিবেচিত হবেন।’ তাই আমরা ২৪ ঘণ্টার জন্যই দায়িত্ব পালন করে থাকি।’

পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ শাখার এআইজি মো. সোহেল রানাও এ বিষয়ে আইনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আইন অনুযায়ী পুলিশ ইমার্জেন্সি সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় পুলিশের জনবল অনেক কম। মানুষের জীবন ও সম্পত্তির সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের নিরলসভাবে কাজ করতে হয়। কাজের চাপ নিতে হয় অনেক বেশি। এ কারণে সরকারি বিধি অনুযায়ী যে কর্মঘণ্টা ও ছুটির নিয়ম রয়েছে, সেই অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের ছুটি ভোগ করা সম্ভব হয় না।’

পুলিশের ছুটি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, ‘পুলিশের সার্ভিস তো এসেনশিয়াল সার্ভিস। এখানে ছুটি কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। একটা ছুটি তো থাকবেই। সেটা সবাই পায়। কিন্তু ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে সময় মেনে দায়িত্ব পালন বলতে কিছু নেই। তবে এটা ঠিক যে, একটা লোক দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করলে তার কাছ থেকে ভালো আচরণ আশা করা যায় না। সেজন্য জনবল বাড়ানো উচিত। সপ্তাহে একদিন ছুটি থাকা উচিত। ওভারটাইমসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও বাড়াতে হবে। একজন লোকের সাধারণ কাজের সময় আট ঘণ্টা। কিন্তু পুলিশে এটা চালানো অত্যন্ত ডিফিকাল্ট। তাদের অনেক রকম ডিউটি থাকে। তারপরও চেষ্টা করা উচিত, যেন কারও প্রতিদিন আট থেকে ১০ ঘণ্টার বেশি ডিউটি না থাকে।’

(বাংলা ট্রিবিউন, ঘাটাইলডটকম)/-

মাদক বিক্রিতে বাঁধা দেয়ায় কালিহাতীতে যুবককে পিটিয়ে আহত

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কালোহা গ্রামে গাঁজা বিক্রিতে বাঁধা দেয়ায় মোস্তফা কামাল (৩০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে আহত করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। মোস্তফা কামাল কালোহা গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, কালিহাতী উপজেলার কালোহা গ্রামে ঋষিবাড়ীতে সাধন রবিদাস ও স্বপন রবিদাস গাঁজা বিক্রি করে থাকে। ঋষিবাড়ীতে প্রায় প্রতিদিনই গাঁজার আসর বসে। ওই গাঁজার আসর বসানোর প্রতিবাদ করায় মোস্তফা কামালকে গত ৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় কালোহা বাজারের কামরুলের চাস্টল থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় মনু মিয়ার মাদকাসক্ত ছেলে তুলা মিয়া বেদম মারপিট করে। এ সময় বাজারের লোকজন দৌঁড়ে এসে মোস্তফা কামালকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়।

চাস্টলের মালিক কামরুল জানান, মাদকাসক্ত তুলা মিয়া দোকান থেকে মোস্তফা কামালকে ডেকে বাজারের খোলা জায়গার দিকে নিয়ে যায়। এরপর মানুষের ছুটাছুটি দেখে এগিয়ে গিয়ে তিনি মোস্তফা কামালকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।

আহত মোস্তফা কামাল জানান, গাঁজা বিক্রি ও গাঁজার আসর বসানোয় বাঁধা দেয়ায় তুলা মিয়া তাকে ডেকে নিয়ে বেদম মারপিট করেছে। এ সময় তার চোখে বালি ছিটিয়ে দেয়ায় তিনি অন্য কাউকে দেখতে পাননি।

পাইকড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন মোল্লা জানান, মাদক বিক্রিকে বাঁধা দেয়ার কারণেই মোস্তফা কামালকে মারপিট করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশ মিমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

(ইমরুল হাসান বাবু, ঘাটাইলডটকম)/-

তারেক জিয়ার দুর্নীতি ও সন্ত্রাস ছিল চরম পর্যায়ে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থেকে তিলে তিলে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করেছে। জিয়া ও খালেদার ছেলে তারেক জিয়ার দুর্নীতি ও সন্ত্রাস ছিল চরম পর্যায়ে। তারা এদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচার নির্যাতন করেছে। এ কারণে মানুষ বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। মূলত তারেকের অপকর্মের কারণেই বিএনপির আজ করুণ দশা।’

