মির্জাপুরে শর্তসাপেক্ষে পুনরায় খুলে দেয়া হলো শপিংমল

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঈদ উপলক্ষে শর্তসাপেক্ষে আবারও খুলে দেয়া হয়েছে শপিংমল ও দোকানপাট। নতুন সিধান্ত অনুযায়ী মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ বেশকিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) মির্জাপুর উপজেলা সদরের মসজিদ মার্কেট, সৈয়দ টাওয়ার, মনসুর টাওয়ার, ইতালি প্লাজা, খন্দকার প্লাজা, শরীফ প্লাজা, বাংলাদেশ শপিং সেন্টার, সিংগাপুর সুপার মার্কেট, তোফাজ্জল মার্কেট, টেক্কা মার্কেট ও ঠান্ডু মার্কেটসহ বেশ কয়েকটি বিপণী-বিতান ও মার্কেট ঘুরে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিন শহরের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। যদিও সবাই মাস্ক পরিধান করেছিল। তবে শপিংমলগুলোর ভেতরে শারীরিক দূরত্ব খুব একটা পরিলক্ষিত করা যায়নি।

জানা যায়, মির্জাপুর বাজার বণিক সমিতির সঙ্গে বৈঠকে তাদের দাবি অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিধান্ত নেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ১৮ মে থেকে পুনরায় চালু হয়েছে সব ধরনের মার্কেট ও দোকানপাট। তবে শর্তসাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চালু থাকবে এসব শপিংমল ও দোকানপাট।

এর আগে গত ১৪ মে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রেরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জেলার সব ধরনের শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল জেলা প্রশাসক। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, সরকার প্রদত্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও শর্ত পালনে ক্রেতা-বিক্রেতারা উদাসীন থাকায় টাঙ্গাইলবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মৃত্যু ঝুঁকি বিবেচনায় এই সিধান্ত নেয়া হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে মির্জাপুরেও তখন সেই আদেশ জারি করেছিল উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের হাতেগোনা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকায় শেষ মুহুর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ক্রেতারা। অপরদিকে বিক্রেতারা জানান, চলমান লকডাউনে এতোদিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ঈদের কেনাকাটার জন্য কিছুটা হলেও তারা আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল মালেক বলেন, শর্তসাপেক্ষে ও নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র ঈদ উপলক্ষে এ সিধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মার্কেটগুলোতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তদারকি করা হচ্ছে। যদি নিয়ম অমান্য করা হয় তাহলে যেকোনো মূহুর্তে এই সিধান্ত প্রত্যাহার করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

(আরাফাত ইসলাম শুভ, ঘাটাইল ডট কম)/-