কালিহাতীতে অসামাজিক কাজের অভিযোগে শিক্ষকের বহিষ্কারের দাবি

“শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড” অপরদিকে “শিক্ষকরা জাতির পথপ্রদর্শক” সেই পথপ্রদর্শকরাই যখন পথভ্রষ্টের মতন কাজ করেন তখন গোটা জাতি ভবিষৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। তেমনি অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোপালদীঘি কে.পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলামের (নন এমপিও) বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগের বিচারের দাবিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলাম গা ঢাকা দিয়েছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, সম্প্রতি আরিফ স্যার উপজেলার এলেঙ্গায় একটি বাড়িতে তার পরিচালিত নতুন কুড়ি কোচিং সেন্টার ও একই বিদ্যালযের জনৈক এক ছাত্রের মায়ের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধৃত হোন। সেখানে উত্তম-মধ্যমের পর স্থানীয়দের সাথে মোটা অংকের বিনিময়ে ঘটনাটি ধামা-চাপা দেয়। বিষয়টি বিদ্যালয় ও স্থানীয় এলাকায় জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি অভিযুক্ত শিক্ষকের বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রধান শিক্ষকের নিকট একটি স্মারকলিপি জমা দেয়।

প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহ আলম জানান, ঘটনাটি আমার বিদ্যালয়ের বাহিরে কোথাও হয়েছে বলে শুনেছি, ম্যানিজিং কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অভিযুক্ত শিক্ষককে বিদ্যালয়ে আসার ক্ষেত্রে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক ভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত দেব নাথের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই, আপনার কাছে জানলাম, শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি কুদরত-ই-এলাহী খানের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

(এম এম হেলাল, ঘাটাইলডটকম)/-