‘বাড়ির পাশে আরশিনগর, আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভারত (চতুর্থ পর্ব)’

বাংলাদেশে জিয়া হত্যার পর তারা তাদের দেরাদুনের সাবেক ছাত্র এরশাদকেই বেছে নেয়। তাও যদি না পায় তবে তারা ক্ষমতাসীন দল থেকে-ই কাউকে নিজেদের গুডবুকে নিয়ে নেয়। নেপালে ভট্ররাই এবং নেপালি কংগ্রেস যেমন ছিল তাদের গুডবুকের সন্তান তেমনি শ্রীলংকার রনিল বিক্রমাসিংহে তাদের পছন্দের হলেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলে তারা রাজা পাকসের সরকারের জন্য একজন বিশেষ লোককে তাদের শীলংকান দুতাবাসে পাঠায় দুই বছরের সময় দিয়ে। তাঁর কাজ হচ্ছে রাজাপাকসের সরকার থেকে একজন উপযুক্ত লোক বেছে নেয়া যিনি রাজাপাকসেকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।

খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক পাঁচ দিন ব্যাপী চীন সফর শুরুর দ্বিতীয় দিন সকালে সারা দেশ কেঁপে উঠল জেএমবি নামক অখ্যাত এক সংগঠনের এক যোগে ৬৪ জেলায় বোমা হামলার মধ্য দিয়ে। শায়খ আব্দুর রহমান, আতাউর রহমান সানি নামক আজব কিছু নাম সারা দেশের মানুষের মুখে মুখে ফিরতে লাগল। রাজশাহী অঞ্চলের আরেক খুনী/সিরিয়াল কিলার বাংলা ভাই যিনি আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে সর্বহারা নিধন করে বেশ পপুলার হয়ে উঠেছিলেন তিনিও নাকি জেএমবিতে যোগ দিয়েছেন অথবা আগে থেকে-ই ছিলেন।

জনগন ধোঁয়াশা, এডভেঞ্চার, ভীতিকর পরিবেশের মধ্য দিয়ে দিন গুজরান করতে লাগল।

জাকারিয়া চৌধুরীর ‘আরশি নগর’ সিরিজের এটা চতুর্থ পর্বের লেখা। চতুর্থপর্ব বুঝার সুবিধার্থে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব এখানে ক্লিক করে পড়ে নিতে পারেন।

আমরা শুনলাম জেএমবি’র বোমা বিশেষজ্ঞ আছে। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার আছে। এরা জ্যামেতি বক্সে বোমা রেখে যার তাঁর উপর ছুড়ে ফেলতে পারে। বইয়ের ভেতর বোমা, আকাশে বাতাসে বোমার ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন এক তিতকুটে পরিবেশের মধ্য দিয়ে দারুন এক অস্বস্তিময় পরিবেশ আমরা সে সময় পার করছিলাম।

খালেদা জিয়ার সফর পাঁচ দিন থেকে কমিয়ে তিন দিনে তড়িঘড়ি করে শেষ করা হলো। শেষ করা হলো বলা আসলে ঠিক নয়, বলা চলে সেই সফর ভন্ডুল হয়ে গেল। তিনি দেশে ফিরে সবার সাথে পরামর্শ করে র‍্যাবকে নামালেন এসবের হদিস বের করতে।

কর্নেল গুলজারের নেতৃত্বে এই হদিস বের করাই ছিল র‍্যাব ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্যে সবচে বড় কাল সাপ খুঁজে বের করে আনা।

দেখা গেল সে সময়কার যুবলীগ সেক্রেটারির আপন দুলাভাই হচ্ছেন জেএমবি প্রধান। তাদের সকল রসদ ভারতীয়। পাওয়ার জেল, এক্সপ্লুসিভ থেকে শুরু করে সব কিছুই ভারতীয় এবং এরা ভারত প্রশিক্ষিত।

পাঠক, গত ইস্টার সানডে উপলক্ষ্যে প্রার্থনার সময় শ্রীলংকায় এক সাথে তিন স্থানে বোমার বিষ্ফোরন ঘটে; মনে আছে নিশ্চয়ই। হতাহতের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় কয়েক শ’তে। কিছু বিচ্ছিন্ন মুসলিম এসব কান্ড ঘটিয়েছিল। শ্রীলংকার সর্বস্তরের মুসলিম কমিউনিটির উপর সাধারন মানুষের হামলা, মামলা, লুট, সরকারী বাহিনীর অত্যাচার যখন চরমে তখন সে দেশের সেনা প্রধান ঘোষণা করলেন– সন্ত্রাসী’রা সকলে ভারতে প্রশিক্ষিত। একেবারে তব্দা খাওয়ার মত মন্তব্য।

