চট্টগ্রামে ধর্ষণের পর তরুণীকে শ্মশানে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় ৩ জনের ফাঁসি

চট্টগ্রামের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় এক তরুণীকে গণধর্ষণের পর শ্মশানে লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় তিন আসামিকে ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক বেগম রোকসানা পারভীন এ রায় দেন।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন- সুজন কুমার দাশ, সমীর দে এবং যদু ঘোষ।

এদের মধ্যে গ্রেপ্তার সুজন কুমার দাশকে রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির করা হয়।

এ মামলার অন্য দুই আসামি সমীর দে এবং যদু ঘোষ পলাতক।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম সেন্টু  বলেন, “২০১১ সালের ৮ জুন নগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকার মহাজন শ্মশান এলাকায় পোশাকশ্রমিক পান্না রানী দাশকে গণধর্ষণ করা হয়। পরে কেরোসিন ঢেলে তার লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়। পরবর্তীতে শ্মশান থেকে ওই তরুণীর পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়।”

নজরুল ইসলাম সেন্টু আরও জানান, “এ ঘটনায় নিহত পান্নার বোন চন্দনা রানী দাশ বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।”

তিনি বলেন, “বিচারক রায়ের আদেশে তিন আসামিকে ফাঁসির আদেশের পাশাপাশি পৃথক আরেকটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেন”।

মামলার বাদী চন্দনা রানী দাশ সাংবাদিকদের বলেন, “রায়ের আদেশে তারা সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতেও যেন এই রায় বহাল থাকে।”

(অনলাইন ডেস্ক, ঘাটাইল.কম)/-