ঢাকায় মেয়ের বিয়ের আসরে খুন হওয়া সেই বাবার লাশ মধুপুরে দাফন

ঢাকা মগবাজারের দিলু রোডের প্রিয়াঙ্কা সুটিং হাউসে বৃহস্পতিবার বিয়ের আসরে বখাটের ছুরিকাঘাতে নিহত কনের বাবা তুলা মিয়াকে (৪৫) টাঙ্গাইলের মধুপুরের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার (২ আগস্ট) এশার নামাজের পর জানাজা শেষে টেংরি গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

নিহত তুলা মিয়া মধুপুর পৌর এলাকার আকাশী গ্রামের মধ্যপাড়ার আবদুল করিমের ছেলে।

পৌর কাউন্সিলর বাদশা মিয়া জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তুলার লাশ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে বাড়িতে নিয়ে আসার খবরে এলাকার আশপাশের অসংখ্য মানুষ একনজর দেখতে ছুটে আসেন। এর আগেই ঘোষণা করা হয় বাদ এশা তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা নামাজে পৌরমেয়র মাসুদ পারভেজ, সাবেক উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অসংখ্য এলাকাবাসী অংশ নেন।

প্রতিবেশী হাসমত আলী জানান, তুলা মিয়া তার প্রতিবেশী ঢাকার মগবাজারের দিলু রোডে বসবাসকারী জনৈক হক সাহেবের বাসায় কেয়ারটেকার হিসেবে অনেকদিন ধরে কর্মরত ছিলেন। ওখানেই দ্বিতীয় স্ত্রী ফিরোজা ও মেয়ে তার সঙ্গে বসবাস করতেন। পরে তিনি স্থান বদল করে সজল নামে জনৈক প্রবাসীর বাসার কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে দিলু রোডের প্রিয়াঙ্কা সুটিং হাউসের দ্বিতীয় তলায় তুলা ও ফিরোজার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঢুকে সজীব আহমেদ রকি নামে এক বখাটে কনেকে প্রেমিকা দাবি করে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে ওই বখাটের ছুরিকাঘাতে তুলা মিয়া নিহত ও ফিরোজা মারাত্মক আহত হন। পরে গণধোলাই দিয়ে বিয়েতে আসা আমন্ত্রিত ও স্থানীয়রা রকিকে পুলিশে সোপর্দ করেন।

(মধুপুর সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-