বেশ ক’মাস আগে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট স্বয়ং তাঁর কেবিনেট সভায় আশংকা প্রকাশ করেছেন এই বলে যে, ভারত তাকে বাঁচতে দেবে না।

আগের পর্বে যে প্রভাকরনের কথা বলেছিলাম, সেই প্রভাকরনদের সব ধরনের ট্রেনিং, কমিউনিকেশন, অর্থ, খাদ্য সহ সব সব লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে যেতো ভারত এবং সেটা প্রায় প্রকাশ্যে। তামিলনাড়ুতে ছিল তাদের প্রশিক্ষন ও রিক্রুটিং ক্যাম্পগুলো।

আপনারা কি জানেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী যে যুদ্ধ চলমান তাঁর প্রধান পাচটা এক্টিভ দেশের মধ্যে ভারত একটা ?

আজ অন্য আরেকটা প্রসঙ্গে ঘুরে আসি। আপনাদের কি মনে আছে, ২০১৩ সাল থেকে আইএস কিভাবে মধ্যপ্রাচ্যে ক্যান্সারের চেয়েও শতগুণ বেশি বেগে ছড়িয়ে পড়ছিল? তারা ইরাক- সিরিয়া সহ অন্যান্য অঞ্চল মিলে যে খিলাফত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছিল তা প্রায় দুইটা ব্রিটেনের সমান। তারা আশা করেছিল, সিরিয়াকে শুইয়ে দেয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু তারা জানতো সেখানে বসে আছে গোকুলে বেড়ে উঠা আরেকটা সেয়ানা সাপ। সে রাশিয়া এবং ইরানকে নিয়ে আইএসকে গুড়িয়ে দেয়।

আমি আগেও বলেছি, আইএসের মুল ঘাটির ৬০ কিমির মধ্যে যেখানে ইসরাইলের অবস্থান সেখানে আইএস ইসরাইলকে বাদ দিয়ে কেনো ৮০০ কিমি দুরে গিয়ে যুদ্ধ করছে? আইএসের আহত যোদ্ধারা চিকিৎসা নেয় কোথায়? এই মুহুর্তে আইএস কোথায়? উত্তর হলো পাল্টা আঘাত কতটা ভয়াবহ হবে আইএস তা অনুমান করতে পারেনি। আইএস ছেড়ে পালানো বেশিরভাগ যুবক কিশোরের কান্নায় তা ধরা পড়েছে। যারা জিহাদ করতে এসেছে তারা ধরা পড়ে এভাবে কাদছে কেনো ? তাদের তো নিজের প্রাণ উড়িয়ে দেয়ার কথা। তাঁর বদলে তাদের কান্নার হেতু কি?

উত্তর হল- তারা কেহই স্বেচ্ছায় আসেনি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের দেশের মুসলিম কমিউনিটি ঘুরে ঘুরে যাদেরকেই সন্দেহজনক মনে করেছে তাদেরকেই গোপনে তুলে নিয়ে লুকিয়ে রেখেছে গোপন সব বন্দী সেলে। সেখান থেকেই আইএস তৈরির জন্য যোদ্ধা সরবরাহ করা হয়েছে।

যাদের পালানোর কোন পথ ছিল না। বেঁচে থাকতে চাইলে আইএসে যোগ দিতে হবে। পলিসি খুব সুন্দর। কোন সরকার-ই নিজ দেশের নাগরিক হত্যার রিস্ক না নিয়েও তাদেরকে হত্যার মুখে ঠেলে দিতে পেরেছে। কিশোর যুবক যুবকেরা এক দিকে যেমন হত্যার শিকার হয়েছে অন্যদিকে তাদের পরিবারগুলো পড়েছে মহা বিপদে।

পরিবারের একজন আই এস সদস্য শুনলে পুরো কমিউনিটি তাদেরকে বয়কট করে চলেছে বছরের পর বছর। ঠাট্রা বিদ্রুপ থেকে শুরু করে এমন কোন স্যোশাল হ্যারাসমেন্ট নেই যা তাদেরকে নিয়মিত ফেস করতে হয়নি।

যাই হোক, যা বলছিলাম। আইএস তাদের যোদ্ধাদের জন্যে সবচে বড় জনসরবরাহ এসেছে তাবৎ দুনিয়া থেকে গুম হওয়া যুবক যুবতীদের দিয়ে যাদের অনেকেই ধর্ম সম্পর্কে হয়তো স্বাভাবিক জ্ঞানও রাখতেন না। আইএসের আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও দেখভাল তদারকি করতেন খোদ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

