ঘাটাইলে সেই রত্নগর্ভা পরিবার সদস্যদের নিপীড়ন না করার অঙ্গীকার

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রতন বরিষ গ্রামের রত্নগর্ভা পরিবারের ওপর যে নিপীড়ন চালানো হতো, তার আনুষ্ঠানিক সমাধান করা হয়েছে। শনিবার ‘নিপীড়নের শিকার ঘাটাইলের রত্নগর্ভা পরিবার’ শিরোনামে ঘাটাইলডটকমে সমকালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) ঘাটাইল থানায় দু’পক্ষকে ডেকে বিষয়টি অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে লিখিতভাবে সমাধান করা হয়েছে।

ঘাটাইলের আব্দুর রাজ্জাক ও জোছনা বেগম দম্পতির পরিবার সদস্যদের উপর নিপীড়নের বিষয়ে ঘাটাইলডটকমে সংবাদ প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে মানুষ বিষয়টি সমাধানে এগিয়ে আসে। রাজ্জাকের দুই চাচাতো ভাই রফিক ও গফুর তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালিয়ে এবারের ঈদের পরদিন তাদের অবরুদ্ধ করে রেখে জোছনা বেগমকে মারধর করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) ঘাটাইল থানায় দু’পক্ষকে ডেকে বিষয়টি লিখিতভাবে সমাধান করা হয়।

লিখিত অঙ্গীকারনামায় বলা হয়, রত্নগর্ভ পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষ আর খারাপ আচরণ করবে না। কোনো প্রকার মারামারি হুমকি-ধমকি দেবে না। অপ্রীতিকর কোনো কথা বলবে না। সবাই মিলেমিশে থাকবে এই মর্মে অঙ্গীকার করা হয়।

সালিশি সভায় উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাকসুদুল আলম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত হোসেন খান, মধুপুর শহীদ স্মৃতি কলেজের শিক্ষক হোসেন শহীদ প্রমুখ।

ঘাটাইল থানার ওসি মাকসুদুল আলম বলেন, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধান করা হয়েছে।

এদিকে নিপীড়নের শিকার রাজ্জাকের গ্রামের বাড়ীতে গিয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির এক নম্বর সহ-সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি নিপীড়িত পরিবারের পাশে দাড়ান এবং স্থানীয় গন্যমান্য লোকজনের সহযোগিতায় বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানে অগ্রণী ভুমিকা রাখেন।

  এদিকে বিষয়টি কার্যত সমাধানে পরিণত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে আব্দুর রাজ্জাক ও তার স্ত্রী সহ সন্তানরা।

(নিজস্ব প্রতিবেদক, ঘাটাইলডটকম)/-