বিতর্কে এখন বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের জার্সি

নানা আলোচনা-সমালোচনা, বিতর্কের পর বদলে যাচ্ছে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জার্সি। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছিল, সবুজ জার্সিতে লালের ছোঁয়া না থাকা নিয়ে! লালের ছোঁয়া শেষ পর্যন্ত থাকছে। নতুন নকশায় প্রাধান্য পাচ্ছে জাতীয় পতাকার দুটি রংই । তবে বিসিবি সভাপতি মনে করেন না, দেশের পতাকার রঙেই সব সময়ই হতে হবে দলের জার্সি।

কাল জার্সি উন্মোচন ও বিশ্বকাপগামী বাংলাদেশ দলের ফটোসেশনের পরই শুরু তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। বাংলাদেশ যে সবুজ জার্সিটা পরে বিশ্বকাপের বেশির ভাগ ম্যাচ খেলবে, সেটির সঙ্গে মিলে যাচ্ছিল পাকিস্তান কিংবা আয়ারল্যান্ড দলের জার্সি। এ জার্সিতে কেন লাল রং নেই—প্রশ্নটা উচ্চকিত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

গতকাল বিকেলে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের সংবাদ সম্মেলনেও উঠেছিল জার্সি-প্রসঙ্গ। গুরুত্বপূর্ণ একটি টুর্নামেন্ট খেলার আগে কোনো বিতর্ক চায় না বিসিবি। দ্রুত জার্সির নকশা বদল আনার সিদ্ধান্ত সে কারণেই।

নতুন জার্সি কেমন হবে সেটির ব্যাখ্যা দিলেন বিসিবি সভাপতি, ‘আমরা বদলাতে পারব কি না, আইসিসির কাছে জানতে চেয়েছিলাম। ওরা আজ জানিয়েছে, বদলাতে পারব। আমরা ঠিক করেছি, যেহেতু আইসিসির বাধ্যবাধকতা আছে, আমরা কোনো জটিলতায় যেতে চাই না। আমি বলেছি নতুন নকশা চাই। আমাদের লাল জার্সিটার ঠিক উল্টো নকশা করা হয়েছে। এখানে বিভ্রান্তির কিছু নেই। আগে লাল ছিল না আইসিসির নির্দেশনায়।

’ কেন ‘বাংলাদেশ’ লেখা ও খেলোয়াড়দের নাম-জার্সি নাম্বার লাল রং চায়নি আইসিসি, সেটিরও ব্যাখ্যা দিলেন নাজমুল, ‘ওদের নির্দেশনা হলো, সবুজের মধ্যে লাল ভালোভাবে ফোটে না। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী নকশা করা হয়েছে।’

জাতীয় পতাকার আদলেই যে জার্সি হতে হবে, সেটিও মনে করেন না বিসিবি সভাপতি, ‘অনেক দেশে জাতীয় পতাকার সঙ্গে জার্সির কোনো সম্পর্ক নেই। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারতকে দেখেন। এখন বলা হচ্ছে জাতীয় পতাকা, জাতীয় পতাকা! আমাদের ১৯৯৯ বিশ্বকাপ দলের জার্সিতেও লাল ছিল না। জাতীয় পতাকার সঙ্গে জার্সি টেনে আনা ভুল। তবে (লাল-সবুজের মিশ্রণ) ধারাটা আমরাই শুরু করেছিলাম।’

(প্রথমআলো, ঘাটাইলডটকম)/-