আইএসের জন্যে বোমা তৈরির সব উপকরণ সরবরাহ করতো ভারত এবং ভারতের অন্তত নয়টি প্রতিষ্ঠান। সিরিয়া শেষে ইরাক থেকেও বিতারিত আইএস সদস্যদের আজকের অবস্থান কোথায় জানেন কেউ? আইএসের সকল সদস্য এই মুহুর্তে ইসরাইলে আশ্রিত।

আমাদের দেশ সহ বিভিন্ন দেশ থেকে গোপনে অপহরন করা ছেলেদের কোন গ্রুপ হয়ত মানব হিসেবে সরবরাহ হয়েছে আইএসের জন্যে। কেউ কেউ এখনো প্রশিক্ষনে আছে, কেউ বুকে বোমা বেঁধে সর্বক্ষন প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষায় আছে মাস্টারের ফাইনাল হুকুমের। তারা প্রত্যেকেই শেকলে বাঁধা এক একটা পশুতে পরিনত হওয়া প্রাণ হয়ে ডুমুরের মত ঝুলে আছে যেন।

এ অঞ্চলে ভারত ছাড়া সন্ত্রাসবাদ নিয়ে এতোবেশি কাজকর্ম আর কেউ করে না। তারা যেমন খৃষ্টান গীর্যায় বোমা হামলা চালায়, তারা-ই তেমনি ওইসব শেকলে বাঁধা মুসলমনদের দিয়ে মসজিদেও হামলা চালায়। দিন দুই আগে খোদ শ্রীলংকাতে-ই এমনটা হয়েছে।

যে যা-ই বলুক, এ দুই ঘটনার মধ্য দিয়ে শ্রীলংকায় জাতিগত যে বিদ্বেষের সুচনা ঘটবে তা কখনো-ই আর মেরামত যোগ্য হবে না।

আমাদের দেশেও হৃদয়ে যে বিভেদ জমে গেছে সেও কখনো মুছে যাবে না। এ কথা কেউ স্বীকার করুন বা না করুন।

চলুন প্রসঙ্গে ফিরে যাই, রাজাপাকসে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে-ই সংবিধানে কিছু পরিবর্তন আনেন। এর ফলে তিনি ইলেকশনে জিতলে বহুবার ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। আগে ক্ষমতার মেয়াদ সীমাবদ্ধ ছিল।

বাংলাদেশ যখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে নিজস্ব বলয় ঠিক রেখে এগিয়ে যাচ্ছিলো তখন-ই ঘটে ২১শে আগস্টের রহস্যে ঘেরা গ্রেনেড হামলার ঘটনা। ঘটনা কি? ঘটনা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার আরেকটা চেষ্টা ব্যার্থ হলো। সব দিক দেশে শুনে আমার কাছে কখনো-ই মনে হলো না, এমন উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন গ্রেনেড কখনো ব্যার্থ হয়। ব্যার্থ কখন হয় তবে? ব্যার্থ হয় তখনই যখন কেউ সেসব গ্রেনেড ইচ্ছে করেই টার্গেটের আশপাশে ফেলে। ফলে প্রচুর নিরিহ মানুষ মরল। বেঁচে গেলেন শেখ হাসিনা ও তাঁর কাছের মানুষেরা। (একজন মানুষেরও চুল পরিমান ক্ষতি হোক- আমি কি তা চেয়েছি ? না চাইনি। সন্ত্রাস কোন সমাধান নয়)।

গ্রেনেড হামলার আগে নাকি স্মোক বম্ব ব্যাবহার করেছিল ঘাতকেরা।  স্মোক বম্ব ব্যাবহার করা হয় দু’টা কারনে। প্রথমত সন্ত্রাসীরা যখন নিজেদের চেহারা আড়াল করতে চায়। দ্বিতীয়ত প্রচন্ড ধোঁয়া এবং শব্দের কারনে ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ দিক বিদিক ছুটে যায়, ফলে টার্গেটকে সহসা-ই হাতের নাগালে পাওয়া যায়।

কতটা নিপুন এবং পরিকল্পিত হলে এভাবে ধারাবাহিক এবং নির্ভুল আক্রমন চালানো সম্ভব হয়। শোনা যায় আক্রমনের স্থান সন্ত্রাসী’রা আগেই রেকি করে এসেছে, শোনা যায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার একক সিদ্ধান্তে আক্রমনের স্থানে সমাবেশের আয়োজন করতে হয়েছে আয়োজক কমিটিকে। যদিও সরকারী অনুমতি চাওয়া হয়েছিল অন্য স্থানে এবং অনুমোদিত ছিল সেই স্থান। অন্য জায়গার অনুমতি নেয়ার পরে কেন এমন বিচিত্র ও অস্বাভাবিকভাবে স্থান বদলের ঘটনা ঘটল তা আয়োজক কমিটির কেউ জানতো বলে শোনা যায়নি।

