মধুপুরে এক রাতে দুই ফিলিং স্টেশনে ডাকাতি

টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক রাতে দুই ফিলিং স্টেশনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাতরা পেট্রোল পাম্পের সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ নগদ আড়াই লাখ টাকা নিয়ে যায়। আজ রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কে মধুপুরের কাইতকাই এলাকায় রূপালী ফিলিং স্টেশন ও একই মহাসড়কের চাড়ালজানী বিপ্রবাড়ী এলাকায় খান ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। যাওয়ার সময় সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

মধুপুর থানার ওসি তারিক কামাল ডাকাতির ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে জানান, তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে মূল ঘটনা। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক রাত্রে দুই পেট্রোল পাম্পে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ২৯ ডিসেম্বর (রোববার) রাত আনুমানিক ৩.৩০ মিনিট হতে ০৪ ঘটিকার মধ্যে ১০-১২ জনের সংঘবদ্ধ ডাকাত দল মুখোশ পরে লুঙ্গি কাছা দিয়ে মধুপুর-জামালপুর রোডে মেসার্স রুপালী ফিলিং স্টেশনে (কাইতকাই) নাইটগার্ড আতিক ও ক্যাশিয়ার হাসানকে মারপিট করে জোরপূর্বক বেঁধে রেখে ক্যাশ হতে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

এরপর তারা মধুপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে (বিপ্রবাড়ী) মেসার্স খান ফিলিং স্টেশনে একইভাবে প্রবেশ করে পাহাড়াদার সাকাওয়াত হোসেন ও আব্বাস আলীকে মারপিট করে বেঁধে রেখে রেখে কেচি গেটের তালা ভেঙ্গে কাউন্টারে ঢুকে ক্যাশিয়ার শাহিনকে মারপিট করে বেঁধে রেখে এক লক্ষ ৮১ হাজার টাকা ও কম্পিউটার ভাংচুর করে মূল্যবান যন্ত্রাংশ নিয়ে যায়।  ডাকাত দল পাম্পের সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে মেমোরি কার্ড নিয়ে যায়।

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এখনো কেউ গ্রেফতার হয়নি, জোর চেষ্টা চলছে বলে মধুপুর থানা পুলিশ জানিয়েছেন।

খান ফিলিং স্টেশনের মালিক মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর মেয়ের জামাই নুরুল আলম খান রাসেল জানান, শেষ রাতের দিকে ১২ থেকে ১৪ জনের একটি দল মুখে মুখোশ বেঁধে পাম্পে হানা দেয়। কাটার মেশিন দিয়ে তালা কেটে তারা ভিতরে ঢুকে ক্যাশিয়ারসহ অন্যদের বেঁধে ক্যাশ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে যায়।

রূপালী ফিলিং স্টেশনের মালিক অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন সেলিম জানান, রাতে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল ফিলিং স্টেশনের কর্মীদের বেঁধে ক্যাশ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

(এম এ রউফ, ঘাটাইলডটকম)/-