মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় বাদির পরবর্তী জেরা ৯ মে

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় ৯ মে পরবর্তী জেরা গ্রহণের দিন ধার্য করছেন আদালত। আজ বুধবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালত এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মামলার বাদি ও নিহত মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদকে জেরা শুরু করেন আসামী পক্ষের আইনজীবীরা। জেরা অসমাপ্ত থাকায় আদালত মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আগামী ৯ মে দিন ধার্য করেন।

নাহার আহমেদ ১১ ফেব্রুয়ারি ও ২১ মার্চ তার সাক্ষ্য দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার অন্যতম আসামি এমপি (ঘাটাইল) আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এজলাসে উঠেন। পরে চতুর্থ দফায় ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার বাদীর জেরা শুরু হয়।

উল্লেখ্য : ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় এমপি রানা ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।  এই মামলায় এমপি রানা ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামী রয়েছে।

গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

(সোহেল তালুকদার, চ্যানেলআই/ ঘাটাইল.কম)/-