২১ আগস্ট বোমা হামলার সময় তদানন্তীন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী স্টেজ থেকে অনেক দুরে অবস্থান করছিলেন। এমন কত প্রশ্নবোধক কথা যে শোনা যায়, আর এসব কেচে কত রং যে বের করা যায় তাঁর যেনো কোন ইয়ত্তা নেই।

সবচে বেশি যে কথাটা আমাকে নাড়া দেয় তা হলো, বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় পালিয়ে যাওয়া এক নেতার কলিকাতায় আগমনের গল্প। শোনা যায় তিনিই লোক রিক্রুট করা, ট্রেনিং দেয়া, এরিয়া প্লেসের ডামি তৈরী করা থেকে শুরু করে সব কিছুর তদারকি করেন কলিকাতায় বসে বসে। তাদের ট্রেনিং, অস্ত্র সরবরাহ এবং অর্থ সরবরাহও করা হয় ভারত থেকেই।

আজকের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা প্রথম শ্রেনীর ভারত-ই গতকাল সন্ত্রাসের বীজ রোপন করে গেছে বাংলা আর বেলুচদের ঘরে ঘরে। যে কথা বলে শ্রীলংকা প্রসঙ্গ শেষ করব।

আমরা বলেছিলাম, সাউথ ব্লকের একজন কূটনৈতিককে ভারত দুই বছর সময় হাতে দিয়ে শ্রীলংকায় পাঠিয়েছিল, মনে পড়ে? তাঁর কাজ ছিল, রাজাপাকসে সরকারের মন্ত্রীসভা থেকে একজন যোগ্য লোককে বের করে রাজাপাকসের বিরুদ্ধে দাড় করিয়ে দেয়া। একক নয়, বিরোধী সম্মিলিত জোটের মাথা হিসেবে।

শ্রীলংকার প্রবল জনপ্রিয় অর্থমন্ত্রী মি থিরিসেনাকে ভারত যখন প্রস্তুত করছে, রাকাপাকসে তখন তামিল সমস্যা শেষ করেছে চিরতরে। চায়নার ডিফেন্স নিশ্চিতে সেখানে চায়নার গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মান শেষ করে আগাম নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। একবারের জন্যেও মি রাজাপাকসে ভাবেননি- তোমারে বধিবে যে, গোকুলে বাড়িছে সে’। রাজাপাকসে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন আর অমনি থিরিসেনার নেতৃত্বে কিছু নেতা রনিল বিক্রমা সিংহ’কে নিয়ে আলাদা ঐক্যফন্টের ব্যানারে গিয়ে বিরোধী জোট থেকে নির্বাচন করবার ঘোষণা দিলেন। এই ধাক্কা সামলানোর আগেই রাজাপাকসের বিদায়।

আজকের মাহিন্দা রাজাপাকসে যে প্রেসিডেন্টকে সালাম দিয়ে প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রবেশ করেন, দিন দুই আগেও সেই থিরিসেনা রাজাপাকসের করুণা পেলে নিজেকে ধন্য মনে করতো।

জাতীর সাথে বেইমানী করে রাজা হয়েছিলেন বিভীষন, মির্জাফর আলী খান থেকে শুরু করে হালের বহু বলদ। ইতিহাসের পাতায় বেইমান হিসেবে স্থান পেতে তাদেরকে যুদ্ধ করতে হয় মরার পরেও।

আমাদের দেশে এমন ঐক্যফ্রন্ট দেখেছি মাস কয় আগেও। যে নেতার কথায় দেশের শতাধিক লোকও গ্রহণ করে না, তাকেই দেখলাম থিরিসেনার মত হঠাৎ করেই জ্বলে উঠতে।

থিরিসেনা তাঁর কেবিনেট মিটিঙয়ে আশংকা প্রকাশ করেছেন ভারত তাকে খুন করতে পারে বলে। বেঈমানদের পরিনতি হচ্ছে টিস্যু’র মতন। তিনি যে টিস্যু হয়ে গেছেন তা দেরিতে হলেও বুঝেছেন। বুঝেনি শুধু আমার সোনার বাংলা।

(জাকারিয়া চৌধুরী, ঘাটাইলডটকম)/-

209total visits,1visits today