টাঙ্গাইলে এলজিইডি’র রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী!

টাঙ্গাইল সদর এলজিইডি’র বাস্তবায়নে এনবিসি-এসটি (জেভি) নামের এক নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয় আগবিক্রমহাটি-বার্থা রাস্তা নির্মাণ কাজে নিম্নমানের পণ্য সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালেও এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, চলতি অর্থ বৎসরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা এলজিইডি ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সদর উপজেলার আগবিক্রমহাটি-বার্থা রাস্তার ১ কিলোমিটার পাকা করণ ও একটি কালভার্ট নির্মাণের টেন্ডার করে। এতে কাজটি পায় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এনবিসি-এসটি (জেভি)।

২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এ নির্মাণ কাজের উদ্ভোধনের ভিত্তি প্রস্তুর করেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ মো. ছানোয়ার হোসেন। উদ্বোধন করার পর পরই ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শিডিউলের নিয়ম উপেক্ষা করে নিম্নমানের ইটের সাথে বালুর পরিমান বেশি দিয়ে এবং পানি দিয়ে রুলিং না করে থিকনেছ কমিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

এতে করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালামাল পরিবহনের মিনি ট্রাক গাড়ী চলাচলকালেই রাস্তা দেবে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় মহাসড়ক সংলগ্ন ওই রাস্তার নির্মাণাধীন কালভার্ট নির্মাণেও চলছে নানা অনিয়ম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, কালভার্টটি সিডিউল অনুযায়ী খনন করা হচ্ছে না। যেভাবে খনন করা হচ্ছে তাতে করে দুই পাশে কালভার্টের মাথা ছোট করে নির্মাণ কাজের খরচ কমানো হচ্ছে। কালভার্ট নির্মাণের গাইড ওয়াল না করায় যে কোনো মুহূর্তে ওই কালভার্টটি রাস্তাসহ ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভেঙ্গে গেলে হাজার হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হবে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী হেদায়েত উল্লাহ জানান, ওই রাস্তা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানা থাকলেও প্রাক্কলিন নির্মাণ ব্যয়ের কথা এড়িয়ে যান। তবে ওই রাস্তার নির্মাণ কাজে যদি কোনো অনিয়ম কিংবা নিম্নমাণের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাহলে ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অপরদিকে জেলা এলজিইডি’র সহকারী সিনিয়র প্রকৌশলী ফজলুর রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই, তবে সরেজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-