মির্জাপুরে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দুপুরের খাবার আয়োজনে যা থাকছে

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আসছেন শেখ হাসিনা। প্রথমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পাওয়া যাবে বলে তার আপ্যায়নের দিকেও ভিন্নতা আনছেন কুমুদিনী কর্তৃপক্ষ। বাংলার হস্তশিল্পের ঐতিহ্য কাসার প্লেটে নাভড়া ও সুকত ঝুলসহ ৩০ থেকে ৩৩ রকমের তরকারি ও মিস্টান্ন দিয়ে আয়োজন করা হবে প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবার।

মির্জাপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূলত উপমহাদেশের প্রখ্যাত দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক প্রদান ও কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সেবা কার্যক্রমের ৮৬তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিবেন। এ উপলক্ষে কমপ্লেক্স জুড়ে চলছে সাজ সাজ রব। ঘষা মাজা করা হচ্ছে কুমুদিনী হাসপাতালের মূল ফটকসহ প্রতিটি ভবন। এ ছাড়া নতুন রংয়ে সাজানো হচ্ছে কুমুদিনী হাসপাতাল।

এ বছর যারা এ স্মারক ও স্বর্ণপদক পাচ্ছেন তারা হলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (মরণোত্তর), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম এবং চিত্র শিল্পী শাহাবুদ্দীন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মির্জাপুরের তিনটিসহ ৩১টি উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মেচন করবেন। এরমধ্যে মির্জাপুর উপজেলা কমপ্লেক্সের নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবন, মির্জাপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভবন ও মির্জাপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ভবন উল্লেখযোগ্য।

বৃহস্পতিবার সকাল এগারটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহেনা এবং মন্ত্রী পরিষদের কয়েকজন মন্ত্রীসহ মির্জাপুর আসবেন। মির্জাপুরে তিনি কুমুদিনী ওয়েফেয়ার ট্রাস্টের সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন ও ভারতেশ্বরী হোমসের ছাত্রীদেও মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মির্জপুর এবং কুমুদিনী কমপ্লেক্সের এটাই তার প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রী আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের ১ হাজার ২শ  সদস্যসহ অন্তত দেড় সহসাধিক আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবেন বলে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় এবং র‌্যাব-১২ কোম্পানি কমান্ডার মেজর হাসান আরাফাত জানিয়েছেন।

(টাঙ্গাইল সংবাদদাতা, ঘাটাইলডটকম)/-

530total visits,1visits today