২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং

ঢাবিতে ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

জানু ৭, ২০২০

ফেলানী হত্যার বিচার, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, NRC ও CAA এর বিরুদ্ধে সংগ্রামরত ভারতীয় জনতার পক্ষে অবস্থান ও ভারতের সাথে সম্পাদিত গনবিরোধী চুক্তি বাতিলের দাবিতে ৯টি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত আগ্রাসন বিরোধী ছাত্রমঞ্চ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। ৭ জানুয়ারি ফেলানী হত্যার ৯বছরকে স্মরণ করে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি চত্ত্বরে বিকেল তিনটায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে প্রতিবাদী গানের আয়োজন করা হয়।

বিক্ষাভ সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, বাংলাদেশের আনাচে কানাচে অসংখ্য অবিচার সংগঠিত হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থকে আজ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তে যত হত্যা হচ্ছে প্রত্যেকবারই সরকার নিঃশ্চুপ থেকেছে। ফেলানী হত্যা তারই একটি ধারাবাহিকতা।

আমরা বলি ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো আগ বাড়িয়ে বলেছে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করেছেন, তিনি ফারাক্কা বাধ খুলে দেওয়ার ব্যাবস্থা না করে ফেনী নদীর পানি দিয়ে এসেছেন। একদিকে ভারতে ইলিশ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

অন্যদিকে ভারত পেয়াজ আমদানি বন্ধ করেছে। এভাবে আগ্রাসন চলছে। যারা মনে করে যে ভোটারবিহীন ভাবে ক্ষামতায় ঠিকে থাকা যায় তারা লালন করে যে কোন নারীর উপর ধর্ষন করা যায়।

ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রের বিপক্ষে যেমন ভারতীয় জনগণ লড়াই করে চলছে, ভারতীয় সাম্রাজ্য বাদী মনোভাবের বিরুদ্ধেও বাংলাদেশের জনগনকে লড়াই করতে হবে।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবির বলেন, ফেলানী হত্যার বিষয়টিকে কয়েক ভাবে বিবেচনা করা যায়। একজন মানুষকে গুলিকরে হত্যা করে কাটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছে যেটা মানবতার সর্বোচ্চ অবনতি। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে। ফেলানী হত্যার পর সরকারের কোন প্রতিক্রিয়া আমরা দেখিনি। বিচার নিশ্চিত করতে কোন পদক্ষেপ নেননি।

তিনি আরো বলেন, ফারাক্কা বাধ, ৫৪ টি অভিন্ন নদীতে বাধ ভারতের আগ্রাসী মনোভাবের উদাহারন। সম্প্রতি সরকার ফেনী নদী থেকে পানি উত্তোলন, বন্দর ব্যাবহারসহ অসংখ্য গনবিরোধী চুক্তি করেছে। বর্তমান ফ্যাসিবাদ সরকারকে পতন করে ভারতের সাথে করা সকল আগ্রাসী চুক্তি বাতিল করতে হবে।

সমাবেশে ছাত্রফন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় বলেন, বলা হয়ে থাকে ভারত বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। ভারত কোন বন্ধু রাষ্ট্র নয়। ভারত শুধু মাত্র আগ্রাসী রাষ্ট্র। ভারত আগ্রাসনের মাধ্যমে নদী, বন্দর সব দখল করে রেখেছে। পৃথিবীতে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া হয় যুদ্ধরত দুইদেশের সীমানায়। মধ্যখানে কাঁটাতার ঝুলিয়ে কীভাবে বন্ধুরাষ্ট্র হয়।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বিপ্লবী ছাত্র- যুব আন্দোলন, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ,ছাত্র গণমঞ্চের সমন্বয়ে গঠিত হয় আগ্রাসন বিরোধী ছাত্রমঞ্চ।

(ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম/ ঘাটাইলডটকম)/-

Recent Posts

ফেসবুক (ঘাটাইলডটকম)

Doctors Dental

ঘাটাইলডটকম আর্কাইভ

বিভাগসমূহ

পঞ্জিকা

July 2020
S S M T W T F
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031