ঢাকায় তালাকে এগিয়ে নারীরা

শহরে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় চলতি বছর বিবাহবিচ্ছেদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে বিচ্ছেদের আবেদনের প্রায় ৭৫ শতাংশই নারীদের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। দুই সিটি কর্পোরেশনের ২০১৮ সালে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত এ ৬ মাসে বিচ্ছেদের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৭৪ জন ছিলো। এবার চলতি বছরের ৬ মাসে বিচ্ছেদের সংখ্যা বেড়ে ৬ হাজার ২৩২ জন হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট আবেদন ফরমে বিচ্ছেদের কারণগুলোতে দেখানো হয়েছে, পারিবারিক অশান্তি, বিশ্বাসে আঘাতের কারণকে ঘিরেই বাড়ছে এ প্রবণতা। তবে মূল কারণ হিসেবে প্রযুক্তির উৎকর্ষের অপব্যবহারকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষ মূলত দায়ী হলেও বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন বিচ্ছেদপ্রত্যাশীরা।

জানা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটির গুলশান ও বনানীর অভিজাত পরিবারের শিক্ষিত ও বিত্তবান নারী আর দক্ষিণের মোহাম্মদপুর ও কারওয়ানবাজারের কর্মজীবী নারীরা তুলনামূলক বেশি বিচ্ছেদে যেতে চাচ্ছেন।

সিটি কর্পোরেশনে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে দেখা যায়, বিবাহবিচ্ছেদের বড় কারণ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ‘বনিবনা না হওয়া’। স্ত্রীর করা আবেদনে কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বামীর সন্দেহবাতিক মনোভাব, পরনারীর সঙ্গে সম্পর্ক, যৌতুক, দেশের বাইরে গিয়ে আর ফিরে না আসা, মাদকাসক্তি, ফেসবুকে আসক্তি, পুরুষত্বহীনতা, ব্যক্তিত্বের সংঘাত, নৈতিকতাসহ বিভিন্ন কারণ।

আর স্বামীর অবাধ্য হওয়া, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী না চলা, বদমেজাজ, সংসারের প্রতি উদাসীনতা, সন্তান না হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে স্ত্রীকে তালাক দিচ্ছেন স্বামী।

তবে রেইজ আইটি সলিউশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইসিটি বিশেষজ্ঞ কেএএম রাশেদুল মাজিদ আমার সংবাদকে বলেন, ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তিতে এখন যোগাযোগ এতোটাই সহজ হয়েছে যে, স্বামী-স্ত্রী একে-অপরের অনুপস্থিতিতে অন্যদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। এই বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে একটি পরিবারে বিচ্ছেদ ঘটানোর জন্য দায়ী।

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটির এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিগত ছয় মাসে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পাঁচটি অঞ্চলে তালাকের আবেদন এসেছে ৩ হাজার ৬৭৯টি। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে আবেদনকারীর সংখ্যা ৬০২ (পুরুষ ২০২ ও নারী ৪০০ জন), ফেব্রুয়ারিতে ৫০১টি (পুরুষ ১৫১ ও নারী ৩৫০ জন), মার্চে ২২৬ (পুরুষ ৮৭ ও নারী ১৩৯ জন), এপ্রিলে ৬৩৮টি (পুরুষ ২৩৯ ও নারী ৩৯৯ জন), মে মাসে ৮২০টি (পুরুষ ৩০২ ও নারী ৫১৮ জন), জুনে ৩০৪টি (পুরুষ ১২৮ ও নারী ১৭৬ জন) এবং সর্বশেষ জুলাই মাসে ৫৮৮টি (পুরুষ ১৩৭ ও নারী ৪৫১ জন) জন তালাকের আবেদন করেন।

ঢাকা দুই সিটি কর্পোরেশনের গত বছরে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৭৪ জন। জানুয়ারিতে ৮৯৮টি (পুরুষ ৩৬২ ও নারী ৫৩৬ জন), ফেব্রুয়ারি ৭৩৮টি (পুরুষ ২৫৭ ও নারী ৪৮১ জন), মার্চ মাসে ৫০২টি (পুরুষ ২০৫ ও নারী ২৯৭ জন), এপ্রিলে ৬৯০টি (পুরুষ ২২৪ ও নারী ৪৬৬ জন), মে মাসে ৭৫৬টি (পুরুষ ২৬৪ ও নারী ৪৯২ জন), জুনে ৩৫৪টি (পুরুষ ১০৭ ও নারী ২৪৭ জন) এবং জুলাই মাসে ৬৩৬টি (পুরুষ ২৭৬ ও নারী ৩৬০ জন) বিচ্ছেদের আবেদন করেন।

আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭টি অঞ্চলে বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছেন ২ হাজার ৫৫৩ জন মানুষ। জানুয়ারি মাসে আবেদনকারীর সংখ্যা ৪৪৭টি (পুরুষ ১৮৫ ও নারী ২৬২ জন), ফেব্রুয়ারিতে ৩২৫টি (পুরুষ ১০৯ ও নারী ২১৬ জন), মার্চ মাসে ২৪৬টি (পুরুষ ৮৮ ও নারী ১৫৮ জন), এপ্রিলে ৩৮৫টি (পুরুষ ১৭৭ ও নারী ২০৮), মে মাসে ২৬৯টি (পুরুষ ৭১ ও নারী ১৯৮ জন), জুনে ৩৭২ (পুরুষ ১০৬ ও নারী ২৬৬) এবং জুলাই মাসে ৫০৯টি ( পুরুষ ১৮৫ ও নারী ৩২৪ জন।

ঢাকার ধানমন্ডিতে একজন নারী চিকিৎসক তার চিকিৎসক স্বামীকে তালাক দিয়েছেন বিয়ের এক বছরের মাথায়। বিয়ের পর স্ত্রী স্বামীর শারীরিক অক্ষমতার কথা জানতে পারলেও প্রথম দিকে তা সবার কাছে গোপন করেন। কিন্তু এ সমস্যার পাশাপাশি স্ত্রীকে আর উচ্চশিক্ষার সুযোগ না দেওয়া, ঘরের সব কাজ করতে বাধ্য করাসহ বিভিন্ন নির্যাতন চলতে থাকে। পরে মা-বাবার উদ্যোগে ওই নারী স্বামীকে তালাক দেন।

গুলশান এলাকায় বসবাস করেন পারুল আক্তার (ছদ্ম নাম)। তার স্বামী একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। সারাদিন অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় বাসায় ফিরে আগের মতো স্ত্রীকে সময় দিতে পারেন না। সকাল ৯টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অফিস করে ক্লান্ত শারীরে এসেই বিশ্রামে যান। দাম্পত্য জীবনে দুই কন্যা ও এক পুত্রসন্তানের জনক। সন্তানদের দুজন স্কুলে ও একজন কলেজে পড়েন। স্বামীর অফিস ও সন্তানরা স্কুলে গেলে পারুলের সারাদিন একা একা সময় কাটে না। একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সঙ্গে যুক্ত হন। ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় উত্তরার এক ব্যবসায়ীর ছেলে আলাউদ্দিন সিরাজের সঙ্গে। একপর্যায়ে এই দুই ‘বন্ধুর’ ফেসবুকের কথোপকথন চোখে পড়ে পারুলের স্বামী আহসান হাবিবের। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে গিয়ে স্ত্রীর কথায় গরমিল দেখেন তিনি। এতে সন্দেহের জন্ম নেয়। সংসারে শুরু হয় নানা ঝগড়া-বিবাদ। স্বামী তাকে সন্দেহ করছেন— এটা বুঝতে পেরে একপর্যায়ে ফেসবুক বন্ধু আলাউদ্দিন সিরাজের হাত ধরে পালিয়ে যান পারুল। কয়েকদিন পরে আহসান হাবিবের ঠিকানায় চলে আসে বিবাহ বিচ্ছেদের চিঠি।

শুধু পারুল-আহসান হাবিবের নয়, কেবল ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় গত ছয় মাসে ৬ হাজার ২৩২টি বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, তুলনামূলকভাবে বর্তমানে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা বাড়ছে। ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছেলেমেয়েরা নিজেদের সিদ্ধান্তে বিবাহ করছেন। এক্ষেত্রে দুই পরিবার বিবাহের ঘটনায় শেষমেষ সম্মতি দিলেও দায়ভার নিচ্ছে না। ফলে কিছুদিন পরই পারিবারিক কলহ দেখা যায়। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অনুশাসন মানার প্রবণতা কমে যায়। এসবের কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে একটি পরিবারে স্ত্রী তার স্বামীর অত্যাচার-নির্যাতন মেনেও সংসার টিকিয়ে রাখতেন। বর্তমানে নারীরা নিজেরা উপার্জন করছেন, নিজেদের ইচ্ছাশক্তির মূল্যায়ন বোঝেন। কোনো সময় একজন নারী তার স্বামীর চেয়ে ভালো চাকরি করেন। স্বামী তা মেনে নিতে পারেন না কিংবা মেনে নেয়ার প্রবণতা কম। সমাজে কিছু নারী এখনো আছেন যারা স্বামীর শত অত্যাচারেও সমাজ-লোকলজ্জার ভয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আপস করেই একই ছাদের নিচে বসবাস করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এমএ সালাম বলেন, বিবাহ বিচ্ছেদের মূল কারণ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বোঝা-পড়া ও মনোমালিন্যের সমস্যা। একে অপরের প্রতি ছাড় দেওয়ার মানসিকতা কমে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠায় অপর মানুষের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ায় নিজের স্বামী কিংবা স্ত্রীকে ভালো না লাগায় বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে। অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের চেয়ে বিদেশে বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা বেশি। দেখা যাচ্ছে, স্বামী-স্ত্রী দুজন উচ্চ, দুজনই ভালো চাকরি করেন। ফলে একে অপরের প্রতি সম্মান কমে যায়। শুধু তাই নয়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্বামীর চেয়ে স্ত্রী ভালো চাকরি করছেন এতেও পারিবারিক বন্ধন ভেঙে যায়। এই থেকে আমাদের উত্তরণ কঠিন।

