বৃষ্টিপাতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা

ঢাকা, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে-এমন পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার পর থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় হালকা বৃষ্টিপাত। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে ঢাকাতে বেড়েছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও। ফলে শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) বন্ধের দিন হলেও বিপাকে পড়েছেন বাইরে কাজে বের হওয়া নাগরিকরা।

গত রোববার (২৯ ডিসেম্বর) আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ২ থেকে ৩ জানুয়ারি হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বাড়বে শীতের তীব্রতাও। বইবে আবার শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, আগামী দুই দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। তার পরবর্তী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। এরপর আবারও শৈতপ্রবাহ পড়বে। এতে বাড়বে শীতের তীব্রতা।

বৃষ্টিপাতে পৌষে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। কনকনে ঠাণ্ডায় চরম বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ। আবহাওয়া অফিস বলছে, বৈরি আবহাওয়া আরও একদিন থাকতে পারে। এতে দুশ্চিন্তা বেড়েছে কৃষকের। মধ্য পৌষে হঠাৎই বৃষ্টি। কখনো গুঁড়িগুঁড়ি আবার কখনও ঝরছে ভারি লয়ে। বৃষ্টিপাতের সাথে হিমেল বাতাসের দাপটে নেমেছে তাপমাত্রার পারদ। হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু প্রকৃতি।

শুক্রবার অনেকে বেলা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। ফলে আরও ছোট হয়ে আসে দিনের পরিধি। এর মধ্যেই রুটি-রুজির সন্ধানে নামে খেটে খাওয়া মানুষ। কষ্টের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন অনেকে।

শীত আর বৃষ্টিতে চরম বিপাকে হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ। ঠাণ্ডাজনিত শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। টানা বৃষ্টিপাতে চিন্তার ভাজ কৃষকের কপালে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, পশ্চিমা লঘু চাপের ফল এসব। এই অবস্থা থাকতে পারে আরও একদিন। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।

(অনলাইন ডেস্ক, ঘাটাইলডটকম)/-