গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বীরপ্রতীক হামিদুলের পাশে স্বাচিপ নেতা

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর অনেকেই টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক বীরপ্রতীকের (৭৪) পাশে দাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে এদের মধ্যে ঢাকার মালিবাগস্থ ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল লিমিটেড কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় আনার ব্যবস্থা করেছে।

‘সখীপুরে অর্থাভাবে চিকিত্সা পাচ্ছেন না বীর প্রতীক হামিদুল হক’ শীর্ষক সচিত্র একটি প্রতিবেদন অনলাইন নিউজপোর্টালে প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনটি ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজের নজরে আসলে তিনি চিকিৎসা ভার গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।

এরপর হাসপাতালের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) প্রিন্সিপাল ডা. এম এ আজিজ জাতির বীরসন্তান হামিদুল হকের চিকিৎসার দায়িত্বভার নিতে চান।

তিনি মনে করেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীর সেবায় নিজেকে একটু কাজে লাগাতে পারলে ধন্য হবেন।

ডা. এমএ আজিজ ছাড়াও টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সখীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ শওকত শিকদারসহ অনেকে বীরপ্রতীক হামিদুল হকের চিকিৎসায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া হামিদুল হক জীবন যুদ্ধে এসে পরাজিত হতে বসেছিলেন। অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পেরে জীবন সংশয়ে পড়েছিলেন।

হামিদুল হক ১১ নম্বর সেক্টরে (বেসামরিক) কাদেরিয়া বাহিনীর অধীনে যুদ্ধ করেন। পাশাপাশি কাদেরিয়া বাহিনীর বেসামরিক প্রধান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

(ঘাটাইল.কম)/-