কৃষি এখন সম্মানজনক ও ভদ্র মানুষের পেশা: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষি এখন সম্মানজনক ও ভদ্র মানুষের পেশা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। একসময় জীবন ধারনের ন্যূনতম চাহিদা মিটাতে মানুষ হাহাকার করত। সেখানে আজ দেশে মাছ, মাংস, দুধ, ডিমসহ নানরকমের পুষ্টিকর সবজি ও ফল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

আজ শনিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচার (বাগ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তাসহ উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক উদ্যোক্তা রয়েছে যাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিলে এগিয়ে যেতে পারবে। তাদের জন্য সরকারের পক্ষ হতে সবধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

‘বিদেশে কোন দেশে কী কী প্রযুক্তি ও উন্নত জাত রয়েছে এবং কোনগুলো আমাদের জন্য উপযোগী তা নির্নয় করে দেশে আনতে হবে। কৃষিতে সমবায়ভিত্তিকভাবে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে, যা করা গেলে সার্বিকভাবে আমাদের জন্য ভালো কৃষিও লাভজনক হবে।’

গবেষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, গবেষণার মান বাড়াতে হবে এবং পিএইচডিতে কোর্স ওয়ার্ক থাকতে হবে। বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচার (বাগ) শক্তিশালী করতে হবে, এর জন্য প্রয়োজনে সরকারি সহযোগিতা করা হবে। আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় অপ্রচলিত মূল্যবান ফসল আবাদ হচ্ছে এবং এগুলোর উৎপাদনও ভালো।  ভুট্টা হতে তেল উৎপাদন করতে হবে এবং এর বাজারজাত তেমন কঠিন নয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এমিরেটাস সায়েন্টিস্ট ও বাগের প্রেসিডেন্ট কৃষিবিদ ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

পরে মন্ত্রী বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক এবং ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের উপাচার্য ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের লেখা ‘কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন : নীতি, অর্থায়ন ও কৌশল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে কৃষিতে অন্যবদ্ধ ভূমিকার জন্য তিনজনকে স্বর্ণপদক ও চারজনকে ‘ক্রেস্ট অব মেরিট’ প্রদান করা হয়।

(স্টাফ রিপোর্টার, ঘাটাইলডটকম)/-