স্বামী-স্ত্রীর ডির্ভোসে তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ ভালো হয় না। নানা ধরনের মানসিক সমস্যা হবেই। বাবা-মার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনো পরিবারে ১৪ বছরের সন্তান রেখে ডির্ভোস হয়। তখন বাবা-মার যেকোনো একজনের অনুপস্থিতিতে সন্তানদের মানসিক সমস্যা খুব বেশি হয়ে থাকে বলে জানান এই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আব্দুল হাকিম বলেন, বিবাহ মানেই হচ্ছে দুজন মানুষ নিজেদের মধ্যে আপসের ভিত্তিতে একটা সামাজিক চুক্তিতে লিপিবদ্ধ হোন। সেই চুক্তি যদি দুঃখের কারণ হয়ে থাকে তাহলে যেকোনো সময় তা ভেঙে যাওয়াই স্বাভাবিক। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে— নিজেরা আস্থার জায়গা হারিয়ে ফেলছে।

তিনি বলেন, বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েরা সবাই সচেতন। একে-অপরের ওপর ভরসা করেন না। সেই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সবাই নিজেদের স্বাধীনতা পোষণ করেন। এটি কোনো দোষের নয়। তবে যে চুক্তিতে স্বামী-স্ত্রী লিপিবদ্ধ হয়েছেন সেটি টিকিয়ে রাখা উচিত। এটিই নিয়ম। বিবাহ হচ্ছে সর্বোচ্চ সম্পর্ক। এরপরও বাংলাদেশে পরিবর্তনশীল সমাজে যতগুলো বিবাহ হয়েছে সেই তুলনায় বিচ্ছেদ খুবই কম। বিচ্ছেদের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার।

বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নেহাল করিম বলেন, সাধারণত উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের বিবাহ বিচ্ছেদ প্রবণতা বেশি। মধ্যবিত্ত পরিবারে এমন প্রবণতা অনেকটাই কম। কারণ উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের কেউ কারো কথা শুনতে চান না। তারা যে যার কথা মতো চলেন।

উচ্চবিত্ত পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, নিজেদের অঢেল অর্থ সম্পদ রয়েছে, তাই বিচ্ছেদ হলে সমস্যা হবে না। আর নিম্নবিত্ত পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ফারাক থাকে বেশি। ফলে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হয়। আর মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা লোকলজ্জায় ঘর ভাঙতে রাজি হন না।

এদিকে ঢাকার আজিমপুর কমিউনিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের উদ্যোগে মাদকমুক্ত সমাজ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে অভিভাবক সমাবেশে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারের কারণে শতকরা ৯০ ভাগ বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে।

তিনি বলেন, ফেসবুকের কারণে স্বামী সন্দেহ করছেন স্ত্রীকে আর স্ত্রী স্বামীকে সন্দেহ করছেন। নিজেদের মধ্যে কলহ দিন দিন বাড়ছে। তিনি বলেন, এক পরিবারে পাঁচজন সদস্য থাকলে পারিবারিক কথা আর হয় না, সেখানে দেখা যায় সবাই ফেসবুক নিয়ে বসে থাকেন।

বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম ফকির বলেন, প্রতিবছরে বিচ্ছেদের সংখ্যা বাড়ছে। এরমূল কারণ স্বামী-স্ত্রীর ‘বনিবনা’ হচ্ছে না। সিটি কর্পোরেশনে যেসব এলাকায় মেয়েরা একটু স্বাবলম্বী সেখানেই মেয়েদের পক্ষ থেকে বিচ্ছেদের ঘটনা বেশি ঘটছে।

তবে প্রতিনিয়ত বিচ্ছেদের ঘটনা কেন বাড়ছে এ ব্যাপারে কর্পোরেশনের কোনো গবেষণার ব্যবস্থা নেই। এখন সময় এসেছে বিচ্ছেদের ঘটনাগুলো নিয়ে গবেষণা করার।

তিনি আরও বলেন, একটি পরিবার যখন বিচ্ছেদের জন্য সিটি কর্পোরেশনের কাছে আসে তখন উভয়পক্ষের আলাদা আলাদা বক্তব্য নেওয়া হয়। ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে উভয় পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করি। দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ পরিবার সমঝোতায় আসেন না। ফলে বিচ্ছেদ ছাড়া সিটি কর্পোরেশনের হাতে অন্যকোনো আইন প্রয়োগের সুযোগ নেই।

(অনলাইন ডেস্ক, ঘাটাইলডটকম)/-