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে। এ নির্বাচনেও ঢাকার মানুষ আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার পক্ষে রায় দেবেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিজয়ে আইনজীবীসহ সবারই ভূমিকা রাখতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি যাতে কোনও অপরাজনীতি করতে না পারে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।’

জেলা বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভির হাসান ছোট মনিরসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-

ভুঞাপুরে সাংবাদিকদের উপর জুয়াড়িদের হামলা

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জুয়ার আসরের সচিত্র সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে চার সাংবাদিকসহ ছয়জন। আজ বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ঘাট সংলগ্ন কাশবন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

হামলায় ডিবিসি টেলিভিশনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সোহেল তালুকদার, ক্যামেরা পারসন আশিকুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক অভিজিৎ ঘোষ, দৈনিক একুশের বাণী পত্রিকার সাংবাদিক মোহাইমিনুল মন্ডলসহ আরো দুইজন আহত হয়েছেন। এসময় ডিবিসির ক্যামেরা ও বুম (মাইক্রোফোন) ভাঙচুর করা হয়। পরে আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার গোবিন্দাসী ঘাট সংলগ্ন কাশবন এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী ফজল মন্ডলের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আসর চলছিল। টাঙ্গাইল ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শতাধিক জুয়াড়ি সেখানে নিয়মিত জুয়া খেলতে আসতো। জুয়া আসরের সচিত্র সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার স্বীকার হয়েছে চারজন সাংবাদিকসহ ৬ জন। পরে সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক সোহেল তালুকদার, অভিজিৎ ঘোষ. আশিকুর রহমান, মোহাইমিনুল মন্ডলসহ নৌকার দুই মাঝিকে ব্যাপক মারধর করে।

মারধর শেষে একটি ক্যামেরা ভাঙচুর ও আরেকটি ক্যামেরা আর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এছাড়া সাংবাদিকদের প্রাণে বাচিঁয়ে রাখার প্রতিশ্রুতিতে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রাখা হয়। পরে তারা চলে গেলে স্থানীয়রা এসে সাংবাদিকদের উদ্ধার করে গোবিন্দাসী ঘাটে পৌঁছে দেয়। পরে হামলায় আহত ৬জনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হামলায় আহত ডিবিসি টেলিভিশনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সোহেল তালুকদার বলেন, জুয়াড়ির প্রধান গোবিন্দাসী ইউনিয়ন ট্রাক শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজল মন্ডল আমাদের সামনে একজনকে মোবাইলে বলেন, স্যার আপনাদের পুলিশের কোন লোক আসছে কিনা। এরপরই জুয়াড়িরা আতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় চারজন সাংবাদিকসহ ৬জন আহত হয়েছে।

সোহেল তালুকদার বলেন, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন ট্রাক শ্রমিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ফজল মন্ডলের নেতৃত্বে সেখানে বিশাল ধরনের জুয়ার আসর চলছিল দীর্ঘদিন যাবৎ। সেখানে সংবাদ সংগ্রহে গেলে জুয়ারিসহ সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে ভিডিও ক্যামেরা ও বুম ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া প্রাণে বাচিঁয়ে রাখার শর্তে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রাখা হয়।

গোবিন্দাসী ইউনিয়ন ট্রাক শ্রমিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ও জুয়া আসনের প্রধান ফজল মন্ডল জানান, থানার ওসিসহ প্রশাসনের নানা মহলে মাসোহারা দিয়ে জুয়ার আসর চালানো হয়। দীর্ঘদিন যাবতই এই এলাকায় জুয়ার আসর চলছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তানভীর আহম্মদ বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর গুরুত্বর আহত চারজন সাংবাদিকসহ ৬জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে। এরমধ্যে চারজনের অবস্থা খুবই গুরুত্বর। তাদের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেয়া হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্টগুলো পাওয়ার পর তাদের শরীরে কি ধরনের ক্ষতি হয়েছে তা জানা যাবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রাশিদুল ইসলাম জানান, গোবিন্দাসী ঘাট কাশবন এলাকার চরে যে জুয়ার আসর বসতো তা জানা ছিল না। সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। এবিষয়ে সাংবাদিকরা অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(ভুঞাপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-

