মধুপুরে বংশাই নদী ও গুজা খাল দখল করে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণ বাড়ি মৌজায় কাকরাইদ ব্রীজের পূর্ব পাশে ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন বংশাই নদীর কিছু অংশ এবং গুজা খাল দখল করে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাকরাইদ গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী ফকিরের ছেলে আবু হানিফার বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি উঠেছে।

সরকারি বংশাই নদী ও গুজা খাল দখল মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক, মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ, আউশনারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মধুপুর প্রেসক্লাব বরাবর এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় রামকৃষ্ণ বাড়ি গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ জহুর আলী।

এতে এলাকাবাসী ও অভিযোগপত্র থেকে জানা যায় যে, “এলাকার মানুষ গুজা খালের জবর দখলকৃত জায়গায় জাল পেতে মাছ ধরতেন। কৃষকরা গরু চড়াতেন। শিশুরা গুজা খাল পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতেন। কিন্তু জায়গাটি জবর দখল করে বাড়ি ঘর নিমার্ণ করায় স্থানীয়দের মাছ ধরা, শিশুদের স্কুলে যাওয়া ও কৃষকের গরু চড়ানো বন্ধ হয়ে গেছে।”

এমতাবস্থায় তাদের দাবি, “সরকারী নদী খাল জবর দখল মুক্ত করে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার।”

আর এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আবু হানিফা জানান, “দীর্ঘ দিন ধরে এখানে বসবাস করছি। আমার নামে এ জায়গার কাগজ রয়েছে। (যার খতিয়ান নং ৩৪৩। ডিপি ২৬। জেএল নং ১৩২ মৌজা রামকৃষ্ণ বাড়ি। জমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ)।” কিন্তু কোন সূত্রে রেকর্ড পেয়েছেন তার কোন উত্তর দিতে পারেন নি তিনি।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা জহুরা জানান, “এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে বলা হয়েছে।”

মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল করিম বলেন, “এ ব্যাপারে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। উচ্ছেদ নোটিশ প্রস্তুত হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

(মধুপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইল ডট কম)/-