টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার পরবর্তী স্বাক্ষ্য গ্রহণ ৯ জানুয়ারি

টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার পরবর্তী স্বাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী বছরের ৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে স্বাক্ষী উপস্থিতি না হওয়া এবং এই হত্যা মামলার অন্যতম আসামী সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার আইনজীবী আদালতে টাইম পিটিশন (সময় প্রার্থনা) দেয়ার কারণে জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক রাশেদ কবির মামলার পরবর্তী এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, আদালত কর্তৃক বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তারিখ নির্ধারণ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে এই মামলার দুইজন স্বাক্ষী আদালতে উপস্থিত হননি। একই সাথে মামলার অন্যতম আসামী সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানারও আদালতে হাজিরা দিতে আসেননি। এর প্রেক্ষিতে রানার আইনজীবী আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করেন। পরে টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক রাশেদ কবির এ মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী (৯ জানুয়ারি) নির্ধারণ করেন।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত আদালতে মোট ২১ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে।

জানা যায়, বিগত ২০১৩ সালের (১৮ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল সদর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটি তদন্ত করে।

বিগত ২০১৬ সালের (৩ ফেব্রুয়ারি) এমপি রানা ও তার তিনভাই কাকণ, মুক্তি ও বাপ্পাসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-