শ্রীলংকায়ও জুয়ার আসরে ভারপ্রাপ্ত কোচ সুজন

২০১৫ সালের বিশ্বকাপে অনুমতিহীন মাঝরাতে হোটেলে ফেরায় দল থেকে বাদ দেয়াই নয়, অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশের বিমানের টিকিট হাতে ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল পেসার আল-আমিন হোসেনকে। আর সেই বিশ্বকাপেই হোটেলে জুয়ার আসরে অংশ নিয়েছিলেন দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। এ নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সমালোচনার ঝড় বইছিল। এবারও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করেছেন সুজন। শ্রীলংকায় চলমান ওয়ানডে সিরিজেও জুয়ার আসরে বসেছেন বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।

শ্রীলংকায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই খেলায় হেরে সিরিজ হাতছাড়া করা বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশের আশঙ্কায় পড়েছে। দলের এমন বাজে পারফরম্যান্সের মধ্যে নেতিবাচক খবরে এলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।

কলম্বোর একটি ক্যাসিনোতে সুজনকে জুয়া খেলতে দেখা গেছে। এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। কলম্বোর শহরটি এমনিতেই ক্যাসিনোর জন্য বিখ্যাত। এখানে নামকরা সব ক্যাসিনো রয়েছে।

গোপনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, কলম্বোর জনপ্রিয় একটি জুয়ার আসর ‘বেলিস ক্যাসিনো’তে খালেদ মাহমুদ সুজন একজন নারী ওয়েটারের হাত থেকে ব্যাংকের এটিএম অথবা ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করছেন। এরপর তিনি এগিয়ে যান একটি জুয়ার টেবিলের দিকে। যাতে আরও বেশ কয়েকজন মানুষকে দেখা যায়।

১১ সেকেন্ডের ভিডিওটির স্থানের সঙ্গে ‘বেলিস ক্যাসিনোর’ শতভাগ মিল খুঁজে পাওয়া গেছে।

খালেদ মাহমুদ সুজনের বিরুদ্ধে জুয়ার আসরে যাওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে তিনি ক্যাসিনো বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। জাতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে ওই বিশ্বকাপে গিয়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি ক্যাসিনোতে ক্যামেরাবন্দি হন। তবে পরে তিনি জুয়ার কথা অস্বীকার করে জানান, রাতের খাবার খুঁজতে তিনি ক্যাসিনোতে ঢুকে যান।

ফেসবুকে ইমন খান নামে একজন লেখেন, গতিদানব, ইন সুইং আউট সুইং রিভার সুইং সুলতান, ইর্য়কার মাষ্টার, বাউন্সার গড, ডেথ বলার স্যার খালেদ মাহমুদ সুজন ভাই একটু মজা করতে গেছে তাতে কি হইছে। কত বড় মাপের লোক সে।

মাহবুব আমিন নামে একজন লেখেন, উনিতো বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল কোচ। তিনি দায়িত্ব নিয়েই বাংলাদেশ টিমকে উনার জামানায় ফেরত নিয়ে গেছেন! উনার জামানায় বাংলাদেশ টিম ২২০, ২৩০, ২৪০ টেনেটুনে করতে পারত।

আতিকুর রহমান নামে একজন লেখেন, তবে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে চাংগা করাই ছিল তার মূল লক্ষ্য। হৃদয় জিতে নিলেন আপনি, ভালোবাসা অবিরাম।

শামিম রহমান সজিব নামে একজন লেখেন, চাচা আসলেই জন্মগত জুয়াড়ি। আগেও জুয়ার টেবিলে ওনাকে দেখা গেছে উনাকে জাতীয় দলের কোচ বানাইলে খেলোয়ারদের নিঃস্ব করে ছাড়বে।

(যুগান্তর, ঘাটাইলডটকম)/-