ঘাটাইলে নিকাহ রেজিষ্টারের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ

0Shares

বাতিল হওয়া পদ ফিরে পেতে জাল কাগজ পত্র দাখিল করার অভিযোগ উঠেছে নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) শামছুল হকের (৫৭) বিরুদ্ধে। তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রহমতপুর আইজি দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার শামছুল হক।

অভিযোগে জানা গেছে, শামছুল হক টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে কাগজ পত্র দাখিল করে বিগত ২০০২ সালে নিকাহ রেজিস্টার (কাজী) পদে নিয়োগ পান। এ নিয়ে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হয়।তদন্তে তিনি মধুপুর পৌরসভা থেকে ৩৮ কি.মি.দুরে ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের রামদেবপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা বলে প্রমান হয়।

পরে আইন মন্ত্রনালয়ের বিচার শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহমুদুল করিম স্বাক্ষরিত (স্মারক-৮৭৪) এক চিঠিতে তার লাইসেন্সটি বাতিল করে পদটি শূন্য ঘোষনা করেন।

পরবর্তীতে ওই শূন্য পদে মধুপুর পৌরসভার ৪ও ৫ নং ওয়ার্ডের নিকা রেজিস্টার মো. ফজলুল হককে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন জেলা রেজিস্ট্রার।

জানতে চাইলে শামছুল হক ঘাটাইলডটকমকে বলেন, আমার বাড়ি ঘাটাইল উপজেলায়। আমার বাড়ি থেকে মধুপুর দুরে থাকায় আমার লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়। আমি উচ্চ আদালতে আবেদন করেছি পদটি ফিরে পেলে আমি ঘাটাইলের সাগরদিঘী ইউনিয়নে আসব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শামছুল হক ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড দিয়ে তিনি ওই ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা প্রমানের চেষ্টা করছেন। তবে এ নিয়ে তিনি কোন কিছু বলতে রাজি হননি।

জানতে চাইলে ঘাটাইলের সাবরেজিষ্টার একেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি শুনেছি তিনি ভুয়া জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ড জমা দিয়েছেন।

(আতিকুর রহমান, ঘাটাইলডটকম)/-