বন্যা ও ভারত থেকে গরু না আসার অজুহাতে গরম মির্জাপুরের পশুর হাট

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, বন্যা ও ভারত থেকে গরু না আসার অজুহাতে গৃহস্থ ও বেপারিরা তিন থেকে চারগুণ দাম বেশি হাঁকছেন। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) মির্জাপুর উপজেলার বড় কোরবানির পশুর হাট দেওহাটা ও তক্তারচালা পশুর হাটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিপাকে সাধারণ ক্রেতা।

সরেজমিনে, মাঝারি সাইজের একটি গরু কিনতে দেওহাটা পশুর হাটে ৮০ হাজার টাকা নিয়ে হাটে এসেছিলেন লাভলু মিয়া। এসে দেখেন, মধ্যম সাইজের একটি গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে এক লাখ বিশ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা। অথচ গত বছর এই একই সাইজের গরু বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ হাজার টাকায়। পরে আর কেনা হয়নি। তার মত অনেকেই চড়া দামের কারণে পশু কিনতে না পেরে বাড়ি ফিরে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

উপজেলার তক্তারচালা ও দেওহাটা পশুর হাটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছোট সাইজের একটি দেশীয় ষাঁড় ৬০-৮৫ হাজার টাকা, মধ্যম সাইজের একটি ষাঁড় ৯০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা এবং বড় সাইজের একটি ষাঁড় দুই লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছাগল ছোট সাইজের ৫-৭ হাজার, মধ্যম সাইজের ৮-১৫ হাজার এবং বড় সাইজের ছাগল বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ হাজার টাকায়। এছাড়া মহিষ বিক্রি হচ্ছে ৯০ হাজার থেকে শুরু করে দুই লাখ টাকায়।

উপজেলার দেওহাটা পশুর হাট ছাড়াও গোড়াই, হাঠুভাঙ্গা, বাঁশতৈল, তক্তারচালা, তরফপুর, পাথরঘাটা, মহেড়া, ছাওয়ালী, ওয়ার্শি ও গুনটিয়া এলাকায় পশুর হাটে ঈদের দিন পর্যন্ত পশু কেনা-বেচা হবে বলে বেপারি ও গৃহস্থরা জানিয়েছেন।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক এবং মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, প্রতিটি পশুর হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইজারাদারদের পাশাপাশি পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ কাজ করে যাচ্ছেন।

(মির্জাপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-