ছাত্রী ধর্ষিত অবগত থাকলে প্রতিবেদন দিতাম না: নাগরপুরের ইউপি চেয়ারম্যান মতি

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে কলেজ ছাত্রীকে দেহ ব্যবসায়ী বানালেন ইউপি চেয়ারম্যান সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদের ঘটনায় নিজেকে নির্দোষ দাবি ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ধুবড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান মতি। বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে নাগরপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চেয়ারম্যান মতিউর রহমান।

মতিয়ার রহমান মতি বলেন, আমি পর পর তিনবার ইউপি সদস্য ও বর্তমানে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কলেজ ছাত্রী ধর্ষিত হওয়ার ঘটনা আমি জানতাম না। এমনকি আদালতে ধর্ষন মামলা আছে জানলেও ঐ নোটিশ আমি পাঠাতাম না।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ঘটনা এই যে ধুবড়িয়া গ্রামের সাবেক দুই ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রঙ্গু, শফিকুর রহমান শাকিল ও ধুবড়িয়া ছেফাতুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহাবুল আলম দুলাল এবং এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিগণ দফায় দফায় সভা করে সিদ্বান্ত নেন ঐ কলেজ ছাত্রী ও তার বাবা মা জনৈক আইনজীবি শাহিনের বাড়িতে থেকে অনৈতিক কার্যকলাপ করে আসছে। এজন্য তাদেরকে ঐ বাড়িতে রাখা যাবে না। একারনে ঐ দুই চেয়ারম্যানসহ এলাকাবাসী আমাকে তাদেরকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ দিতে চাপ সৃষ্টি করে।

এলাকাবাসীর চাপের কারনে আমি ঐ নোটিশ প্রদান করি। নোটিশে ভাষাগত ভুলের জন্য আমি প্রশাসন ও সর্বসাধারনের কাছে ক্ষমা প্রার্থী।

একই সঙ্গে ধর্ষিত কলেজ ছাত্রী যেন ন্যায় বিচার পায় তার জোর দাবি জানাচ্ছি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ধুবড়িয়া ইউপি সদস্য মো. স্বপন মিয়া, মো. আব্দুল কাদের, কাজী আবুল কালাম আজাদ, মো. তৌহিদুর রহমান আরজ, মো.ইয়াকুব হোসেন প্রমূখ।

(মাসুদ রানা, ঘাটাইলডটকম)/-