ঘাটাইলে শামসুর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক জাতীয় পরিষদ সদস্য, টাঙ্গাইল- ৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শামসুর রহমান খান শাজাহানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঘাটাইলে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে ঘাটাইল পৌর শহরে তার নিজ বাসভবনে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন দিগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন, উপজেলা পরিষদ মসজিদের ইমাম মওলানা জোবায়ের মাহমুদ, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঘাটাইল শাখার সাধারন সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম খান, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সুমন খান বাবু, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা তাতী লীগের আহবায়ক মোঃ খোরশেদ আলম, যুবলীগ নেতা এসএম বাবলু , পৌর কাউন্সিলর শেখ মোঃ কবির আহমেদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কফিলুর রহমান ভুটান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রকিবুল হাসান মানিক সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

(রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইলডটকম)/-

শামসুর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঘাটাইলে দোয়া মাহফিল

মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, টাঙ্গাইল- ৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শামসুর রহমান খান শাজাহানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার শাজাহানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহব্বায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক আঃ রহিম মিয়া, মাসুদুর রহমান আজাদ, ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহীদুজ্জামান খান শহীদ, বিআরডিবি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরোয়ার আলম রুবেল, রসুলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সহ অন্যান্য নেতাকর্মী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য: ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি সোমবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালতপাড়ায় নিজ বাসভবনে মুক্তিযোদ্ধা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক এই যুগ্ম সম্পাদকের মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। ওই দিন বাদ জোহর তার গ্রামের বাড়ি ঘাটাইলে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তার লাশ রাখা হলে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাকে গার্ড অব অনার সম্পাদন পরবর্তীতে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে শামসুর রহমান খান শাজাহানকে দাফন করা হয়।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইলডটকম)/-

মাদক নিয়ন্ত্রণে হটলাইন চালু (০১৯০৮ ৮৮৮৮৮৮)

দেশে অবৈধ মাদকের প্রবাহ রোধে এ সংক্রান্ত তথ্য ও খবর জানাতে বা জানতে ‘হটলাইন’ চালু করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। আজ ২ জানুয়ারি অধিদপ্তরের ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই হটলাইন চালু করা হয়েছে।

রাণীনগরে কৃষি জমিতে পুকুর খনন, মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় এক শ্রেণীর পুকুর ব্যবসায়ী স্থানীয় কৃষকদের ধানী জমিতে ফসল চাষের বদলে বড় পুকুরের মালিক বুনিয়ে দেওয়ার লোভনীয় অফার দিয়ে এবং লীজ প্রক্রিয়া চালু করে জমির মালিককে বোকা বানিয়ে আবাদী জমিতে বেকু মেশিন দিয়ে আট ফিট গভীর করে জমির চার দিকে বাঁধ দিয়ে পুকুর খননের মহোৎসব চালাচ্ছে।

রাত-দিন বিরতিহীন ভাবে পুকুর খনন করে সেই মাটি আবার রাণীনগর, আত্রাই উপজেলা এবং বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলার সান্তাহারের বিভিন্ন ইট ভাটাতে মাটি সরবারহ করা হচ্ছে। কৃষকরা না বুঝে একদিকে হারাচ্ছে তাদের পৈতিক ফসলী জমি অন্যদিকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে এক শ্রেণীর তথাকথিত পুকুর ব্যবসায়ীরা।

রাজশাহী, নাটোর, পাবনা এমনকি রাজধানী ঢাকা শহর থেকে এসে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এখানে পুকুর কেটে ইট ভাটার মালিকদের সাথে মাটি ব্যবসা চুটিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে এমন কি স্থানীয় কিছু জমির মালিকরাও ধান চাষ বাদ দিয়ে পুকুর খনন করে মাষ চাষের দিকে ঝুকে পড়ছে। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে এই এলাকার কৃষি জমি!

