২০১৯ সালে ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ৭০৩ জন নারী ও শিশু

২০১৯ সালে (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) ১ হাজার ৭০৩ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার ২৩৭ জন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ৭৭ জনকে। ধর্ষণের ঘটনায় আত্মহত্যা করে ১৯ জন। বছরটিতে ২৪৫ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। আর বছরটিতে ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয় ৪ হাজার ৬২২ জন নারী ও শিশু।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গত বছরের নির্যাতনের এ তথ্য দিয়েছে। পরিষদের লিগ্যাল এইড উপপরিষদে সংরক্ষিত ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছর শ্লীলতাহানির শিকার হয় ৯১ জন। যৌন নির্যাতনের শিকার হয় ১৮৫ জন। পাচার করা হয়েছে ১৭ জন নারী ও শিশুকে। এর মধ্যে যৌনপল্লিতে বিক্রি করা হয় ৭ জনকে।

বছরটিতে অ্যাসিড আক্রমণের শিকার হয় ২৪ জন। বিভিন্ন কারণে ৬৩২ জন নারী ও কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ২৬৪ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। ২৮৭ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। ফতোয়ার শিকার হয় ২৪ জন। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে ৯৭টি ও বাল্যবিবাহ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে ১৬৯ জনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদের গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ২০১৮ সালে সারা দেশে ৯৪২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার ৬৯৭ জন, গণধর্ষণের শিকার ১৮২ জন, ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ৬৩ জন। সংস্থাটি ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করে।

(অনলাইন ডেস্ক, ঘাটাইলডটকম)/-