নাগরপুরে সন্তান খুন হওয়ার দেড় মাস পর পিতার আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গত ১৭ ডিসেম্বর উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে বিপ্লবের (১৬) গলা কাটা মরদেহ ধুবড়িয়ার কুষ্টিয়া বিলের পাশে সরিষাক্ষেতে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা উজ্জল মিয়া বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। মামলার প্রায় দেড় মাস পর গতকাল (২৮ জানুয়ারী) রাতে মামলার বাদী নিহতের পিতা উজ্জ্বল মিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

গতকাল রাতে ধুবড়িয়া পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত বদ্দু মিয়ার ছেলে মো. উজ্জ্বল মিয়ার (৩৮) ঝুলন্ত মরদেহ স্থানীয় কাঠ বাগান থেকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ছেলে হত্যার প্রায় দেড় মাস পরে পিতার আত্মহত্যা নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মুখেমুখে।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারী) সকালে নিহত উজ্জ্বল তার স্ত্রীকে নিজ বাড়ি থেকে ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পরে, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও উজ্জ্বল ফিরে আসেনি। বিকেলে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে নিহত উজ্জ্বলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে জন প্রতিনিধিকে অবহিত করে। পরে জন প্রতিনিধির তথ্যানুযায়ী রাতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও ঝুলন্ত মরদেহটি থানায় নিয়ে আসে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিহত উজ্জ্বল মিয়ার মরদেহটি লক্ষীদিয়া গ্রামের শোভা মিয়ার মেহগনি বাগানে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। সে তার পরনের লুঙ্গি গলায় পেচিয়ে গাছের সাথে ঝুলে আছে।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা মন্ডল জানান, ‘নিহত উজ্জ্বল মিয়ার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। তার মরদেহটি স্থানীয় মেহগনি কাঠ বাগানে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই । পরে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে ও একটি অপমৃত্যু মামলা রজ্জু করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’

(নাগরপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-