ব্যক্তি মালিকানা জমির পাশাপাশি সরকারের ১নং খতিয়ানভূক্ত জমিও এই পুকুর দস্যুদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে নদী-নালা খাল-বিল বাদে প্রায় সাড়ে ২১ হাজার হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে। শ্রেণী ভেদে প্রায় সকল জমিতেই সারা বছর কোন না কোন ধরণের ফসল হয়। কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত কৃষিজাত পন্যের যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় স্থাণীয় এক শ্রেণীর কৃষকরা পুকুর ব্যবসায়ী ও ইট ভাটা মালিকদের লোভনীয় অফারের ফাঁদে পড়ে প্রতি বিঘা জমি বছরে ১২ হাজার টাকা দরে ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদি লীজ প্রক্রিয়া চুক্তিনামা করে চাষযোগ্য ফসলী জমিতে বড় পুকুর করছে আর সেই মাটি প্রতি গাড়ি (ট্রাক্টর) সাতশত টাকায় ইট ভাটায় বিক্রয় করছে পুকুর ব্যবসায়ীরা।

জমি গুলো দেখে মনে হচ্ছে এযেন উম্মুক্ত জলাশয়। ভূমি আইনের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে আবাদী কৃষি জমিতে অবাদে পুকুর খনন করায় দিনদিন কমে যাচ্ছে ফসলী জমি অন্য দিকে পাশের জমির মালিকরা পুকুর পাড়ের প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক ভাবে পানি চলাচল বন্ধ হওয়ায় বোরো ধান রোপণে অনেক কৃষকরা বাধগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়েই কেউ চলে যাচ্ছে পুকুর দস্যুদের কাছে আবার কেউ জমি চাষ না করে ফেলে রাখছে। এতে করে পুরো উপজেলায় চলতি মৌসুমেই প্রায় ছয়শত হেক্টর জমিতে বোরো চাষ কম হওয়ার আশংকা রয়েছে।

প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা অবদি স্কেবেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে ইট ভাটায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে পুকুর খননের প্রবনতা লক্ষ্য করা গেলেও বিশেষ করে মিরাট ইউপি’র আয়াপুর ও আতাইকুলা মৌজার এক নাম্বার ও দুই নাম্বার স্লুইচ গেট নামক স্থানে পুকুর খননের প্রবনতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শুধুমাত্র মিরাট ইউনিয়নই প্রায় ৫০ টিরও বেশি পুকুর খনন করা হয়েছে।

কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, কৃষি জমিতে স্কেবেটার মেশিন দিয়ে মাটি কেটে পুকুর খননের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার আশংকায় মিরাট ইউনিয়নের আতাইকুলা মৌজার বেশকিছু জমিতে চলতি মৌসুমে বোরো ধান না হওয়ার আশংকা রয়েছে। আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে পুকুর খনন থেকে বিরত থাকতে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মামুন জানান, বিষয়টি সম্প্রতি জেনেছি, এদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(রাজেকুল ইসলাম/ রাণীনগর, নওগাঁ/ ঘাটাইলডটকম)/-

নাগরপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

“মাদককে রুখবো, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়বো” এই প্রতিপাদ্য সামনে নিয়ে টাঙ্গাইলের নাগরপুর মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৩০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে এ উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি উপজেলা চত্বর থেকে বের হয়ে সদর বাজারের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ফয়েজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, সমাজসেবা অফিসার মো. সৌরভ তালুকদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মনিরুজ্জামান, নাগরপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা মন্ডল, সাবেক কমান্ডার মো. সুজায়েত হোসেন প্রমুখ।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

(মাসুদ রানা, ঘাটাইলডটকম)/-

নাগরপুরে জাতীয় সমাজসেবা দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

“সমাজসেবায় দেশ গড়ি, সামাজিক নিরাপত্তা করি” এই প্রতিপাদ্য সামনে নিয়ে টাঙ্গাইলের নাগরপুর জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে এ উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি উপজেলা চত্বর থেকে বের হয়ে সদর বাজারের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা সমাজসেবার আয়োজিত আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ফয়েজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, সমাজসেবা অফিসার মো. সৌরভ তালুকদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মনিরুজ্জামান, নাগরপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা মন্ডল, সাবেক কমান্ডার মো. সুজায়েত হোসেন প্রমুখ।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

(মাসুদ রানা, ঘাটাইলডটকম)/-