যত্রতত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় শিক্ষার উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, অনেক প্রতিষ্ঠান করতে আগে অনুমতি লাগে। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আগে অনুমতির প্রয়োজন হয় না। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পর পাঠদানের অনুমতি নেওয়া হয়। সেই জন্যই সারা দেশে যত্রতত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় অনেকাংশেরই শিক্ষার যে মূল উদ্দেশ্য তার বদলে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য বড় হয়ে উঠছে। কাজেই এটা নিয়ে সরকার ভাবছে-সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে।

তিনি বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সরকারি এসকে পাইলট হাইস্কুলে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনের সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

ডা. দীপু মনি আরো বলেন, কোচিং সেন্টার অনেক রকম আছে। তবে যেখানে শিক্ষকরা শ্রেণিতে পড়াশোনা না করিয়ে তাদের নিজেদের বাড়িতে বা কোনো কোচিং সেন্টারে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে বাধ্য করেন। এবং সেখানে না পড়লে তাদের নম্বর কম দিয়ে ফেল করিয়ে দেন। এ রকম অপরাধ যারা করেন তাদের ধরতে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন। শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তাই যারা বা যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নোট বইয়ের ব্যবসা করছেন তাদেরকেও কঠোর হাতে দমন করা হবে।

এর আগে সকাল ৯টার দেক মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে পৌঁছলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও মির্জাপুর আসনের এমপি মো. একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল আলম, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. হারুন অর রশিদ, মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক মিজান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, পৌরসভার মেয়র মো. সাহাদত হোসেন সুমন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

(মির্জাপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-

126total visits,1visits today