রাণীনগরে একতা ট্রেন রক্ষাকারি ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে সাহসিকতার পুরস্কার

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বড়বড়িয়া নামক স্থানে রেলের পাটাতন ভাঙা স্থানে মোবাইলের রেড লাইট, গায়ের জামা, গামছা-গেঞ্জি উড়িয়ে দিনাজপুরগামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করার খবর অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঘাটাইলডটকমে প্রকাশের পর সেই ছেলেদের নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ পুরস্কৃত করাসহ সাহসিকতার সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

আগামী ১১ নভেম্বর সোমবার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তাদের এই পুরুস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-মামুন।

উল্লেখ্য: গত ১ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার গোনা ইউনিয়নের বড়বড়িয়া নামক স্থানে রেলের পাটাতন ভেঙ্গে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজরদারি না করলেও ওই এলাকার একদল ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা রেল লাইনের কিছু ভাঙ্গা অংশ দেখতে পায়। তার একটু পরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী আন্তনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন ঘটনাস্থল অতিক্রম করার আগেই তাদের বুদ্ধিমত্তায় মোবাইলের রেড লাইট, পরিহিত শার্ট, গামছা-গেঞ্জি যার কাছে যা ছিলো সেটা দিয়েই উদ্দোমী বালকরা কঞ্চিতে বেধে সংকেত দিয়ে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করে।

তাদের এই তাৎক্ষনিক বুদ্ধির কারণে ট্রেনে থাকা হাজারো যাত্রী দুর্ঘটনা কবল থেকে প্রাণে বেঁচে যায়।

এই সংবাদ ঘাটাইলডটকমে প্রকাশিত হলে পরবর্তীতে সেটা ভাইরাল হয়ে যায়। পরে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এই সাহসিকতার খবর সকলের নজরে আসে।

সেই সাহসীরা হলেন, পশ্চিম গবিন্দপুর (বড়বড়িয়া) গ্রামের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষাথী তাইম ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম লেবুর ছেলে বাধন (২১) একই গ্রামের বাবুর আলীর ছেলে আরিফ (২১), সাইফুল ইসলাম টিক্কার ছেলে রাকিব খান (২০), বড়বড়িয়া গ্রামের হাফিজুর ইসলামের ছেলে হিমেল (১১), গবিন্দপুর (সাতানী) গ্রামের উজ্জল হালদারের ছেলে অন্তর (১১), ধীরেশ চন্দ্র হালদারের ছেলে বিপ্লব, (১৩) মামুন হোসেনের ছেলে ইব্রাহীম (১১)।

(রাজেকুল ইসলাম, ঘাটাইলডটকম)/-