টাঙ্গাইলে ‘স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মাওলানা ভাসানী’র ভুমিকা শীর্ষক সেমিনার

মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ (১৬ নভেম্বর) বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মিলনায়তনে ‘স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মাওলানা ভাসানী’র ভুমিকা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন। মূখ্য আলোচক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ড. মোঃ আছাদুজ্জামান শিকদার।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রোকেয়া বেগম, কবি ও মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব ও বিশ^বিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী স্টাডিজ কোর্সের শিক্ষক সৈয়দ ইরফানুল বারী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক ও সেমিনার উপ-কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মহিউদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল, যা মাওলানা ভাসানীরও প্রাণের দাবি ছিল। কৃষক, শ্রমিক ও জনতার অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু ও মাওলানা ভাসানী এক ছিলেন। মাওলানা ভাসানীকে নিয়ে যারা সত্যিকার ইতিহাস জানেন তাদের মৌখিক বক্তব্য বা সাক্ষাতকার ডকুমেন্টারি করে তা এই বিশ^বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট রিসার্চ সেন্টারে সংরক্ষন করার জন্য বিশ^বিদ্যালয় কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।

(আরমান কবীর, ঘাটাইলডটকম)/-